SEBA Class 10 Bengali Chapter 19 উজান গাঙ বাইয়া

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 10 Bengali Chapter 19 উজান গাঙ বাইয়া Question Answer As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 10 Bengali Chapter 19 উজান গাঙ বাইয়া Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 10 Bengali Chapter 19 উজান গাঙ বাইয়া Solutions We ensure that You can completely trust this content. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

Join Buttons

SEBA Class 10 Bengali Chapter 19 উজান গাঙ বাইয়া

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 Bengali MIL Solutions with you. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 10 Bengali MIL PDF Download. If you liked SEBA Class 10 Bengali Question Answer Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

উজান গাঙ বাইয়া

(ক) অতি সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও:

১। হেমাঙ্গ বিশ্বাসের জন্ম কোন গ্রামে হয়েছিল?

উত্তরঃ হেমাঙ্গ বিশ্বাসের জন্ম মিরাশী গ্রামে হয়েছিল।

২। সিলেট জেলার একটি মহকুমার নাম বলো।

উত্তরঃ সিলেট জেলার একটি মহকুমার নাম হবিগঞ্জ।

৩। অসমের কয়টি উপত্যকা ও কী কী?

উত্তরঃ অসমের দুইটি উপত্যকা ছিল, ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা এবং সুরমা উপত্যকা।

৪। মিরাশী নামটি কোন শব্দ থেকে এসেছে?

উত্তরঃ মিরাশী নামটি ‘মিরাশদার’ শব্দ থেকে এসেছে।

৫। অসমের পাঁচ প্রকার ধানের নাম বলো।

উত্তরঃ ময়না-শাইল, কার্তিক-শাইল, কালিজিরা, কৃষ্ণচূড়া এই চার প্রকার ধানের নাম উল্লেখ করা আছে।

৬। রান্ধুনিপাগল কী?

উত্তরঃ রান্ধুনিপাগল এক জাতের ধানের নাম।

৭। লেখক কোন স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেছেন?

উত্তরঃ লেখক পুব মিরাশীর লোকাল বোর্ডের রিজার্ভ পুকুরের পাড়ে অবস্থিত মাইনর ইস্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেছেন।

৮। হেমাঙ্গ বিশ্বাসের জন্ম তারিখ কত?

উত্তরঃ হেমাঙ্গ বিশ্বাসের জন্ম তারিখ ১৯১২ সালের সাতাশে অগ্রহায়ণ ১৩১৯ সন।

৯। __________ দেশে বাড়ি আমাদের। (শূন্যস্থান পূর্ণ করো।)

উত্তরঃ ধানের দেশে বাড়ি আমাদের।

১০। এই __________ আমায় গান দিয়েছে। (শূন্যস্থান পূর্ণ করো।)

উত্তরঃ এই ধানই আমায় গান দিয়েছে।

১১। মণিপুরি মিস্ত্রিরা কোন গ্রামের ছিল?

উত্তরঃ মণিপুরি মিস্ত্রিরা ঘনশ্যামপুর গ্রামের ছিল।

১২। ত্রিপুরার পাহাড়চূড়ার নাম কী?

উত্তরঃ ত্রিপুরার পাহাড়চূড়ার নাম আঠারোমুড়া পাহাড়।

১৩। আঠারোমুড়া পাহাড়ের __________ টিলা আমার কিশোর মনকে আকর্ষণ করতো। (শূন্যস্থান পূর্ণ করো)

উত্তরঃ আঠারোমুড়া পাহাড়ের কাইল্যাছালির টিলা আমার কিশোর মনকে আকর্ষণ করতো।

১৪। সিলেটের দুটি বিখ্যাত নদীর নাম বলো।

উত্তরঃ পাঠ্যে কেবল খোয়াই নদীর নাম উল্লিখিত।

১৫। ‘পাগলা গাঙ’ বলতে লেখক কোন নদীকে বুঝিয়েছেন?

