Class 12 Bengali MIL Additional Chapter 12 মন্ত্রের সাধন Question Answers As Per the New Syllabus. Students can easily browse the chapter-wise list to find the required questions and answers for Class 12 Bengali MIL Additional Chapter 12 মন্ত্রের সাধন Notes. Here, you can also access HS 2nd Year Bengali MIL Important Solutions. You can also Download PDF for offline study.
Class 12 Bengali MIL Additional Chapter 12 মন্ত্রের সাধন
AHSEC Class 12 Bengali MIL Additional Notes are useful for revision and exam preparation. Students can explore the HS 2nd Year Bengali Additional Solutions for all chapters to understand important topics, strengthen their knowledge, and prepare confidently for their final examinations.
মন্ত্রের সাধন
| Additional Question Answer |
( ক ) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশোত্তরঃ
১। মন্ত্রের সাধন প্রবন্ধটি কার রচনা ?
উত্তরঃ মন্ত্রের সাধন প্রবন্ধটি আচার্য জগদীশচন্দ্র বসুর রচনা ।
২। আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু কি প্রতিষ্ঠা করেন ?
উত্তরঃ আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু ‘ বসু বিজ্ঞান মন্দির ’ প্রতিষ্ঠা করেন ।
৩। প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপগুলি কিভাবে নির্মিত হয়েছে ?
উত্তরঃ হাজার হাজার প্রবাল কীট তাদের দেহ দিয়ে এই দ্বীপগুলি নির্মাণ করেছে ।
৪। বহু মানুষের চেষ্টার ফলে কি সম্ভবপর হয়েছে ?
উত্তরঃ বহু মানুষের চেষ্টার ফলে বিজ্ঞানের অসাধ্য সাধন হয়েছে ।
৫। কাকে ব্যাংগ নাচানো অধ্যাপক বলা হত ?
উত্তরঃ গ্যালভানি কে ব্যাংগ নাচানো অধ্যাপক বলা হত ।
৬। ‘ পৃথিবীর এক প্রান্তের সংবাদ অন্য প্রান্তে পৌঁছিতেছে ’ – কিসের মাধ্যমে ?
উত্তরঃ বিদ্যুৎ তরঙ্গের মাধ্যমে পৃথিবীর এক প্রান্তের সংবাদ অন্য প্রান্তে পৌছাচ্ছে ।
৭। বেলুন বেশিসময় আকাশে উড়তে পারে না কেন ?
উত্তরঃ রেশম দ্বারা নির্মিত বেলুনের গ্যাস বেরিয়ে যায় বলে অধিক্ষন আকাশে উড়তে পারে না ।
৮। ‘ ইহা কেন বিশ্বাস করিল না ’ – কোন কথা ?
উত্তরঃ বেলুন যে ধাতু দ্বারা নির্মিত হতে পারে এই কথাটি কেউ বিশ্বাস করতে পারল না ।
৯। ‘ সেজন্য একটি ক্ষুদ্র ইঞ্জিন প্রস্তুত করিলেন ‘ – কে এবং কেন ?
উত্তরঃ বিজ্ঞানী সোয়ার্জ একটি ক্ষুদ্র ইঞ্জিন প্রস্তুত করলেন ।
বেলুন যাতে বাতাসের গতির বিপরীতে যেতে পারে সেজন্য বিজ্ঞানী সোয়ার্জ ক্ষুদ্র ইঞ্জিন প্রস্তুত করলেন ।
১০। কে ব্যোমযান নির্মাণ করেন ?
উত্তরঃ জেপেলিন ব্যোমযান নির্মাণ করেন ।
১১। লিলিয়েনথাল কোন দেশের বিজ্ঞানী ছিলেন ?
উত্তরঃ লিলিয়েনথাল জার্মান দেশের বিজ্ঞানী ছিলেন ।
( খ ) সংক্ষিপ্ত প্রশোত্তরঃ
১। “ লোকটি মরিয়া গিয়াছে , তাহার বিধবা স্ত্রী অনেক আশা করিয়া দেখাইতে আসিয়াছে । ― লোকটি কে ? তাঁর বিধবা স্ত্রী কী আশা করে দেখতে এসেছে ?
উত্তরঃ উদ্ধৃত অংশে লোকটি হলেন জার্মান বিজ্ঞানী সোয়ার্জ ।
তাঁর বিধবা স্ত্রী সোয়ার্জের দ্বারানির্মাণ করা অ্যালুমিনিয়াম ধাতুর বেলুন আকাশে উড়বার পরীক্ষা করার জন্য পরীক্ষকের নিকট গভীর আশা নিয়ে দেখতে এসেছেন ।
২। কার নির্মিত ব্যোমযান যুদ্ধে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করা হয় এবং যুদ্ধ পরবর্তীতে এর দ্বারা মানুষ কিভাবে উপকৃত হয় ?
