SEBA Class 10 Bengali Chapter 4 প্রতিনিধি

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 10 Bengali Chapter 4 প্রতিনিধি Question Answer As Per SEBA New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 10 Bengali Chapter 4 প্রতিনিধি Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 10 Bengali Chapter 4 প্রতিনিধি Solutions We ensure that You can completely trust this content. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

Join Buttons

SEBA Class 10 Bengali Chapter 4 প্রতিনিধি

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 10 Bengali MIL Solutions with you. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 10 Bengali MIL PDF Download. If you liked SEBA Class 10 Bengali Question Answer Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

প্রতিনিধি

১। অতি সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও।

(ক) শিবাজি কে?

উত্তরঃ শিবাজি ছিলেন মহারাষ্ট্রের মারাঠা জাতির এক আদর্শবান, প্রবল দেশভক্ত ও জাতীয় বীর রাজা।

(খ) ‘প্রতিনিধি’ কবিতার কবি কে?

উত্তরঃ ‘প্রতিনিধি’ কবিতার কবি হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

(গ) শিবাজি কখন তাঁর গুরুকে দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করতে দেখেছেন?

উত্তরঃ এক প্রভাত কালে শিবাজি তাঁর গুরুকে সেতারার দুর্গশীর্ষ থেকে দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করতে দেখেছেন।

(ঘ) শিবাজি বালাজির হাতে কী লিখে দিয়েছিলেন?

উত্তরঃ শিবাজি বালাজির হাতে একটি চিঠি লিখে দিয়েছিলেন, যেখানে তিনি নিজের রাজ্য ও রাজধানী গুরুকে দান করেছিলেন।

(ঙ) কোথা থেকে শিবাজি তাঁর গুরুকে ভিক্ষা করতে দেখেছেন?

উত্তরঃ শিবাজি তাঁর গুরুকে সেতারার দুর্গের চূড়া থেকে ভিক্ষা করতে দেখেছেন।

(চ) গুরু তাঁর শিষ্য শিবাজির, কাঁধে ঝুলি তুলে দিলেন কেন?

উত্তরঃ গুরু রামদাস শিষ্য শিবাজিকে পরীক্ষা করার জন্য তাঁর ভিক্ষার ঝুলি শিষ্যের কাঁধে তুলে দিয়ে ভিক্ষা করতে নিয়ে যান। 

(ছ) শিবাজি তাঁর গুরুকে (চিঠিতে) কী দান করেছিলেন?

উত্তরঃ শিবাজি তাঁর গুরুকে নিজের রাজ্য ও রাজধানী দান করেছিলেন। 

(জ) আলোচ্য কবিতায় শিষ্য গুরুর প্রসাদ কখন গ্রহণ করেছিলেন?

উত্তরঃ কবিতায়, শিষ্য শিবাজি সন্ধ্যাবেলায় নদীতীরে ভিক্ষার অন্ন রন্ধন করার পর গুরু রামদাসের প্রসাদ গ্রহণ করেছিলেন। 

(ঝ) গুরু তাঁর শিষ্যকে কী দিয়ে পতাকা নির্মাণ করে নিতে বলেছিলেন?

উত্তরঃ গুরু তাঁর শিষ্যকে তাঁর নিজের গেরুয়া রঙের গাত্রবাস, অর্থাৎ বৈরাগীর উত্তরীয়, দিয়ে পতাকা নির্মাণ করে নিতে বলেছিলেন।

(ঞ) কবির কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে পাঠ্য কবিতাটি গৃহীত হয়েছে?

উত্তরঃ এই কবিতাটি কবির ‘কথা ও কাহিনী’ কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে। 

২। সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও।

(ক) কী উদ্দেশ্যে শিবাজি তাঁর গুরুর পদে রাজ্য ও রাজধানী দান করেছিলেন?

উত্তরঃ গুরু রামদাসের প্রতি অগাধ ভক্তি ও আনুগত্য প্রমাণ করার উদ্দেশ্যে শিবাজি তাঁর গুরুকে রাজ্য ও রাজধানী দান করেছিলেন।

(খ) প্রকৃত রাজার ধর্ম কী?

উত্তর প্রকৃত রাজার ধর্ম হল প্রজাদের সুশাসন ও মঙ্গলের জন্য কাজ করা। রাজ্য রাজার ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, বরং তিনি কেবল ভগবানের একজন প্রতিনিধি মাত্র।

(গ) রাজর্ষি হওয়ার যোগ্যতা কারা পেতে পারেন?

উত্তরঃ যে রাজা রিক্ত, ঐশ্বর্যহীন, এবং সর্বত্যাগী সন্ন্যাসী হয়েও রাজত্ব করেন, তিনিই রাজর্ষি হওয়ার যোগ্যতা পেতে পারেন। 

(ঘ) রবীন্দ্রনাথ রচিত চারটি কাব্যগ্রন্থের নাম লেখো।

উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ রচিত চারটি কাব্যগ্রন্থের নাম হল: ‘গীতাঞ্জলি’, ‘সোনারতরী’, ‘বলাকা’ এবং ‘শিশু’।

(ঙ) রাজাকে ঈশ্বরের প্রতিনিধি বলা হয় কেন?