উত্তরঃ লেখক ‘পাগলা গাঙ’ বলতে খোয়াই নদীকে বুঝিয়েছেন।

১৬। সৈয়দরা কোথা থেকে এসেছেন?

উত্তরঃ আদি সৈয়দরা আরবের ইয়েমেন প্রদেশ থেকে এসেছেন।

১৭। আমাদের পরগনার নাম _________। (শূন্যস্থান পূর্ণ করো)

উত্তরঃ আমাদের পরগনার নাম তরপ

১৮। তরপ পরগনার রাজা কে ছিলেন?

উত্তরঃ তরপ পরগনার রাজা ছিলেন ত্রিপুরার মহারাজার অধীনে সামন্তরাজ আচাকনারায়ণ।

১৯। মিরাশী কীসের জন্য বিখ্যাত?

উত্তরঃ মিরাশী মন্ত্রী রায়বাহাদুর প্রমোদচন্দ্র দত্তের বাড়ির জন্য বিখ্যাত ছিল।

২০। ১৯২২ সালে অসমের মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

উত্তরঃ ১৯২২ সালে প্রমোদচন্দ্র দত্ত আসামের শিক্ষামন্ত্রী হন।

২১। চৈতন্যের মাতার নাম কী?

উত্তরঃ শ্রীচৈতন্যের মাতার নাম শচীদেবী।

২২। দ্বারকানাথ চক্রবর্তী কে?

উত্তরঃ দ্বারকানাথ চক্রবর্তী ছিলেন লেখকের স্কুলের হেডমাস্টার।

২৩। কে প্রথম হেমাঙ্গ বিশ্বাসকে দিয়ে রবীন্দ্রসংগীত গাইয়েছিলেন?

উত্তরঃ দ্বারকানাথ চক্রবর্তী প্রথম হেমাঙ্গ বিশ্বাসকে দিয়ে রবীন্দ্রসংগীত গাইয়েছিলেন।

২৪। আজানের সুর ___________ সুরের খুব কাছাকাছি। (শূন্যস্থান পূর্ণ করো)

উত্তরঃ আজানের সুর আহিরভৈরোঁর সুরের খুব কাছাকাছি।

২৫। সেকালের বিখ্যাত বেডমিন্টন খেলোয়াড় কে?

উত্তরঃ পাঠ্যে প্রকাশ পাডুকোনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

(খ) সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও।

১। ‘কই লালুবাবু? চালাও।’ উক্তিটি কার? এখানে লালুবাবু কে? কী চালানোর কথা বলা হল এখানে?

উত্তরঃ এই উক্তিটি মাঠের কোনো কোণ থেকে আসা চাষিদের। এখানে লালুবাবু হলেন লেখক হেমাঙ্গ বিশ্বাস। তারা লেখককে গান গাওয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছিল।

২। কোন পীর শ্রীহট্ট বিজয় করেছিলেন? তিনি কোথা থেকে কখন এসেছিলেন? সঙ্গে করে তিনি কী এনেছিলেন?

উত্তরঃ শ্রীহট্ট বিজয় করেছিলেন পীর শাহ্ জালাল। তিনি চতুদর্শ শতাব্দীতে আরবের ইয়েমেন প্রদেশ থেকে এসেছিলেন। সঙ্গে করে তিনি যুগল কবুতর এনেছিলেন।

৩। হেমাঙ্গ বিশ্বাসের পৈতৃকবাড়ির কাঠের স্থাপত্য নির্মাণ করেছিলেন যে-দুজন মিস্ত্রি তাদের নাম বলো।

উত্তরঃ হেমাঙ্গ বিশ্বাসের পৈতৃকবাড়ির কাঠের স্থাপত্য নির্মাণ করেছিলেন দুই মণিপুরি মিস্ত্রি ভীম সিং এবং খাওজাও সিং।