উত্তরঃ জেপেলিনের নির্মিত ব্যোমযান যুদ্ধে অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করা হয় ।
পরবর্তীতে এই অস্ত্র দ্বারা মানুষ খুব সহজে আটলান্টিক মহাসাগর অতিক্রম করতে পেরেছে। যার জন্য ইউরোপ ও আমেরিকার মধ্যেকারে দূরত্বের অবসান ঘটেছে ।
৩। ‘ তাহার পর পরীক্ষা করিতে আরম্ভ করিলেন ।’— কে , কী পরীক্ষা করতে আরম্ভ করলেন ?
উত্তরঃ জার্মান বিজ্ঞানী লিলিয়েনথালের মনে প্রশ্ন জেগেছিল মানুষ কেন পাখির মতো আকাশে উড়তে পারবে না তার পরই তিনি আকাশে উড়বার পরীক্ষা – নিরীক্ষা করতে শুরু করলেন ।
৪। “ কিন্তু তিনি পরীক্ষা দ্বারা যেসব নূতন তত্ত্ব আবিষ্কার করিলেন … সম্পত্তি হইয়া রহিল ” — এখানে কার কথা বলা হয়েছে এবং কেন ?
উত্তরঃ এখানে বিজ্ঞানী লিলিয়েনথালের কথা বলা হয়েছে । গবেষণা করে তিনি যে কল নির্মাণ করেছিলেন সেই কল পরীক্ষার জন্য অসম্পূর্ণ অবস্থাতেই নিয়ে আকাশে উড়ার চেষ্টা করেন । ফলে আকস্মিক দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয় । কিন্তু বিজ্ঞানীর গবেষণা আসলে বিশ্বের সম্পদ । কেননা পরবর্তীকালে সেই সম্পদ ব্যবহার করে নতুন তত্ত্ব আবিষ্কার করা সম্ভব হয় । আর লিলিয়েনথালের তত্ত্ব নিয়েও পরবর্তীকালে বিজ্ঞানীরা সাফল্য লাভ করেছিলেন ।
৫। ব্যাখ্যা করোঃ
“ মানুষ পূর্বে একান্ত অসহায় ছিল । বুদ্ধি , চেষ্টা ও সহিষ্ণুতার বলে আজ সে পৃথিবীর রাজা হইয়াছে । ”
উত্তরঃ মানুষ পৃথিবী শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিমান জীব । মানুষ এই বুদ্ধির বলে জীবনে জয়লাভ করে । মানুষ সহিষ্ণু ও প্রয়াসী । আর এই গুন মানুষের এক অসামান্য গুন । মানুষের গুনেই সভ্যতাও এত উন্নত হয়েছে । মানুষ প্রকৃতির বিরুদ্ধেও যুদ্ধ করে প্রকৃতিকে জয় করেছে , নিজের বুদ্ধি ও সহিষ্ণুতার গুনে তাই মানুষ আজ পৃথিবীর সম্রাট হয়েছে । আর এই সাম্রাজ্য পেতে মানুষকে অনেক কাঠঘর পোড়াতে হয়েছে । অর্থাৎ মানুষ এই সফলতাকে একদিনে লাভ করেনি , যুগ যুগ ধরে মানুষ নির্ভীক পদক্ষেপে , ধৈর্য্য ও বুদ্ধি ও চেষ্টার বলে এগিয়ে গেছে বলেই আজ সভ্যতার উন্নত শিখরে পৌঁছাতে পেরেছে ।
( খ ) “ আজ যাহা নিতান্ত ক্ষুদ্র মনে হয় , দুইদিন পরে তাহা হইতেই মহৎ ফল উৎপন্ন হইয়া থাকে । ”
উত্তরঃ আলোচ্য অংশটি আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু রচিত ‘ মন্ত্রের সাধন ‘ প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে ।
আজকে যা ক্ষুদ্র কালকে তা মহীরূপ । তাই বিজ্ঞানীদের আবিষ্কারও থেমে থাকে না । আজ যা ক্ষুদ্র বলে মনে হলেও ভবিষ্যতে তা মহৎ কার্যে সাফল্য লাভ করতে পারে । কারণ কালে কালে জ্ঞানরাজ্যের বিবর্ধনের ফলে একসময় সেই নিতান্ত ক্ষুদ্রই মহীরূহ হয়ে উঠে ।
৬। সোয়ার্জ কী আবিষ্কার করেছিলেন ? সেটির ব্যবহার সার্থক হয়েছিল কী ?
