Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 4 অসমের অর্থনৈতিক ভিত্তি

Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 4 অসমের অর্থনৈতিক ভিত্তি Question Answer Bengali Medium As Per AHSEC New Syllabus. Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 4 অসমের অর্থনৈতিক ভিত্তি Notes. AHSEC Class 11 Swadesh Adhyayan Solutions Bengali Medium We ensure that You can completely trust this content. Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 4 অসমের অর্থনৈতিক ভিত্তি Question Answer in Bengali. If you learn PDF Then you can Download PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

WhatsApp Channel
Join Now
YouTube Channel
Subscribe

Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 4 অসমের অর্থনৈতিক ভিত্তি

Today’s We have Shared in This Post HS 1st Year Swadesh Adhyayan Question Answer in Bengali. I Hope, you Liked The information About The AHSEC Class 11 Swadesh Adhyayan Notes in Bengali. If you liked HS 1st Year Swadesh Adhyayan Solutions Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

অসমের অর্থনৈতিক ভিত্তি

অনুশীলনী

১।

(ক) খারিফ শস্য কাকে বলে?

উত্তরঃ এপ্রিল-মে মাসে বৃষ্টি শুরু হওয়ার সাথে সাথে অসমে খারিফ কৃষিশস্য বোনা হয় এবং নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে শস্য কাটা হয়। শালি ও বাও ধান, পাট, আখ ইত্যাদি হলো প্রধান খারিফ শস্য।

(খ) রবি শস্য কাকে বলে?

উত্তরঃ রবি শস্য বপনের সময় হলো শীতকালের শুরু অর্থাৎ অক্টোবর এবং মার্চ মাস এবং শস্য সংগ্রহের সময় হলো বসন্তকালের শেষ অংশ অর্থাৎ এপ্রিল এবং জুন মাস। মূল রবি শস্যসমূহ হলো আহু এবং বড়ো ধান, সরিষা, ডাল জাতীয় শস্য, তিল, তামাক, গম, ভুট্টা এবং বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি ও ফল।

(গ) ঔষধি উদ্ভিদ কি?

উত্তরঃ অসমের পাহাড়ি অঞ্চল এবং বনাঞ্চলে বহু ধরণের ঔষধি উদ্ভিদ আছে। প্রায় ৩০০ প্রজাতির শাক-বন জাতীয় উদ্ভিদ অসমে পাওয়া যায়। এসব উদ্ভিদের ঔষধি গুণ থাকার জন্য এদের ওপর নির্ভর করে অসমে উদ্ভিদভিত্তিক শিল্পোদ্যোগ গড়ে ওঠার সম্ভাবনা অধিক।

(ঘ) অসমের কত শতাংশ লোক কৃষির ওপর নির্ভরশীল?

উত্তরঃ রাজ্যের ৮০ শতাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভর করে।

২।

(ক) অসমে ঝুম চাষ কোথায় এবং কীভাবে করা হয়?

উত্তরঃ অসমের তিনটি পাহাড়ি জেলা— কার্বি আংলং, পশ্চিম কার্বি আংলং এবং ডিমা হাসাও-এর পাহাড়ি অঞ্চলের অধিকাংশ লোক ঝুম চাষ করে। পাহাড়ের ঢালে জন্মানো বন-জঙ্গল কেটে আগুন লাগিয়ে চাষের জন্য জমি পরিষ্কার করে নেওয়া হয়। এই পদ্ধতিতে ধান, ভুট্টা, মিষ্টি কুমড়ো, লঙ্কা ইত্যাদি বিভিন্ন শস্য এবং সবজি একই জমিতে উৎপাদন করা হয়। পাহাড়ের ঢালে এই চাষ করার ফলে বৃষ্টির জল উর্বর মাটি সমতলে ধুয়ে নিয়ে যায় এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যে জমিটি অনূর্বর হয়ে পড়ে। ফলে জমির উর্বরতা কমে যাওয়ার সাথে সাথে শস্যের উৎপাদনও হ্রাস পায়। তখন পাহাড়ের বাসিন্দারা আবার নতুন এক টুকরো জমি বেছে নিয়ে গাছ-বন কেটে পরিষ্কার করে একই পদ্ধতিতে কৃষি কাজ করে। একেই ঝুম চাষ বা স্থানান্তরী কৃষি বলা হয়।

(খ) শস্যবর্তন বলতে কী বোঝো?

