Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 5 রাষ্ট্র এবং এর বিকাশ

Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 5 রাষ্ট্র এবং এর বিকাশ Question Answer Bengali Medium As Per AHSEC New Syllabus. Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 5 রাষ্ট্র এবং এর বিকাশ Notes. AHSEC Class 11 Swadesh Adhyayan Solutions Bengali Medium We ensure that You can completely trust this content. Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 5 রাষ্ট্র এবং এর বিকাশ Question Answer in Bengali. If you learn PDF Then you can Download PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

WhatsApp Channel
Join Now
YouTube Channel
Subscribe

Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 5 রাষ্ট্র এবং এর বিকাশ

Today’s We have Shared in This Post HS 1st Year Swadesh Adhyayan Question Answer in Bengali. I Hope, you Liked The information About The AHSEC Class 11 Swadesh Adhyayan Notes in Bengali. If you liked HS 1st Year Swadesh Adhyayan Solutions Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

রাষ্ট্র এবং এর বিকাশ

অনুশীলনী

নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:

১। (ক) বর্মণ বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?

উত্তরঃ আনুমানিক খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়া বর্মণ বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন পুষ্যবর্মণ।

(খ) বর্মণ বংশীয় কোন রাজার হর্ষবর্ধনের সাথে মিত্রতা ছিল?

উত্তরঃ বর্মণ বংশীয় রাজাদের মধ্যে অতি বিখ্যাত সেই বংশের শেষ রাজা কুমার ভাস্কর বর্মণের উত্তর ভারতের বিখ্যাত রাজা হর্ষবর্ধনের সাথে বন্ধুত্ব বা মিত্রতা ছিল। 

(গ) হিউয়েন সাঙ কার সময়ে কামরূপে এসেছিলেন?

উত্তরঃ বর্মণ বংশের শেষ রাজা কুমার ভাস্কর বর্মণের রাজত্বকালে চীনা বৌদ্ধ ভিক্ষু হিউয়েন সাঙ কামরূপে এসেছিলেন এবং তিনি রাজধানী প্রাগজ্যোতিষপুরে প্রায় দুই মাস কাল ছিলেন বলে জানা যায়।

(ঘ) কোন রাজা কামরূপের রাজধানী কমতাপুর স্থানান্তরিত করেছিলেন?

উত্তরঃ শেষ পর্যায়ে সম্ভবত সুলতানি আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কামরূপী রাজারা রাজ্যের রাজধানী গুয়াহাটি থেকে স্থানান্তরিত করে সুদূর কমতাপুরে নিয়ে গিয়েছিলেন। 

(ঙ) অসমীয়া ভাষায় সর্বপ্রথম রামায়ণ কে অনুবাদ করেছিলেন?

উত্তরঃ সেই সময়ে হরিহর বিপ্র, হেম সরস্বতী, রুদ্র কন্দলী, মাধব কন্দলী আদি পণ্ডিতগণ অসমীয়া সাহিত্যের চর্চা ও সৃষ্টি করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে মাধব কন্দলী রামায়ণ অনুবাদ করে অসমীয়া ভাষা সমৃদ্ধ করেছিলেন। উল্লেখযোগ্য যে, ভারতের যেকোনো আঞ্চলিক ভাষায় হওয়া অনুবাদের মধ্যে অসমীয়া ভাষায় হওয়া (রামায়ণ) এই অনুবাদই প্রথম বলে অনেক পণ্ডিত মনে করেন।

(চ) আহোমগণ কোন জাতির অন্তর্গত?

উত্তরঃ আহোমগণ টাই জাতির অন্তর্গত শানদের বংশধর ছিলেন।

২। প্রাচীন অসমের ভৌগোলিক পরিসীমা সম্পর্কে একটি টীকা প্রস্তুত করো।

উত্তরঃ প্রাচীন প্রাগজ্যোতিষ বা কামরূপ রাজ্যের ভৌগোলিক পরিসীমা সম্পর্কে বিভিন্ন ঐতিহাসিক তথ্য ও কিংবদন্তি পাওয়া যায়। বর্তমান অসমের ভৌগোলিক সীমানার সাথে প্রাচীন কামরূপের সীমানা হুবহু মেলে না, কারণ বিভিন্ন সময়ে এই রাজ্যের সীমানা পরিবর্তিত হয়েছে। প্রাচীন কামরূপ রাজ্যের উত্তর সীমান্ত হিমালয়ের পাদদেশীয় অঞ্চল অর্থাৎ ভুটানের কিছু অংশ পর্যন্ত এবং দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্ত বর্তমান বাংলাদেশের কিছু অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। খ্রিস্টীয় চতুর্থ থেকে একাদশ শতাব্দীর মধ্যে বর্মণ, শালস্তম্ভ এবং পাল বংশীয় রাজাদের রাজত্বকালে এই রাজ্য এক বিশাল আকার ধারণ করেছিল এবং সেই সময়ে করতোয়া নদীই এই রাজ্যের পশ্চিম সীমা হিসেবে বিবেচিত হতো।

