SEBA Class 7 Bengali Chapter 1 বৃক্ষরোপণ

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 7 Bengali Chapter 1 বৃক্ষরোপণ Question Answer As Per SCERT New Syllabus Provided by the Roy Library. SCERT Class 7 Bengali (উন্মেষ) Solutions is made for Bengali Medium Students. SEBA Class 7 Bengali Chapter 1 বৃক্ষরোপণ Notes in Bengali. We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 7 Bengali (Unmesh) Solutions. If you learn PDF Then you can Download PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

WhatsApp Channel
Join Now
Telegram Channel
Join Now
YouTube Channel
Subscribe

SEBA Class 7 Bengali Chapter 1 বৃক্ষরোপণ

Today’s We have Shared in This Post SEBA 7 Bengali (উন্মেষ) Question Answer. I Hope, you Liked The information About The SCERT Class 7 Unmesh (উন্মেষ) Textbook Question Answer. If you liked Class 7 Bengali Medium Question Answer. Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

ক্রিয়াকলাপ

পাঠভিত্তিক:

১। নীচের প্রশ্নগুলির শুদ্ধ উত্তরটি বেছে বের করে সঠিক বৃত্তটি পূরণ করো-

(a) ‘বৃক্ষরোপণ’ কবিতায় কবি কোন্ গাছটি রোপণ করছেন?

(ক) ডালিম।

(খ) আম।

(গ) ছাতিম।

(ঘ) বট।

উত্তরঃ (গ) ছাতিম।

(b) ‘উপকারের বদলে সে কাটবে তোমার ডালপালা’- এখানে ‘সে’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?

(ক) কবিকে।

(খ) মানুষকে।

(গ) পাখিকে।

(ঘ) পথিককে।

উত্তরঃ (খ) মানুষকে।

(c) কবিতার শেষে বাইশে শ্রাবণে কোন্ কবিকে স্মরণ করা হয়েছে?

(ক) জন্মদিনে নজরুল ইসলামকে।

(খ) প্রয়াণ দিবসে সুকুমার রায়কে।

(গ) জন্মদিনে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।

(ঘ) প্রয়াণ দিবসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে।

উত্তরঃ (ঘ) প্রয়াণ দিবসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে।

২। সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও-

(ক) বৃক্ষটি কে এবং কোথায় রোপণ করেছেন?

উত্তরঃ ‘বৃক্ষরোপণ’ কবিতায় কবি (অন্নদাশংকর রায়) ছাতিম গাছটি এই নগরীর পথের ধারে রোপণ করেছেন। 

(খ) গাছটিকে ‘শিশু’ এবং ‘একলা’ বলা হয়েছে কেন?

উত্তরঃ ‘বৃক্ষরোপণ’ কবিতায় গাছটি সদ্য রোপণ করা একটি ছোট চারা বলে তাকে ‘শিশু’ বলা হয়েছে। আর গাছটির কোনো ‘জনক কিংবা জননী’ (বাবা-মা) নেই বলে তাকে চোখে-চোখে রাখার কেউ নেই, তাই কবি তাকে ‘একলা’ বলেছেন।

(গ) খরার দিনে এবং বর্ষাকালে পথিকরা গাছটি থেকে কী কী পাবে বলে কবি মনে করেছেন?

উত্তরঃ ‘বৃক্ষরোপণ’ কবিতায় কবি মনে করেছেন যে, খরার দিনে তপ্ত দ্বিপ্রহরে পথিকরা গাছটি থেকে ‘ছায়া’ পাবে এবং বর্ষাকালে গাছটি পথিকের মাথার ওপর ‘ছাতা’ মেলে ধরবে।

(ঘ) কবিতায় কাকে ‘সহিষ্ণুতার মূর্তি’ বলা হয়েছে এবং কেন?

উত্তরঃ ‘বৃক্ষরোপণ’ কবিতায় গাছটিকে ‘সহিষ্ণুতার মূর্তি’ বলা হয়েছে। কারণ, মানুষ গাছের কাছ থেকে উপকার পাওয়া সত্ত্বেও তার ডালপালা কেটে ফেলে, কিন্তু গাছ চিরকাল সেই কষ্ট বা জ্বালা নীরবে সহ্য করে যায়।

৩। নীচের স্তবকদুটি মন দিয়ে পড়ো এবং এর অর্থ আলোচনা করো-

(ক) ‘উপকারের বদলে সে 

কাটবে তোমার ডালপালা 

সহিষ্ণুতার মূর্তি তুমি 

সইবে চিরকাল জ্বালা।’

উত্তরঃ এই স্তবকটির অর্থ হলো— মানুষ গাছের কাছ থেকে ছায়া ও আশ্রয় পেয়ে উপকৃত হয়, কিন্তু সেই উপকারের প্রতিদান দিতে গিয়ে মানুষই আবার অকৃতজ্ঞের মতো গাছের ডালপালা কেটে তাকে কষ্ট দেয়। গাছ অত্যন্ত ধৈর্যশীল বা সহনশীল হওয়ায় মানুষের দেওয়া সেই আঘাতের যন্ত্রণা বা জ্বালা সারাজীবন নীরবে সহ্য করে যায়। এই কারণেই কবি গাছকে ‘সহিষ্ণুতার মূর্তি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

(খ) ‘আশ্রয়ের জন্যে পাখি 

আসবে তোমার ধারে কাছে 

মানুষেরও তোমার মতো 

বন্ধু কি আর একটি আছে?’

