Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 6 সমাজ ও সামাজিক বৈশিষ্ট্য

Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 6 সমাজ ও সামাজিক বৈশিষ্ট্য Question Answer Bengali Medium As Per AHSEC New Syllabus. Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 6 সমাজ ও সামাজিক বৈশিষ্ট্য Notes. AHSEC Class 11 Swadesh Adhyayan Solutions Bengali Medium We ensure that You can completely trust this content. Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 6 সমাজ ও সামাজিক বৈশিষ্ট্য Question Answer in Bengali. If you learn PDF Then you can Download PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

WhatsApp Channel
Join Now
YouTube Channel
Subscribe

Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 6 সমাজ ও সামাজিক বৈশিষ্ট্য

Today’s We have Shared in This Post HS 1st Year Swadesh Adhyayan Question Answer in Bengali. I Hope, you Liked The information About The AHSEC Class 11 Swadesh Adhyayan Notes in Bengali. If you liked HS 1st Year Swadesh Adhyayan Solutions Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

সমাজ ও সামাজিক বৈশিষ্ট্য

অনুশীলনী

নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

১। (ক) ‘তাবাকাৎ-ই-নাচিৰী’-র লেখক কে?

উত্তরঃ ‘তাবাকাৎ-ই-নাচিৰী’-র লেখক হলেন মিনহাজউদ্দিন সিরাজ।

(খ) কোন পথ দিয়ে মঙ্গোলীয়রা কামরূপে প্রবেশ করেছিল?

উত্তরঃ পণ্ডিতদের মতে, উত্তর হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত গিরিপথগুলোর মাধ্যমে তিব্বত, নেপাল, ভুটান ও চীন দেশ থেকে মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর লোকরা কামরূপে প্রবেশ করেছিল। এছাড়া এদের কিছু অংশ মায়ানমার বা ব্রহ্মদেশ হয়ে অসমের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব পাহাড়ি পথ দিয়ে এবং উত্তর-পশ্চিমে গোয়ালপাড়া ও উত্তরবঙ্গের তিস্তা ও ধবলা নদীর উপত্যকা দিয়েও এ অঞ্চলে প্রবেশ করেছিল।

(গ) পাইক প্রথা কে প্রবর্তন করেছিলেন?

উত্তরঃ ১৬০৯ খ্রিস্টাব্দে স্বর্গদেব প্রতাপ সিংহের রাজত্বকালে মোমাই তামুলী বরবরুয়া সাংগঠনিকভাবে পাইক প্রথার প্রবর্তন করেছিলেন।

(ঘ) পাইকের দুটি ভাগ কী কী?

উত্তরঃ পাইকের দুটি ভাগ হলো— ‘কাঁড়ী’ (কাড়ি) এবং ‘চমুৱা’ (চমুয়া)।

২। উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সংঘটিত হওয়া জন-প্রব্রজন সম্পর্কে একটি সম্যক ধারণা দাও।

উত্তরঃ ভৌগোলিকভাবে সমগ্র উত্তর-পূর্বাঞ্চল একটি গুরুত্বপূর্ণ জন-প্রব্রজন পথে অবস্থিত হওয়ার কারণে অতি প্রাচীনকাল থেকেই এই ভূখণ্ডে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর লোকের আগমন ঘটেছে। পণ্ডিতদের মতে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রধানত চারটি পথে জন-প্রব্রজন সংঘটিত হয়েছিল— উত্তরের হিমালয় পর্বতমালার গিরিপথসমূহ, ব্রহ্মপুত্র ও গঙ্গা নদীর উপত্যকা, বঙ্গোপসাগর হয়ে সামুদ্রিক পথ এবং পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বদিকের পাহাড়ী পথ। এই পথগুলো দিয়ে বিভিন্ন সময়ে নেগ্রিটো, অস্ট্রো-এশিয়াটিক, দ্রাবিড়, মঙ্গোলীয় এবং আর্যভাষী জনগোষ্ঠীর লোকরা এই অঞ্চলে প্রবেশ করে। এদের মধ্যে মঙ্গোলীয়রা মূলত তিব্বত, চীন ও মায়ানমার থেকে এসে পাহাড় ও সমতলে বসতি স্থাপন করে এবং বর্তমানে এই অঞ্চলের জনসংখ্যার সিংহভাগই এই জনগোষ্ঠীর অন্তর্গত। আর্যভাষী লোকরা প্রব্রজনকারী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সবার শেষে নদী উপত্যকা দিয়ে অসমে প্রবেশ করেছিল। এই প্রব্রজন প্রক্রিয়া কোনো নির্দিষ্ট সময়ে সীমাবদ্ধ না থেকে যুগ যুগ ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে চলে আসছে এবং এর ফলেই এই অঞ্চলে এক বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির সৃষ্টি হয়েছে।

