SEBA Class 7 Bengali Chapter 8 রূপান্তর Question Answer As Per SCERT New Syllabus Provided by the Roy Library. SCERT Class 7 Bengali (উন্মেষ) Solutions is made for Bengali Medium Students. SEBA Class 7 Bengali Chapter 8 রূপান্তর Notes in Bengali. We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 7 Bengali (Unmesh) Solutions. If you learn PDF Then you can Download PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
SEBA Class 7 Bengali Chapter 8 রূপান্তর
Today’s We have Shared in This Post SEBA 7 Bengali (উন্মেষ) Question Answer. I Hope, you Liked The information About The SCERT Class 7 Unmesh (উন্মেষ) Textbook Question Answer. If you liked Class 7 Bengali Question Answer. Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
রূপান্তর
| ক্রিয়াকলাপ |
পাঠভিত্তিক:
১। নীচে দেওয়া প্রশ্নগুলির শুদ্ধ উত্তরটি বাছাই করে সঠিক বৃত্তটি পূরণ করো-
(a) সচেতনতা সভার বিষয়বস্তু কী ছিল?
(ক) পড়াশোনার প্রতি সচেতনতা।
(খ) শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রভাব।
(গ) ঋতুকালীন নিয়মনিতি।
(ঘ) ছাত্রের কর্তব্য।
উত্তরঃ (খ) শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রভাব।
(b) মন বাহাদুররা জাতীয় সংগীত গাওয়ার জন্য কেন যায়নি?
(ক) শিক্ষক না-থাকার জন্য।
(খ) শেষের ক্লাসের জন্য।
(গ) রিয়ার কান্নার জন্য।
(ঘ) বিশ্বাস স্যার শ্রেণি কক্ষে আসার জন্য।
উত্তরঃ (গ) রিয়ার কান্নার জন্য।
২। নীচে দেওয়া প্রশ্ন কয়টির উত্তর লেখো-
(ক) বিশ্বাস স্যার শ্রেণিকক্ষে কেন এসেছিলেন?
উত্তরঃ মন বাহাদুরদের জাতীয় সংগীত গাওয়ার জন্য ডাকতে বিশ্বাস স্যার শ্রেণিকক্ষে এসেছিলেন।
(খ) রিয়া শ্রেণিকক্ষে কেন কান্নাকাটি করেছিল?
উত্তরঃ রিয়ার পেট ব্যথা করছিল, শরীর খারাপ লাগছিল এবং কোনো এক অজানা কারণে সে ভীষণ ভয় পেয়েছিল, তাই সে শ্রেণিকক্ষে কান্নাকাটি করেছিল।
(গ) প্রধান শিক্ষয়িত্রী রিয়াকে কী বলে বুঝিয়েছিলেন?
উত্তরঃ প্রধান শিক্ষয়িত্রী রিয়াকে আশ্বস্ত করে বুঝিয়েছিলেন, “রিয়া, ভয়ের কিছুই নেই। সকল মেয়েরই এমনটা হয়। তোমার মায়েরও হয়, আমাদেরও হয়।” তিনি রিয়াকে আরও বলেছিলেন, “রিয়া, একটু পরেই তোমার মা আসবেন। তুমি কিছু চিন্তা কোরো না।” এবং তাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন, “এমন অবস্থায় তুমি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে থাকবে। পেট ব্যথা করলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেবে।”
(ঘ) ‘আমাদের নিয়ম-নীতি মানতে হয়, কিন্তু অযৌক্তিক নিয়ম-নীতি আমাদের ক্ষতিই করে-এই কথাটি কে কাকে বলেছিলেন?
উত্তরঃ এই কথাটি প্রধান শিক্ষয়িত্রী রিয়ার মাকে বলেছিলেন।
(ঙ) নাটকটিতে কয়টি ও কী কী চরিত্র আছে?
উত্তরঃ নাটকটিতে মূল ৯টি চরিত্র (চরিত্র-সমষ্টিসহ) রয়েছে যাদের সংলাপ পাঠ্যবইয়ে দেওয়া আছে।
চরিত্রগুলো হলো:
(i) দীপক বিশ্বাস।
(ii) মন বাহাদুর।
(iii) পারভিন।
(iv) রিয়া।
(v) প্রধান শিক্ষয়িত্রী।
(vi) শিল্পী রায়।
(vii) রিয়ার মা।
(viii) ডা. জবা বড়ো।
(ix) ছাত্র-ছাত্রীরা।
এছাড়াও নাটকের প্রথম দৃশ্যের শেষে রিয়ার জেঠিমার উপস্থিতির কথা উল্লেখ আছে, তবে তাঁর কোনো নিজস্ব সংলাপ নেই।
৩। আলোচনা করে লেখো-
(ক) স্কুলে স্বাস্থ্য সচেতনতা সভা কেন আয়োজন করা হয়েছিল?
