SEBA Class 7 Bengali Chapter 4 কৃষক বিষয়ক দুটি কবিতা

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 7 Bengali Chapter 4 কৃষক বিষয়ক দুটি কবিতা Question Answer As Per SCERT New Syllabus Provided by the Roy Library. SCERT Class 7 Bengali (উন্মেষ) Solutions is made for Bengali Medium Students. SEBA Class 7 Bengali Chapter 4 কৃষক বিষয়ক দুটি কবিতা Notes in Bengali. We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 7 Bengali (Unmesh) Solutions. If you learn PDF Then you can Download PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

WhatsApp Channel
Join Now
Telegram Channel
Join Now
YouTube Channel
Subscribe

SEBA Class 7 Bengali Chapter 4 কৃষক বিষয়ক দুটি কবিতা

Today’s We have Shared in This Post SEBA 7 Bengali (উন্মেষ) Question Answer. I Hope, you Liked The information About The SCERT Class 7 Unmesh (উন্মেষ) Textbook Question Answer. If you liked Class 7 Bengali Question Answer. Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

ক্রিয়াকলাপ

পাঠভিত্তিক:

১। শূন্যস্থান পূর্ণ করো-

(ক) ‘ধানের শিষে _________ ছোটে সকল হেসে ওঠে 

অঘ্রানেরই _________ রোদে, _________ চন্দ্রে।’

উত্তরঃ ‘ধানের শিষে পুলক ছোটে সকল ধরা হেসে ওঠে 

অঘ্রানেরই সোনার রোদে, পূর্ণিমারই চন্দ্রে।

(খ) ‘আমার দেশের _________ ছেলে, _________ বারংবার, 

তোমায় দেখে _________ হউক সবার _________।’

উত্তরঃ ‘আমার দেশের মাটির ছেলে, নমি বারংবার, 

তোমায় দেখে চূর্ণ হউক সবার অহংকার।’

২। নীচে দেওয়া প্রশ্নগুলোর শুদ্ধ উত্তরটি বেছে বের করে সঠিক বৃত্তটি পূরণ করো-

(a) ‘সকল ধরা হেসে ওঠে’-‘ধরা’ শব্দের অর্থ কী?

(ক) সূর্য।

(খ) পৃথিবী।

(গ) বাতাস।

(ঘ) বৃষ্টি।

উত্তরঃ (খ) পৃথিবী।

(b) কাকে সব সাধকের বড় সাধক বলা হয়েছে?

(ক) ডাক্তার।

(খ) চাষা।

(গ) পুলিশ।

(ঘ) শিক্ষক।

উত্তরঃ (খ) চাষা।

৩। কবিতা দুটির মূলভাব নিজের ভাষায় লেখো।

উত্তরঃ ‘আমরা চাষ করি আনন্দে’ কবিতার মূলভাব: কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই কবিতায় গ্রামীণ বাংলার কৃষকদের কৃষি কাজ করার যে অনাবিল আনন্দ, তার একটি নিখুঁত ছবি এঁকেছেন। কৃষকেরা প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে মাঠে অতি আনন্দের সঙ্গে কাজ করেন। প্রকৃতির নানা অনুষঙ্গ যেমন— প্রখর রৌদ্র, ঝিরঝিরে বৃষ্টি, বাঁশ বনের পাতার নড়াচড়া আর মাঠের ভিজে মাটির গন্ধে তাদের মন মেতে থাকে। তাদের এই শ্রমের ফসল যখন সবুজ প্রাণের গান হয়ে মাঠের রেখায় রেখায় ফুটে ওঠে, তখন কোনো এক তরুণ কবি যেন সেই সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে নতুন ছন্দে মেতে ওঠেন। অবশেষে অঘ্রান মাসের সোনালি রোদে আর পূর্ণিমার চাঁদের আলোয় যখন ধানের শিষে খুশির ঝিলিক দেখা দেয়, তখন মনে হয় যেন সমস্ত পৃথিবীই পরম তৃপ্তিতে হেসে উঠছে।