৩। জাতি গঠন প্রক্রিয়ায় মঙ্গোলীয়দের অবদান সম্পর্কে একটি টীকা প্রস্তুত করো।

উত্তরঃ অসম তথা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জাতি গঠন প্রক্রিয়ায় মঙ্গোলীয়দের অবদান অত্যন্ত গভীর কারণ বর্তমানে এই অঞ্চলের পাহাড় ও সমতলে বসবাসকারী অধিকাংশ লোকই মঙ্গোলীয় গোষ্ঠীর ইন্দো-চীন ফেদ-এর তিব্বত-বর্মী শাখার অন্তর্গত। বোড়ো, কোচ, কাছাড়ি, মরাণ, মটক, চুতীয়া, বরাহী, মেচ, তিওয়া, হাজং, মিশিং, আপাতানি ইত্যাদি এই অঞ্চলের আদি থলুয়া মঙ্গোলীয় গোষ্ঠী এবং ত্রয়োদশ শতকে মায়ানমার থেকে আসা আহোমসহ খামতি, ফাকিয়াল ও আইতনীয়ারাও এই মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত। প্রাচীন ও মধ্যযুগে এই মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর লোকরাই অসমে ছোট-বড় বিভিন্ন রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করে রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার করেছিল এবং দীর্ঘকাল শাসনক্ষমতা এদের হাতে থাকার ফলে সমাজ ব্যবস্থায় এদের প্রভাব স্থায়ী রূপ লাভ করে। 

জাতি গঠন প্রক্রিয়ায় এরা দ্রাবিড়দের মতো অন্যান্য জনগোষ্ঠীর সাথে সংমিশ্রিত হয়ে নতুন সংকর গোষ্ঠী তৈরি করেছে, যার প্রভাব অসমীয়া মানুষের বিয়ে-শাদির মতো সামাজিক প্রথায় প্রতিফলিত হয়। আহোম শাসনের সময় বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে যেমন অনেক মঙ্গোলীয় পরিবার আহোমদের সাথে মিশে গিয়েছিল, তেমনি রাজাদের পৃষ্ঠপোষকতা ও মহাপুরুষীয়া বৈষ্ণব ধর্মের প্রভাবে জনজাতীয় মঙ্গোলীয়দের হিন্দু ধর্মে দীক্ষিত হওয়ার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এক নিরবচ্ছিন্ন সামাজিক পরিবর্তন ও জাতি গঠন সম্পন্ন হয়েছিল। এছাড়া কাটনী, সোনোয়াল, কমার, কুমারের মতো বৃত্তিসূচক বিভিন্ন জাতি বা গোষ্ঠী গঠনের মাধ্যমেও এই মঙ্গোলীয়রা অসমের সমাজকে এক বৈচিত্র্যময় ও ঐক্যবদ্ধ রূপ দান করতে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে।

৪। কামরূপে ভারতীয় সংস্কৃতির আগমন কী ধরনের পরিবর্তন এনেছিল আলোচনা করো।

উত্তরঃ প্রাচীন কামরূপে ভারতীয় তথা আর্য-ব্রাহ্মণ্য সংস্কৃতির আগমন স্থানীয় থলুয়া সংস্কৃতিতে এক ধারাবাহিক পরিবর্তনের সূচনা করেছিল। রাজাদের আমন্ত্রণে ও পৃষ্ঠপোষকতায় এই অঞ্চলে আর্য ব্রাহ্মণদের বসতি স্থাপনের ফলে সমাজ ব্যবস্থায় ‘বর্ণাশ্রম প্রথা’ এবং ‘জাতি বা বর্ণ প্রথার’ প্রবর্তন ঘটে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্রাহ্মণ পুরোহিতরা অনার্য জনজাতীয় প্রধানদের ‘ক্ষত্রিয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং রাজবংশগুলোকে হিন্দু দেব-দেবীর সাথে সংযুক্ত করেন। এর ফলে জনজাতীয় লোকেরা হিন্দু ধর্মে দীক্ষিত হয়ে বিভিন্ন ‘জাতি’তে (Caste) রূপান্তরিত হয়, তবে তাদের অধিকাংশই শূদ্র বর্ণের অন্তর্ভুক্ত ছিল। সংস্কৃতকরণ প্রক্রিয়ার প্রভাবে সমাজে উচ্চ-নিচ ভেদাভেদ সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন নদী ও স্থানের জনজাতীয় নাম পরিবর্তন করে সংস্কৃত নাম (যেমন— কামাখ্যা) রাখা হয়েছিল। এছাড়াও ভূমিদান প্রথা, মন্দির নির্মাণ, উন্নত প্রশাসনিক ব্যবস্থার বিকাশ এবং রাজ্যের ভৌগোলিক সীমানা বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলো এই ভারতীয় সংস্কৃতির আগমনের ফলেই সম্ভব হয়েছিল।

আপনাদের পাঠ্যবইয়ের সম্পূর্ণ Textual Questions & Answers, MCQs এবং Additional (Extra Important) Questions & Answers পাওয়ার জন্য আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন-
roylibrary3@gmail.com

Conclusion

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top