৪। খোয়াই নিয়ে যে গান লিখেছেন তা লেখো।

উত্তরঃ খোয়াই নিয়ে লেখা গানটি হলো- ‘আমার গাঁয়ের শীর্ণ নদীটির শীতল জলে। চাঁদের ডিঙা ভেসে চলে।’

৫। ‘শান্ত, শিষ্টা, লাজুক মেয়েটি।’ এখানে কার কথা বলা হল।

উত্তরঃ এখানে খোয়াই নদীর কথা বলা হয়েছে। লেখক বলেছেন যে শীতকালে খোয়াই নদী কুলবধূর মতো শান্ত, শীর্ণ ও লাজুক হয়ে যেত।

৬। লেখকের অনুসরণে খোয়াইয়ের বর্ণনা দাও।

উত্তরঃ লেখকের মতে, খোয়াই নদী হলো ‘শীর্ণস্রোতা, ঝলমল বালুর পাহাড়ি নদী’। বর্ষাকালে এটি ‘পাগলা গাঙ’ হয়ে যেত, যেখানে হাতি পর্যন্ত ভেসে আসত। আবার শীতকালে এটি ‘কুলবধূটির মতো শান্ত, শীর্ণা, লাজুক মেয়েটি’ হয়ে থাকত। এর দুই পাশে অসংখ্য পানের বরজ ও বাঁশের ঝাড় ছিল।

৭। ‘এ আমার কাছে এক আশ্চর্য বোধ নিয়ে আসত।’- উক্তিটি কার? প্রসঙ্গ ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ এই উক্তিটি লেখকের। প্রসঙ্গ হলো, খোয়াই নদীর ক্ষেমেশ্বরী ঘাটে শ্মশান ছিল। সেখানে মৃতের দ্রব্য ঘরে নিলে অমঙ্গল হয়, এই ভয় থাকা সত্ত্বেও চরম দারিদ্র্যের কারণে মানুষ সেই দ্রব্য চুরি করত। এই ঘটনাটি লেখকের মনে এক আশ্চর্য বোধ নিয়ে আসত।

Class 10 Bengali Textual Question Answer [New Syllabus Updated]

S.L. No.সূচীপত্র
অধ্যায় -১প্রার্থনা
অধ্যায় -২বিজয়া দশমী
অধ্যায় -৩গ্রাম্যছবি
অধ্যায় -৪প্রতিনিধি
অধ্যায় -৫আবার আসিব ফিরে
অধ্যায় -৬সাগর-সঙ্গমে নবকুমার
অধ্যায় -৭বাংলার নবযুগ
অধ্যায় -৮বলাই
অধ্যায় -৯আদরিণী
অধ্যায় -১০তোতা কাহিনি
অধ্যায় -১১অরুণিমা সিনহা: আত্মবিশ্বাস ও সাহসের এক নাম
অধ্যায় -১২কম্পিউটার কথা, ইন্টারনেট কথকতা
অধ্যায় -১৩এসো উদ্যোক্তা হই
অধ্যায় -১৪জীবন সংগীত
অধ্যায় -১৫কাণ্ডারী হুঁশিয়ার
অধ্যায় –১৬পিতা ও পুত্ৰ
অধ্যায় -১৭অরণ্য প্রেমিক: লবটুলিয়ার কাহিনি
অধ্যায় –১৮শ্ৰীকান্ত ও ইন্দ্ৰনাথ
অধ্যায় -১৯উজান গাঙ বাইয়া
বাংলা ব্যাকরণ
S.L. Noবৈচিত্রপূর্ণ আসাম
অধ্যায় -১তিওয়াগণ
অধ্যায় -২দেউরিগণ
অধ্যায়নেপালিভাষী গোর্খাগণ
অধ্যায়বোড়োগণ
অধ্যায়মটকগণ
অধ্যায়মরাণগণ
অধ্যায়মিসিংগণ
অধ্যায়মণিপুরিগণ
অধ্যায়রাভাগণ
অধ্যায়১০চুটিয়াগণ

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top