Class 12 Advance Bengali Chapter 9 পনেরো আনা Question Answers As Per the New Syllabus. Students can easily browse the chapter-wise list to find the required questions and answers for Class 12 Advance Bengali Chapter 9 পনেরো আনা Notes. Here, you can also access HS 2nd Year Advance Bengali Solutions. You can also Download PDF for offline study.
Class 12 Advance Bengali Chapter 9 পনেরো আনা
AHSEC Class 12 Advance Bengali Notes are useful for revision and exam preparation. Students can explore the HS 2nd Year Advance Bengali Solutions for all chapters to understand important topics, strengthen their knowledge, and prepare confidently for their final examinations.
পনেরো আনা
| TEXTUAL QUESTION ANSWER |
প্রশ্ন ১। ‘পনেরো আনা’ প্রবন্ধের মূল বক্তব্য সংক্ষেপে লেখো।
উত্তরঃ ‘পনেরো আনা’ প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ মানুষকে দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত করেছেন। একদিকে রেখেছেন এক আনা আর অন্যদিকে পনেরো আনা। এই এক আনার লোক হল মহৎ, আদর্শবান ব্যক্তি এবং অন্যদিকে পনেরো আনার লোক হল সাধারণ মানুষ। সংসারে পনেরো আনা লোকের সংখ্যা বেশি। আর এই পনেরো আনাকে নিয়েই জগৎ সংসার সচল এবং এই পনেরো আনার উপরই এক আনার প্রতিষ্ঠা নির্ভর করে। লেখকের মতে, মানুষ হরিণের শিঙ ও ময়ূরের পুচ্ছ ভালোবাসে যা বাহুল্য। তদ্রূপ সংসারে পনেরো আনা লোকও বাহুল্য। পনেরো আনা লোকের কোন জীবন চরিত লেখার যোগ্য নয়। তাদের মৃত্যুর পর পাথরের মূর্তি তৈরী হয় না। যদি সকল ব্যক্তি মরার পর পাথরের মূর্তি তৈয়ার হত তবে এ পৃথিবী বাস যোগ্য হত না।
আমাদের একমাত্র রক্ষা এই যে, এক আনা লোক অর্থাৎ মহৎ বা আদর্শবান লোকের সংখ্যা অতি অল্প। জীবন বৃথা গেল বলে পনেরো আনা লোক নিজেকে যেন হেয় মনে না করেন। রবীন্দ্রনাথ বলছেন যে, নদীর সমস্ত জল যেমন স্নানে, পানে, ধানের ক্ষেতে ব্যবহৃত হয় না, তেমনি কোনো কাজ না করে কেবল প্রবাহ রক্ষা করবার একটা বৃহৎ সার্থকতা আছে। পৃথিবীর সকল ঘাস যেমন ধান হয় না, তেমনি পৃথিবীর সকল মানুষ কর্মশীল হয় না। অন্ধকার থাকে বলে যেমন আলোর গুরুত্ব বোঝা যায়, তেমনি সংসারে পনেরো আনা আবশ্যক লোকের জন্যই এক আনা লোকের মূল্য নির্ধারিত হয়। শুধু এক আনা আবশ্যক দিয়ে সংসার চলবে না, সংসারের সচলতা আসবে না। সংসারকে সচল রাখতে হলে এক আনা ও পনেরো আনা উভয়েরই দরকার রয়েছে সংসারে।
প্রশ্ন ২। ‘পনেরো আনা’ প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ মানুষকে দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত করেছেন, এই দুটি শ্রেণি কী কী এবং অনুরূপ শ্রেণিবিভাগ কেন করা হয়েছে, সেই প্রসঙ্গে আলোচনা করো।
উত্তরঃ ‘পনেরো আনা’ প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ মানুষকে দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত করেছেন। একদিকে রেখেছেন এক আনা আর অন্যদিকে পনেরো আনা। এই এক আনার লোক হল মহৎ, আদর্শবান ব্যক্তি এবং অন্যদিকে পনেরো আনার লোক হল সাধারণ মানুষ। সংসারে পনেরো আনা লোকের সংখ্যা বেশি। আর এই পনেরো আনাকে নিয়েই জগৎ সংসার সচল এবং এই পনেরো আনার উপরই এক আনার প্রতিষ্ঠা নির্ভর করে। লেখকের মতে, মানুষ হরিণের শিঙ ও ময়ূরের পুচ্ছ ভালোবাসে যা বাহুল্য। তদ্রূপ সংসারে পনেরো আনা লোকও বাহুল্য। পনেরো আনা লোকের কোন জীবন চরিত লেখার যোগ্য নয়। তাদের মৃত্যুর পর পাথরের মূর্তি তৈরী হয় না। যদি সকল ব্যক্তি মরার পর পাথরের মূর্তি তৈয়ার হত তবে এ পৃথিবী বাস যোগ্য হত না।