উত্তরঃ একই ধরনের শস্যকে একই জমিতে বহু বছর ধরে চাষ করলে মাটির উর্বরতা হ্রাস পায় যার জন্য সার যোগান দিতে হয়। কিন্তু আবর্তন কৃষি বা শস্যবর্তন পদ্ধতিতে এক বছরে একই জমিতে কয়েক প্রকার শস্য উৎপাদন করা হয় এবং পরবর্তী বছর হয়তো অন্য কয়েক প্রকার শস্য উৎপাদন করা হয়। যার জন্য সেই কৃষি ভূমির উৎপাদন ক্ষমতা বহু বছর পর্যন্ত অপরিবর্তিত হয়ে থাকে। এক প্রকার শস্য চাষ করা অঞ্চলে কীট-পতঙ্গ যেভাবে ক্ষতিসাধন করে, আবর্তন কৃষি বা শস্যবর্তন অঞ্চলে সেই সমস্যা কম হতে দেখা যায়।

(গ) শস্যকর্ষণ তীব্রতা বলতে কী বোঝো?

উত্তরঃ শস্যকর্ষণ তীব্রতা নির্ণয়ের পদ্ধতি হলো— (মোট কৃষি উৎপাদন ভূমি / প্রকৃত কৃষি উৎপাদন ভূমি) × ১০০। বর্ধিত জনসংখ্যার জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্যের অভাব পূরণ করার একটি অন্যতম পদ্ধতি হলো পূর্বের তুলনায় কৃষিভূমির উৎপাদিকা শক্তি বাড়ানো। দ্রুতগতিতে বেড়ে চলা জনসংখ্যার খাদ্যের চাহিদা মেটাতে কৃষিভূমিগুলোতে বর্তমানে একবারের পরিবর্তে দুই বা ততোধিকবার কৃষিকার্য করা হয়। এই ব্যবস্থায় শস্যবর্তন পদ্ধতিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

(ঘ) অসমে উৎপাদিত মশলাজাতীয় ফসলগুলো কী কী?

উত্তরঃ অসমে উৎপাদিত প্রধান মশলাজাতীয় ফসলগুলো হলো— আদা, হলুদ, ভোট জলকীয়া, লঙ্কা, গোলমরিচ ইত্যাদি।

৬।

(ক) অসম শিল্পোদ্যোগে পিছিয়ে থাকার কারণগুলো ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ অসম শিল্পোদ্যোগের ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ার কারণগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়—

(i) অসম তথা সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারত (পূর্বের সাতটি রাজ্য) দেশের বাকি অংশ থেকে যথেষ্ট দূরত্বে অবস্থিত। বিশেষ করে শিলিগুড়ি অঞ্চলের কেবল ২১-৪০ কিলোমিটার সংকীর্ণ স্থলভাগ দেশের বাকি অংশের সাথে স্থল ও রেলপথের যোগাযোগের অসুবিধার সৃষ্টি করেছে। সেই কারণেই কাঁচামাল এবং উৎপাদিত সামগ্রী আনা-নেওয়ার খরচ বেশি হয় এবং ফলস্বরূপ অসম তথা সমগ্র উত্তর-পূর্বাঞ্চল শিল্পোদ্যোগের ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়েছে।

(ii) অসম তথা উত্তর-পূর্বাঞ্চল মায়ানমার, চীন, ভুটান, বাংলাদেশ আদি বিদেশী রাষ্ট্র দ্বারা পরিবেষ্টিত। এই রাষ্ট্রগুলোর সাথে ভারতের সম্পর্ক খুব সুবিধাজনক নয়; যার ফলে দেশ-বিদেশের বৃহৎ শিল্পপতিরা অসমে শিল্পোদ্যোগ স্থাপনে বিনিয়োগের জন্য এগিয়ে আসতে সংকোচ বোধ করেন।

(iii) দূরত্বের কারণে কিছু কাঁচামাল অসমে আনা এবং অসমে উৎপাদিত সামগ্রী ভারতের বড় শহরগুলোতে বিক্রি করা অত্যন্ত ব্যয়সাপেক্ষ যার ফলে অসমে উৎপাদিত সামগ্রীর উপযুক্ত মূল্য পাওয়ার ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি হয়েছে।

(iv) শিল্পোদ্যোগের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, বিশেষ কিছু কাঁচামাল এবং নিয়মিত বিদ্যুৎ তথা অন্য শক্তি উৎসের অভাবের জন্য অসমে শিল্পোদ্যোগ গড়ে উঠতে বাধার সৃষ্টি হয়েছে।