কালিকা পুরাণের বর্ণনা অনুযায়ী, কামরূপ রাজ্যের আকার ছিল একটি ত্রিভুজের মতো এবং এর পশ্চিম সীমানা ছিল করতোয়া নদী পর্যন্ত। এই ত্রিভুজাকৃতির রাজ্যের দৈর্ঘ্য ছিল ১০০ যোজন এবং প্রস্থ ছিল ৩০ যোজন। পরবর্তীতে আনুমানিক ১৬ শ শতকে রচিত ‘যোগিনীতন্ত্র’ এবং ‘হরগৌরী সংবাদ’-এ সমগ্র কামরূপ রাজ্যকে চারটি প্রধান ভাগে বা ‘পীঠ’-এ বিভক্ত করা হয়েছে। এই ভাগগুলো হলো—করতোয়া নদী থেকে সংকোষ নদী পর্যন্ত ‘রত্নপীঠ’, সংকোষ থেকে কপিলী নদী পর্যন্ত ‘কামপীঠ’, পুষ্পিকা থেকে ভৈরবী নদী পর্যন্ত ‘স্বর্ণপীঠ’ এবং ভৈরবী থেকে দিকরাই নদী পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলকে ‘সৌমারপীঠ’ বলা হতো। যদিও পৌরাণিক সীমানার সাথে ঐতিহাসিক বাস্তবতার কিছুটা পার্থক্য থাকতে পারে, তবুও প্রাচীন কামরূপ যে একটি সুবিস্তৃত রাজ্য ছিল, তা বিভিন্ন প্রাচীন সাহিত্য ও শিলালিপি থেকে স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়।

৩। প্রাচীন কামরূপের রাজনৈতিক উত্থান-পতনে রাজবংশগুলোর কার্যকারিতা বর্ণনা করো।

উত্তরঃ প্রাচীন কামরূপ বা প্রাগজ্যোতিষ রাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিভিন্ন রাজবংশের শাসনকাল এবং তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আনুমানিক খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দীর শুরু পর্যন্ত কামরূপ রাজ্যে তিনটি প্রধান রাজবংশ পর্যায়ক্রমে শাসন করেছিল। 

নিচে তাদের কার্যকারিতা বর্ণনা করা হলো:

(i) বর্মণ বংশ: আনুমানিক খ্রিস্টীয় চতুর্থ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে পুষ্যবর্মণের মাধ্যমে কামরূপে বর্মণ বংশ প্রতিষ্ঠিত হয়। এই বংশের মোট ১৩ জন রাজা প্রায় তিনশ বছর রাজত্ব করেছিলেন। বর্মণ বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা ছিলেন কুমার ভাস্কর বর্মণ, যার সময়ে উত্তর ভারতের রাজা হর্ষবর্ধনের সাথে মিত্রতা স্থাপিত হয় এবং চীনা পর্যটক হিউয়েন সাঙ কামরূপে আসেন। বর্মণ রাজারা ভূমিদান প্রথার মাধ্যমে রাজ্যে ব্রাহ্মণ্য ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রসার ঘটিয়েছিলেন এবং রাজ্যের সীমানা দক্ষিণ ও পশ্চিমে অনেকটা সম্প্রসারিত করেছিলেন।

(ii) শালস্তম্ভ বংশ: কুমার ভাস্কর বর্মণ নিঃসন্তান অবস্থায় মারা গেলে শালস্তম্ভ নামক এক শক্তিশালী প্রাদেশিক শাসক ক্ষমতা দখল করেন। শালস্তম্ভ বংশের রাজারা নিজেদের নরক-ভগদত্তের বংশধর বলে পরিচয় দিতেন। তাঁদের রাজধানী ছিল ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে হারুপেশ্বর বা হাটপেশ্বর নগরে (বর্তমান তেজপুর)। তাঁরা রাজ্যে বহু উচ্চ মন্দির ও স্থাপত্য নির্মাণ করেছিলেন এবং বর্মণ রাজাদের মতোই ব্রাহ্মণ্য সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতা বজায় রেখেছিলেন।

আপনাদের পাঠ্যবইয়ের সম্পূর্ণ Textual Questions & Answers, MCQs এবং Additional (Extra Important) Questions & Answers পাওয়ার জন্য আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন-
roylibrary3@gmail.com

Conclusion

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top