‘চাষি’ কবিতার মূলভাব: কবি রাজিয়া খাতুন চৌধুরানী তাঁর ‘চাষি’ কবিতায় একজন কৃষকের মহত্ত্ব ও নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরেছেন। কবি চাষিকে এই দেশের সব সাধকের চেয়ে বড় সাধক এবং দেশের মুক্তির প্রতীক ও আশার আলো হিসেবে অভিহিত করেছেন। পুরাণের ত্যাগী দধীচি মুনির সঙ্গে চাষির তুলনা করে তাঁর কাজকে মহৎ পুণ্য হিসেবে দেখানো হয়েছে। কৃষক প্রখর রোদে তপ্ত হয়ে এবং মেঘের জলে ভিজে কঠোর পরিশ্রম করেন, যাতে দেশবাসীর অন্নের অভাব না ঘটে। তিনি নিজের সুখের কথা বিন্দুমাত্র চিন্তা না করে কেবল অন্যের মঙ্গলের ব্রত পালন করেন। তাঁর মনে কোনো গর্ভ বা অহংকার নেই। কবি এই মাটির ছেলেকে বারবার নমস্কার জানিয়েছেন এবং মনে করেন যে, কৃষকের এই মহান ও নিঃস্বার্থ ত্যাগ দেখলে সমাজের সকল মানুষের মনের দম্ভ ও অহংকার চূর্ণ হওয়া উচিত।

৪। সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও-

(ক) ‘আমরা চাষ করি আনন্দে’- কবিতাটি কবির কোন্ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?

উত্তরঃ ‘আমরা চাষ করি আনন্দে’ কবিতাটি কবির ‘শিশু’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। 

(খ) ‘সবারই সে অন্ন জোগায় নাইকো গর্ব লেশ।’- এখানে ‘সে’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?

উত্তরঃ এখানে ‘সে’ বলতে চাষা-কে বোঝানো হয়েছে।

(গ) কবির মতে দেশের মাটির ছেলে কে?

উত্তরঃ কবির মতে দেশের মাটির ছেলে হলো চাষা। 

(ঘ) ‘চাষি’ কবিতাটির কবির নাম কী?

উত্তরঃ ‘চাষি’ কবিতাটির কবির নাম রাজিয়া খাতুন চৌধুরানী।

৫। নীচের প্রশ্নগুলোর উত্তর আলোচনা করে বলো এবং লেখো-

(ক) ‘মাঠে মাঠে বেলা কাটে সকাল হতে সন্ধে।’- মাঠে মাঠে কাদের বেলা কাটে এবং কেন?

উত্তরঃ কৃষকেরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে মাঠে চাষ করার জন্য সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সেখানে সময় কাটান। তাঁরা রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রকৃতির সান্নিধ্যে থেকে ফসল ফলানোর কাজে মগ্ন থাকেন।

(খ) কবি চাষাকে ‘সব সাধকের বড় সাধক’ বলে অভিহিত করেছেন কেন?

উত্তরঃ কবি রাজিয়া খাতুন চৌধুরানী চাষাকে ‘সব সাধকের বড় সাধক’ বলে অভিহিত করেছেন কারণ চাষি নিজের সুখের কথা চিন্তা না করে কেবল পরের হিত বা অন্যের মঙ্গলের ব্রত পালন করেন। তিনি প্রখর রৌদ্রে তপ্ত হয়ে এবং মেঘের জলে ভিজে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশের সকল মানুষের জন্য অন্নের জোগান দেন। এত বড় মহৎ কাজ করার পরেও তাঁর মনে কোনো গর্ব বা অহংকার নেই। কবির মতে, তাঁর এই নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও কৃচ্ছ্রসাধনা দেশের মুক্তি ও আশার প্রতীক, যা অন্য যেকোনো সাধকের সাধনার চেয়েও অনেক বেশি মহৎ ও পুণ্যময়।

(গ) নিজ দেশের মাটির ছেলেকে কবি বারবার নমস্কার করার কথা কেন বলেছেন?