(v) বৃহৎ এবং মাঝারি শিল্পোদ্যোগ গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় বিপুল পরিমাণ ধনের জোগান না পাওয়ার জন্য কিছু শিল্প গড়ে ওঠেনি।

(vi) অসমের লোকসকল প্রধানত কৃষির ওপর নির্ভরশীল। শিল্পোদ্যোগের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা এবং শিল্প গড়ার সাহস ও মানসিকতার অভাবের জন্যও রাজ্যটি শিল্পে পিছিয়ে রয়েছে। অধিকাংশ যুবক-যুবতীই চাকরি মুখী হওয়া দেখা যায়।

(vii) সরকারি নীতির ত্রুটি এবং শিল্প গড়ার জন্য যুবক প্রজন্মকে পরিবার তথা সমাজ থেকে যে উৎসাহ বা সামাজিক স্বীকৃতি দেওয়া প্রয়োজন তার অভাবে শিল্পোদ্যোগে এগিয়ে আসা লোকের সংখ্যা এখনও অত্যন্ত সীমিত।

(খ) অসমে গড়ে ওঠা প্রধান শিল্পগুলো সম্পর্কে লেখো।

উত্তরঃ শিল্পোদ্যোগে ব্যবহৃত কাঁচামালের ওপর নির্ভর করে অসমের শিল্পগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। যথা— 

১। কৃষিভিত্তিক শিল্প।

২। খনিভিত্তিক শিল্প। এবং 

৩। বনজ সামগ্রীভিত্তিক শিল্প। 

নিম্নে অসমে গড়ে ওঠা প্রধান শিল্পগুলোর পরিচয় দেওয়া হলো:

(i) চাহ শিল্প: এটি অসমের প্রধান কৃষিভিত্তিক শিল্প এবং সর্বাধিক বিদেশী মুদ্রা উপার্জনকারী শিল্প। ভারতের মোট চাহ উৎপাদনের ৫৪ শতাংশ অসমে উৎপাদিত হয়।

(ii) খনিভিত্তিক শিল্প: খনিভিত্তিক শিল্পের মধ্যে তৈল শোধনাগার এবং পেট্রোকেমিক্যাল শিল্প প্রধান। ডিগবয় (ভারতের প্রাচীনতম), গুয়াহাটি এবং বঙাইগাঁও তৈল শোধনাগার উল্লেখযোগ্য। এছাড়া নামরূপে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং পেট্রোকেমিক্যাল শিল্প গড়ে উঠেছে। পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পে প্লাস্টিক (পলিমার) শিল্পই প্রধান।

(iii) সার শিল্প: নামরূপে ‘ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা সার নিগম’ (BVFCL) নামে তিনটি বড় সার কারখানা আছে। প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা এটি ভারতের প্রথম সার কারখানা।

(iv) বনজ সামগ্রীভিত্তিক শিল্প: বনজ সামগ্রীর ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা শিল্পের মধ্যে কাগজ এবং প্লাইউড শিল্প প্রধান। মরিগাঁও জেলার ‘নগাঁও কাগজ কল’ এবং হাইলাকান্দি জেলার ‘পাঁচগ্রাম কাগজ কল’ উল্লেখযোগ্য। প্লাইউড প্রধানত চাহ বাক্স বানাতে ব্যবহার করা হয়; মারঘেরিটা এবং মরিয়নিতে বড় প্লাইউড শিল্প রয়েছে।

(v) কুটির শিল্প: অসমের কুটির শিল্পের মধ্যে হস্ততাঁত বস্ত্রশিল্প (পাট, মুগা ও এড়ি সুতোর কাপড়), কাঁসা-পিতলের বাসন শিল্প (সর্তেবারী), মৃৎ শিল্প, বাঁশ-বেতের সামগ্রী এবং অলঙ্কার শিল্প (হাজো) প্রধান।

(vi) চলন্ত শিল্পোদ্যোগ: এই শিল্পগুলো যেকোনো স্থানে স্থাপন করা যায়, কারণ এগুলো কাঁচামাল বা বাজারের অবস্থানের ওপর সরাসরি নির্ভর করে না। যেমন— গুয়াহাটির বরঝাড়ে স্থাপিত ‘সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক’।

আপনাদের পাঠ্যবইয়ের সম্পূর্ণ Textual Questions & Answers, MCQs এবং Additional (Extra Important) Questions & Answers পাওয়ার জন্য আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন-
roylibrary3@gmail.com

Conclusion

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top