উত্তরঃ রাজাকে ঈশ্বরের প্রতিনিধি বলা হয় কারণ তাঁর রাজত্ব তাঁর নিজের জন্য নয়, বরং প্রজাদের মঙ্গলের জন্য। তিনি ভগবানের ইচ্ছানুসারে শাসনকার্য পরিচালনা করেন। 

(চ) গুরু রামদাস কীভাবে শিষ্য শিবাজিকে পরীক্ষা করতে চেয়েছেন?

উত্তরঃ গুরু রামদাস শিষ্যের ত্যাগের গভীরতা পরীক্ষা করার জন্য তাঁকে নিজের ভিক্ষার ঝুলি কাঁধে তুলে নিয়ে দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করতে বলেছিলেন।

(ছ) গুরু রামদাস তাঁর শিষ্যকে গুরুর নামে রাজ্যভার গ্রহণ করতে বললেন কেন?

উত্তরঃ গুরু রামদাস শিষ্য শিবাজির ত্যাগে অত্যন্ত খুশি হয়ে তাঁকে পুনরায় রাজ্যভার অর্পণ করেন এবং বলেন যে এখন থেকে তিনি রাজার মতো নয়, বরং গুরুর প্রতিনিধি হিসেবে রাজ্য শাসন করবেন।

(জ) প্রকৃত রাজধর্ম কী তা বুঝিয়ে লেখো।

উত্তরঃ প্রকৃত রাজধর্ম হলো প্রজাদের প্রতি কর্তব্য পালন করা। রাজা কেবল শাসক নন, তিনি প্রজাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার এবং তাদের মঙ্গলের জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকবেন। এটি অত্যাচার নয়, বরং সুশাসনের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। 

৩। শূন্যস্থান পূরণ করো।

(ক) __________ রাজার সাজে ________, __________ মাঝে কে তুমি _________ কর বাস!

উত্তরঃ আমারে, বসায়ে, সংসার, আড়ালে।

(খ) _________ উত্তরীয় __________ করিয়া নিয়ো’ কহিলেন গুরু ________।’ 

উত্তরঃ বৈরাগীর, পতাকা, রামদাস।

(গ) অবশেষে _______ নগরের এক _________ নদীকূলে _________সারি।’

উত্তরঃ দিবসান্তে, প্রান্তে, সন্ধ্যাস্নান।

(ঘ) দুর্গে _________ বাজে, ক্ষান্ত দিয়া __________ বিশ্রাম __________ পুরবাসী।

উত্তরঃ দ্বিপ্রহর, কর্মকাজে, করিছে।

(ঙ) ________ মা আমার লয়েছে _________ ভার সুখে আছে সর্ব _________।

উত্তরঃ অন্নপূর্ণা, বিশ্বের, চরাচর।

(চ) এ কেবল ________ জল ঢেলে বৃথা চেষ্টা _________ মিটাবারে।’

উত্তরঃ দিনে রাত্রে, ফুটা পাত্রে, তৃষ্ণা।

(ছ) তোমারি _________ প্রাণ ________ করিব দান’ _________ কহিলা নমি তাঁরে।

উত্তরঃ দাসত্বে, আনন্দে, শিবাজি।

৪। রচনাধর্মী উত্তর লেখো।

(ক) ‘প্রতিনিধি’ কবিতার সারাংশ লেখো।

উত্তরঃ ‘প্রতিনিধি’ কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কথা ও কাহিনী’ কাব্যগ্রন্থের একটি কাহিনিমূলক কবিতা। এই কবিতার মূল উপজীব্য হলো রাজা শিবাজি এবং তাঁর গুরু রামদাসের মধ্যেকার সম্পর্ক এবং প্রকৃত রাজধর্মের আদর্শ। 

কবিতার শুরুতে দেখা যায় যে রাজা শিবাজি তাঁর গুরু রামদাসকে ভিখারীর বেশে দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করতে দেখে বিস্মিত হন। তিনি তাঁর গুরুকে নিজের সব ঐশ্বর্য ও রাজত্ব দান করতে চান। কিন্তু গুরু রামদাস তাঁর এই দান গ্রহণ করেন না বরং শিষ্যের ত্যাগের পরীক্ষা নেওয়ার জন্য তাঁকে নিজের ভিক্ষার ঝুলি কাঁধে তুলে নিয়ে তাঁর সঙ্গে ভিক্ষা করতে যেতে বলেন। 

শিবাজি গুরুর কথামতো ভিক্ষা করতে যান। এতে সাধারণ মানুষ অবাক হয়। শেষে গুরু রামদাস শিবাজির নিষ্ঠা দেখে খুশি হয়ে তাঁকে আবার রাজ্য ফিরিয়ে দেন। কিন্তু তিনি শিবাজিকে বলেন যে তিনি রাজার মতো নয়, বরং তাঁর এবং ঈশ্বরের প্রতিনিধি হিসেবে রাজ্য শাসন করবেন।