উত্তরঃ বিজ্ঞানী সোয়ার্জ অ্যালুমিনিয়াম ধাতুর বেলুন আবিষ্কার করেছিলেন । সোয়ার্জের আবিস্কার সার্থক হয়েছিল । তিনি নিজের সমস্ত অর্থ ব্যয় করে পরীক্ষা – নিরীক্ষা করেছিলেন । অনেক প্রচেষ্টার পর বেলুন যাতে বাতাসের প্রতিকূলে যেতে পারে সে কারণে একটি ছোট ইঞ্জিন আবিস্কার করলেন । এর কিছুদিন পরে সোয়ার্জের হঠাৎ মৃত্যু হয়। সোয়ার্জের মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী জার্মান সরকারের কাছে পুনরায় বেলুন পরীক্ষার জন্য আবেদন করলেন । নির্দিষ্ট দিনে পরীক্ষাকেরা এসে পরীক্ষা করতে গিয়ে বেলুনটির কিছু যন্ত্র খুলে ফেলেন । অবশেষে দর্শকদের মধ্যে থেকে একজন ইঞ্জিনিয়ার এসে তাঁর সাধ্যমত যন্ত্রটি চালান । ফলে সঙ্গে সঙ্গে বেলুনটি মাটি থেকে উপরে উঠতে শুরু করল এবং প্রতিকূল বাতাসকে পেছনে ফেলে এগিয়ে চলল । সোয়ার্জের পরীক্ষা সফল হল । কিন্তু পরীক্ষকরেরা যেই যন্ত্রগুলি খুলে ফেলেছিল সেগুলিই আবশ্যক হল । বাদ দেওয়া যন্ত্রগুলির অভাবে বেলুনটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাটিতে পড়ে চূর্ণ হয়ে গেল।
শব্দার্থ ও টীকা :
অধ্যক্ষ :- প্রধান আধিকারিক ।
অদ্ভুত কল :- আশ্চর্য যন্ত্র ।
দ্বীপ :- চারদিকে জলবেষ্টিত স্থলভাগ ।
পঞ্জর :- খাঁচা , পাঁজরা বা বুকের হাড়ের খাঁচা ।
অগণ্য :- অসংখ্য ।
কীট :- পোকা ।
প্রবাল :- সমুদ্রের কীট বিশেষ ।
সহিষ্ণুতা :- সহনশীলতা ।
মহাবেগে :- অতিরিক্ত গতিতে ।
অনুসন্ধান :- খোঁজ ।
অপব্যয় :- বাজে খরচ ।
সহস্র :- হাজার ।
ক্রোশ :- পথের দূরত্বসূচক পরিমাণ ।
আধিপত্য :- প্রভূত্ত্ব ।
এঞ্জিন :- ইঞ্জিন শব্দের রূপভেদ ।
এঞ্জিনিয়ার :- ইঞ্জিনিয়ার শব্দের রূপভেদ , যন্ত্রবিজ্ঞানী ।
পরাসুখ :- মুখ ফিরিয়ে নেয় যে ।
চক্রাকারে :- চাকার আকারে , গোলাকারে ।
নদীগর্ভে :- নদীর ভিতরে ।
প্রশান্ত মহাসাগর :- পৃথিবীর সর্ববৃহৎ মহাসাগর । এর আয়তন ১৬৯.২ বর্গকিলোমিটার । পৃথিবীপৃষ্ঠের প্রায় ৩২ শতাংশ । পৃথিবীর ভূমি পৃষ্ঠের চেয়েও আয়তনে বেশি । দ্বীপসংখ্যা প্রায় ২৫ হাজার ।
গ্যালভানি :- ইটালি দেশের একজন বিখ্যাত বিজ্ঞানী । জন্ম ১৭৩৭ খ্রিষ্টাব্দে । তিনি জীবদেহে বৈদ্যুতিক লোহা ও তামার তার দিয়ে একটা মরা ব্যাঙকে স্পর্শ করলে ব্যাঙটা নড়ে উঠে । তিনি অনেক বৎসর ধরে এই ঘটনাটির অনুসন্ধান করতে লাগলেন । এরূপ সামান্য বিষয় নিয়ে অনুসন্ধান করতে লাগলেন । এরূপ সামান্য বিষয় নিয়ে এত সময় অপব্যয় করতে দেখে লোকে তাঁকে ‘ ব্যাঙ নাচানো ‘ অধ্যাপক বলে ।
সোয়ার্জ :- জার্মানের একজন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী সোয়ার্জ । তিনি অ্যালুমিনিয়াম ধাতুর এক বেলুন প্রস্তুত করেন । সোয়ার্জ এই গবেষণার জন্য সমস্ত সম্পত্তি ব্যায় করেছিলেন ।
লিলিয়েনথাল :- লিলিয়েনথাল ছিলেন একজন বিখ্যাত জার্মানি বিমান প্রযুক্তিবিদ ।

YouTube Channel