আমাদের একমাত্র রক্ষা এই যে, এক আনা লোক অর্থাৎ মহৎ বা আদর্শবান লোকের সংখ্যা অতি অল্প। জীবন বৃথা গেল বলে পনেরো আনা লোক নিজেকে যেন হেয় মনে না করেন। রবীন্দ্রনাথ বলছেন যে, নদীর সমস্ত জল যেমন স্নানে, পানে, ধানের ক্ষেতে ব্যবহৃত হয় না, তেমনি কোনো কাজ না করে কেবল প্রবাহ রক্ষা করবার একটা বৃহৎ সার্থকতা আছে। পৃথিবীর সকল ঘাস যেমন ধান হয় না, তেমনি পৃথিবীর সকল মানুষ কর্মশীল হয় না। অন্ধকার থাকে বলে যেমন আলোর গুরুত্ব বোঝা যায়, তেমনি সংসারে পনেরো আনা আবশ্যক লোকের জন্যই এক আনা লোকের মূল্য নির্ধারিত হয়। শুধু এক আনা আবশ্যক দিয়ে সংসার চলবে না, সংসারের সচলতা আসবে না। সংসারকে সচল রাখতে হলে এক আনা ও পনেরো আনা উভয়েরই দরকার রয়েছে সংসারে।
প্রশ্ন ৩। রবীন্দ্রনাথ পনেরো আনা কাদের বলেছেন? সংসারে এদের সার্থকতার বিষয়ে বরীন্দ্রনাথের অভিমত ব্যক্ত করো।
উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ সাধারণ মানুষকে পনেরো আনা বলেছেন।
সমাজের তথাকথিত বুদ্ধিজীবিরা সমাজের সাধারণ মানুষের জীবনকে ব্যর্থতার স্বরূপে দেখেন। সাধারণের জীবনটা বৃথা গেল বলে রব উঠে। কিন্তু জীবন পথিক রবীন্দ্রনাথের এক্ষেত্রে ভিন্ন মত, তিনি প্রকৃত দার্শনিকের চোখে দেখেছেন সাধারণের জীবন বৃথা যাওয়াটাই একটা সার্থকতা। জীবন স্রোতের বয়ে যাওয়াটাই সভ্যতার শেষ কথা তা ব্যর্থ কি সার্থক তা বড়ো ব্যাপার নয়। যেমন একটি নদীর চলা, তার সব জল কি আমাদের কাজে লাগে ? লাগে না, কিন্তু সব জল মিলিতভাবে একটা কাজ করে তা হল নদীর গতিকে রক্ষা করা। নদীর যে জল আমরা খাল কেটে পুকুরে আনি তাতে স্নান করা চলে কিন্তু খাওয়া চলে না, আবার নদীর যে জল খাবার জন্য আমরা জালায় ভরে রাখি তাতে পুকুরের আলো ছায়া খেলে না। তাই লেখক প্রকৃতির সমস্ত কিছু সৃষ্টিকে শুধু প্রয়োজনের ভিত্তিতে দেখতে নারাজ। তার মতে উপকারটাই কোন ব্যক্তির সাফল্যের মাপকাঠি হতে পারে না। তা শুধু কৃপণতার কথা, কারণ শুধুমাত্র কোনো এক উদ্দেশ্যকেই জীবনের একমাত্র পরিণাম বলে গণ্য করা মানসিক দীনতাকে বহন করে।
টীকা লেখো:
মাধ্যাকর্ষণ: Law of Gravitation; বিশ্রুত বৈজ্ঞানিক নিউটন এর আবিস্কারক। আপেল গাছ থেকে পড়ে কেন?- পৃথিবী সেটি নিজের দিকে আকর্ষণ করছে তাই- এটিকেই মাধ্যাকর্ষণ শক্তি বলা হয়।
খ্রিষ্ট: খ্রিষ্টধর্মের প্রবর্তক হলেন যীশুখৃষ্ট। তিনি প্রায় দুই হাজার বছর পূর্বে জেরুজালেমের কাছে বেথলেহেমে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম যোশেফ এবং মাতার নাম মেরী। তিনি প্রেম ধর্ম প্রচার করে নিজের জীবন উৎসর্গ করেন।
গৌতম বুদ্ধ: গৌতম বুদ্ধ বৌদ্ধধর্মের প্রবর্তক ও প্রচারক ছিলেন। ৫৬৬ খ্রিষ্ট পূর্বাব্দে নেপালের তরাই অঞ্চলের কপিলাবস্তু রাজ্যে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম শুদ্ধোধন ও মাতার নাম ছিল মায়াদেবী। মানুষের মুক্তির চিন্তায় তিনি রাজ্য, সংসারের মায়া ত্যাগ করেছিলেন।
সম্ভবামি যুগে-যুগে: কুরুক্ষেত্র যুদ্ধে অর্জুনের উদ্দেশ্যে শ্রীকৃষ্ণ এই মূল্যবান কথা বলেছিলেন। পৃথিবীতে যখন অধর্ম ও পাপের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় তখন সেই দুষ্কৃতকারীদের শাস্তি দেওয়ার জন্যে ও সাধুদের তাদের অত্যাচারের হাত থেকে মুক্ত করার জন্য তিনি মহামানব রূপে যুগে-যুগে পৃথিবীতে আবির্ভূত হন।
শব্দার্থ:
বাহুল্য মানুষটি ― যার মধ্যে প্রয়োজনাতিরিক্তের সীমাহীন প্রসারতা আছে।
কেবল একটি দরজা খোলা ― পরোপকার বৃত্তির মহৎ প্রাচীর দিয়ে যে মানুষ ঘেরা, তার ক্ষেত্রে একটি মাত্র দ্বারই উন্মুক্ত, যেখানে আমরা অভাব অভিযোগ জানিয়ে হাত পাতি, আর তিনি দান করে থাকেন।
প্রসাদে ― অনুগ্রহে।
সমাধি স্তম্ভ ― মৃত্যুর পর নির্মিত স্মৃতি স্তম্ভ।
ফলাও অধিকাব ― বিস্তৃত অধিকার।
জাল-জালিয়াতি ― অন্যায়-প্রতারণা।
নীতিজ্ঞ ― নীতিশাস্ত্রপরায়ণ, নীতিবিদ।
জ্বলনধর্মী ― জ্বলবার শক্তি বৈশিষ্ট্য যাতে আছে।

YouTube Channel