(খ) কবিতাটির নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।

উত্তরঃ ‘প্রতিনিধি’ কবিতার নামকরণ সম্পূর্ণ সার্থক। কারণ এই কবিতার মূল বার্তা হলো একজন রাজা কোনো দেশের মালিক নন, বরং তিনি ঈশ্বরের প্রতিনিধি মাত্র। তাঁর কাজ হলো মানুষের সেবার জন্য শাসন করা। 

শিবাজি তাঁর গুরু রামদাসের কাছে নিজের রাজত্ব দান করার পর গুরু তা ফিরিয়ে দেন এবং তাঁকে ঈশ্বরের প্রতিনিধি হিসেবে রাজত্ব পরিচালনা করতে বলেন। এই কেন্দ্রীয় ভাবটিই কবিতার নামকরণের মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে।

(গ) রাজা শিবাজির উপর গুরু রামদাসের প্রভাব আলোচনা করো।

উত্তরঃ গুরু রামদাস রাজা শিবাজিকে শিখিয়েছিলেন যে প্রকৃত রাজা কেমন হওয়া উচিত। তিনি শিষ্যের মধ্যে আধ্যাত্মিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তোলেন এবং তাঁকে শিখিয়েছিলেন যে ঐশ্বর্য ও ক্ষমতা ত্যাগ করে একজন শাসককে সর্বদা প্রজার মঙ্গল চিন্তা করতে হবে। গুরু রামদাসের উপদেশেই শিবাজি একজন আদর্শ রাজা হিসেবে শাসনকার্য পরিচালনা করেছিলেন এবং তাঁর নৈতিক মূল্যবোধের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি বৈরাগীর মতো জীবনযাপন করেছিলেন।

(ঘ) ভারতের পুরাতন সংস্কৃতি অনুসারে ভারতীয় রাজধর্মের স্বরূপ আলোচনা করো।

উত্তরঃ ভারতের প্রাচীন সংস্কৃতি অনুসারে, একজন রাজা শুধুমাত্র শাসক নন, বরং তিনি একজন ঋষিতুল্য ব্যক্তি। তিনি ব্যক্তিগত সুখ-ভোগের ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের সেবা করবেন। তাঁর শাসন হবে ত্যাগের আদর্শে অনুপ্রাণিত, যেখানে তিনি রাজ্যের অধীশ্বর না হয়ে জনগণের একজন সেবক হিসেবে কাজ করবেন। 

(ঙ) গুরু রামদাসের গানের বিশেষত্ব উল্লেখ করো।

উত্তরঃ গুরু রামদাসের গানগুলি আধ্যাত্মিকতা এবং ভগবানের প্রতি ভক্তি পূর্ণ। তিনি তাঁর গানে ভগবানকে ত্রিভুবনপতি হিসেবে সম্বোধন করে তাঁর রহস্যময় আচরণ সম্পর্কে বিস্ময় প্রকাশ করেন। তাঁর গানে জাগতিক ঐশ্বর্য থেকে বিরাগ এবং পথিকের মতো জীবনযাপনের আদর্শ প্রতিফলিত হয়। 

Class 10 Bengali Textual Question Answer [New Syllabus Updated]

S.L. No.সূচীপত্র
অধ্যায় -১প্রার্থনা
অধ্যায় -২বিজয়া দশমী
অধ্যায় -৩গ্রাম্যছবি
অধ্যায় -৪প্রতিনিধি
অধ্যায় -৫আবার আসিব ফিরে
অধ্যায় -৬সাগর-সঙ্গমে নবকুমার
অধ্যায় -৭বাংলার নবযুগ
অধ্যায় -৮বলাই
অধ্যায় -৯আদরিণী
অধ্যায় -১০তোতা কাহিনি
অধ্যায় -১১অরুণিমা সিনহা: আত্মবিশ্বাস ও সাহসের এক নাম
অধ্যায় -১২কম্পিউটার কথা, ইন্টারনেট কথকতা
অধ্যায় -১৩এসো উদ্যোক্তা হই
অধ্যায় -১৪জীবন সংগীত
অধ্যায় -১৫কাণ্ডারী হুঁশিয়ার
অধ্যায় –১৬পিতা ও পুত্ৰ
অধ্যায় -১৭অরণ্য প্রেমিক: লবটুলিয়ার কাহিনি
অধ্যায় –১৮শ্ৰীকান্ত ও ইন্দ্ৰনাথ
অধ্যায় -১৯উজান গাঙ বাইয়া
বাংলা ব্যাকরণ
S.L. Noবৈচিত্রপূর্ণ আসাম
অধ্যায় -১তিওয়াগণ
অধ্যায় -২দেউরিগণ
অধ্যায়নেপালিভাষী গোর্খাগণ
অধ্যায়বোড়োগণ
অধ্যায়মটকগণ
অধ্যায়মরাণগণ
অধ্যায়মিসিংগণ
অধ্যায়মণিপুরিগণ
অধ্যায়রাভাগণ
অধ্যায়১০চুটিয়াগণ

2 thoughts on “SEBA Class 10 Bengali Chapter 4 প্রতিনিধি”

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top