উত্তরঃ এই স্তবকটির অর্থ হলো— পাখিরা যেমন তাদের নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে গাছের কাছে ছুটে আসে, তেমনি গাছও মানুষকে নিঃস্বার্থভাবে ছায়া ও আশ্রয় দিয়ে সাহায্য করে। গাছের মতো এমন অকৃত্রিম এবং পরম বন্ধু মানুষের জীবনে আর দ্বিতীয় কেউ হতে পারে না।

৪। উত্তর দাও-

(ক) বৃক্ষরোপণের জন্য কবি ২২ শে শ্রাবণ দিনটি বেছে নিয়েছেন কেন?

উত্তরঃ বৃক্ষরোপণের জন্য কবি ২২ শে শ্রাবণ দিনটি বেছে নিয়েছেন কারণ এই দিনটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস। কবি এই বিশেষ দিনে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে স্মরণ করেছেন।

(খ) ‘বৃক্ষরোপণ’ কবিতাটিতে কবি বৃক্ষের গুরুত্ব সম্পর্কে কী বলতে চেয়েছেন ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ ‘বৃক্ষরোপণ’ কবিতায় কবি অন্নদাশংকর রায় বৃক্ষকে মানুষের পরম বন্ধু হিসেবে তুলে ধরেছেন। কবির মতে, বৃক্ষ খরার দিনে তপ্ত দুপুরে ক্লান্ত পথিককে শীতল ‘ছায়া’ দান করে এবং বর্ষাকালে মাথার ওপর ‘ছাতা’ হয়ে আশ্রয় দেয়। শুধু মানুষ নয়, পাখিরাও তাদের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য গাছের কাছেই ফিরে আসে। মানুষ গাছের ডালপালা কেটে তাকে কষ্ট দিলেও গাছ ‘সহিষ্ণুতার মূর্তির’ মতো নীরবে সব জ্বালা সহ্য করে মানুষের উপকার করে যায়। তাই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে এবং মানুষের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে বৃক্ষের অবদান অপরিসীম, যা তাকে মানুষের শ্রেষ্ঠতম বন্ধুতে পরিণত করেছে।

৫। ভাবো এবং লেখো-

(ক) বৃক্ষরোপণের জন্য তুমি কোন্ বিশেষ দিনটি বেছে নিতে চাও এবং কেন?

উত্তরঃ আমি বৃক্ষরোপণের জন্য ৫ জুন ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস’ দিনটি বেছে নিতে চাই। কারণ, এই দিবসের মূল উদ্দেশ্য হলো পরিবেশ সম্পর্কে জনসাধনরণকে সচেতন করা।

(খ) কোন্ গাছটি তোমার সর্বাধিক প্রিয় এবং কেন?

উত্তরঃ আমার সর্বাধিক প্রিয় গাছ হলো ‘আমলকী’। কারণ, এটি একটি ওষধি গুণসম্পন্ন ফল এবং এর গাছ আমাদের ছায়া ও ফল দিয়ে উপকার করে।

(গ) গাছ সংরক্ষণের জন্য আমরা কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারি লেখো।

উত্তরঃ গাছ সংরক্ষণের জন্য আমরা নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলি গ্রহণ করতে পারি:

(i) তৃণভোজী প্রাণীর হাত থেকে গাছগুলোকে রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

(ii) চারাগাছ রোপণের পর নিয়মিত সেখানে গিয়ে সেগুলোর সঠিক যত্ন নেওয়া।

(iii) স্কুল বা বাড়ির আশেপাশে উপযুক্ত ফাঁকা জায়গায় নতুন চারাগাছ রোপণ করা।

(iv) জনসাধারণের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি করা যাতে কেউ বিনা কারণে গাছ না কাটে।

৬। ডানদিকের বাক্সে কিছু শব্দ দেওয়া আছে এবং সেগুলির অর্থ বৃত্তটিতে এলোমেলোভাবে দেওয়া রয়েছে। সেখান থেকে সঠিক অর্থটি বেছে শূন্য বাক্সের উপযুক্ত স্থানে লেখো।

উত্তরঃ

শব্দঅর্থ
জননীমাতা 
দ্বিপ্রহরদুপুর 
ধরণিপৃথিবী 
বরণঅভ্যর্থনা 
বাণীউপদেশ 

৭। নীচের সম্বোধন-সূচক অব্যয় পদগুলি ব্যবহার করে নিজের মতো করে বাক্য রচনা করো। (সুবিধের জন্য রবীন্দ্রসংগীত থেকে একটি উদাহরণ দেওয়া হলো)

ওলো: ‘ওলো সই, ওলো সই, আমার ইচ্ছা করে তোদের মতন মনের কথা কই।’

ওহে:

ওরে:

ওগো:

উত্তরঃ ওহে: ওহে দয়াময়, তুমি এই জগতের পালনকর্তা।

ওরে: ওরে ভাই ফাগুন লেগেছে বনে বনে।

ওগো: ওগো মায়েরা, কোথায় সব গেলে গো?

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top