উত্তরঃ কবি রাজিয়া খাতুন চৌধুরানী নিজ দেশের মাটির ছেলে অর্থাৎ চাষাকে বারবার নমস্কার করার কথা বলেছেন কারণ চাষি নিজের সুখের কথা চিন্তা না করে ‘পরের হিত’ বা অন্যের মঙ্গলের ব্রত পালন করেন। তিনি প্রখর রৌদ্রে পুড়ে এবং মেঘের জলে ভিজে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশের সবার জন্য অন্নের জোগান দেন। তাঁর এই নিঃস্বার্থ ত্যাগ এবং গর্বহীন জীবন দেখে মানুষের মনের অহংকার চূর্ণ হওয়া উচিত বলেই কবি তাঁকে শ্রদ্ধাভরে বারবার নমস্কার জানিয়েছেন।

(ঘ) কৃষকরা চাষ না-করলে দেশের কী কী সমস্যা হতে পারে?

উত্তরঃ কৃষকরা চাষ না-করলে দেশে নিম্নলিখিত সমস্যাগুলো হতে পারে:

(i) খাদ্য সংকট: দেশের নাগরিকদের প্রয়োজনীয় খাদ্য-শস্য কৃষকেরাই উৎপাদন করেন। তাঁরা চাষ না-করলে দেশবাসী প্রয়োজনীয় খাদ্য-শস্য পাবে না। 

(ii) জীবনধারণে সমস্যা: জীবনধারণের জন্য সব স্তরের লোকই কৃষিজাত সামগ্রীর ওপর নির্ভরশীল। কৃষকরা চাষ না-করলে মানুষের বেঁচে থাকা বা জীবনধারণ করা কঠিন হয়ে পড়বে। 

(iii) সেবা ও প্রগতিতে বাধা: কৃষকেরা তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রমের বিনিময়ে ফসল উৎপাদন করে দেশবাসীর সেবা করেন। তাঁরা চাষ না-করলে এই সেবা বন্ধ হয়ে যাবে এবং দেশের প্রগতি বা উন্নতি ব্যাহত হবে।

৬। ব্যাখ্যা করো-

(a) ‘অঘ্রানেরই সোনার রোদে, পূর্ণিমারই চন্দ্রে।’

উত্তরঃ উৎস ও প্রসঙ্গ: আলোচ্য পঙক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শিশু’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ‘আমরা চাষ করি আনন্দে’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এই কবিতায় কবি বাংলার গ্রামীণ প্রাকৃতিক পরিবেশে কৃষকদের চাষ করার যে নির্মল আনন্দ এবং ফসল পাকার ঋতু অঘ্রানের যে মনোরম দৃশ্য, তার একটি সার্থক ছবি এঁকেছেন।

দিনের বেলার দৃশ্যের ব্যাখ্যা: বাংলার ঋতুচক্রে অঘ্রান মাস হলো ফসল কাটার প্রধান সময়। এই সময়ে মাঠের সবুজ ধান পেকে সোনালি বর্ণ ধারণ করে। যখন হেমন্তের উজ্জ্বল রোদ মাঠের সেই পাকা সোনালি ধানের ওপর পড়ে, তখন মনে হয় যেন মাঠজুড়ে কেউ সোনা ছড়িয়ে দিয়েছে। কবি একেই ‘সোনার রোদে’ বলে অভিহিত করেছেন। রোদের এই ঝিলিক ধানের শিষে এক প্রকার পুলক বা খুশির সৃষ্টি করে, যা দেখে মনে হয় যেন সমস্ত পৃথিবী বা ধরা আনন্দে হেসে উঠছে।

রাতের বেলার দৃশ্য ও তাৎপর্য: কেবল দিনের বেলাতেই নয়, রাতের স্নিগ্ধ পূর্ণিমার চাঁদের আলোতেও পাকা ধানের মাঠ এক অপূর্ব মায়াবী রূপ ধারণ করে। দিনের সোনালি রোদ আর রাতের রূপালি জোছনা—উভয়ই যেন চাষির হাড়ভাঙা খাটুনির ফসলকে এক অপার্থিব সৌন্দর্যে রাঙিয়ে দেয়। প্রকৃতির এই রূপ দেখে মনে হয় যেন চাষির শ্রম সার্থকতা পেয়েছে। প্রকৃতি আর মানুষের শ্রমের এই যে গভীর মিতালি এবং তার ফলে যে অনাবিল আনন্দের সৃষ্টি হয়, কবি এই পঙক্তিটির মাধ্যমে সেই ধ্রুব সত্যটিই ফুটিয়ে তুলেছেন।

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top