উত্তরঃ স্কুলে ‘স্বাস্থ্য সচেতনতা সভা’ আয়োজন করা হয়েছিল মূলত ছাত্র-ছাত্রীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করার উদ্দেশ্যে। এই সভার মাধ্যমে বয়ঃসন্ধিকালে শরীরে ও মনে আসা বিভিন্ন পরিবর্তন নিয়ে খোলামেলা আলোচনার সুযোগ তৈরি করা হয়েছিল, যাতে ছাত্র-ছাত্রীদের মনের অজ্ঞানতা, কৌতূহল, অন্ধবিশ্বাস এবং কুসংস্কার দূর হয়। এছাড়া, অযৌক্তিক নিয়ম-নীতি মেনে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকলে কীভাবে জীবাণু সংক্রমণের মাধ্যমে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে, সে বিষয়ে ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের সতর্ক করা এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসা ও পরিচর্যার প্রয়োজনীয়তা বুঝিয়ে একটি সুস্থ জীবনের পথ দেখানোই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
(খ) তোমরা যে-নাটকটি পড়লে সেটির নাম ‘রূপান্তর’। নামকরণটি সঠিক হয়েছে কি না? তুমি অন্য নাম দিতে চাইলে কী নাম দিতে?
উত্তরঃ নাটকটির নাম ‘রূপান্তর’ রাখা সার্থক ও সঠিক হয়েছে বলে আমি মনে করি।
এর কারণগুলি হলো:
(i) শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন: নাটকে ডা. জবা বড়ো জানিয়েছেন যে, একটি নির্দিষ্ট বয়সে (বয়ঃসন্ধিকালে) ছেলে-মেয়েদের শরীর ও মনের কিছু পরিবর্তন ঘটে। এই প্রাকৃতিক পরিবর্তন বা রূপান্তরের বিষয়টি নাটকের মূল ভিত্তি।
(ii) চিন্তাধারার পরিবর্তন: নাটকের শুরুতে রিয়ার মা পুরোনো ও অযৌক্তিক নিয়ম-নীতি আঁকড়ে ধরেছিলেন। কিন্তু শিক্ষক এবং চিকিৎসকের পরামর্শে নাটকের শেষে তাঁর চিন্তাধারার আমূল পরিবর্তন ঘটে এবং তিনি বলেন, “আমার চোখ খুলে গিয়েছে দিদিমণি”। কুসংস্কার থেকে সচেতনতার এই উত্তরণই হলো প্রকৃত ‘রূপান্তর’।
(iii) সুস্থ জীবনের পথে যাত্রা: অন্ধকারাচ্ছন্ন পুরোনো নিয়ম ত্যাগ করে রিয়ারা যে “সুস্থ জীবনের দিকে” এগিয়ে যাওয়ার বার্তা পেয়েছে, তাও এক প্রকার রূপান্তরকে নির্দেশ করে।
অন্য নাম দিতে চাইলে আমি যে নামগুলো দিতাম:
(i) ‘সচেতনতা’ (যেহেতু পুরো নাটকটি স্বাস্থ্য সচেতনতা নিয়ে)।
(ii) ‘সুস্থ জীবনের পথ’ (যেহেতু নাটকটি শেষে সুস্থ জীবনের দিকনির্দেশ করে)।
(iii) ‘নতুন আলো’ (অজ্ঞতার অন্ধকার থেকে মুক্তির প্রতীক হিসেবে)।
(গ) নাটকটির শেষ দৃশ্যে ডা. জবা বোড়োর মুখের দ্বিতীয় সংলাপটির অর্থ বুঝিয়ে লেখো।
উত্তরঃ নাটকটির শেষ দৃশ্যে (বিদ্যালয় চত্বরে স্বাস্থ্য সচেতনতা সভা চলাকালীন) ডা. জবা বোড়োর মুখের দ্বিতীয় প্রধান সংলাপটি হলো— “খুব ভালো কথা। মুক্তভাবে আলোচনা করলে তা আমাদের অজ্ঞতা দূর করে এবং অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কার থেকে মুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রেও সাহায্য করে। আমাদের শরীর সম্পর্কে মুক্তভাবে আলোচনা না করার জন্য কখনো-বা আমাদের বিপদও হয়। অজ্ঞতার জন্য কখনো আমাদের চিকিৎসাধীন হতে হয়। বিভিন্ন নিয়ম-নীতির দোহাই দিয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকলে আমাদের জীবাণু সংক্রমণ হয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা আমাদের শরীর ও মনের ওপর খুব প্রভাব বিস্তার করে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা, পরিচর্যা ও ঔষধই আমাদের সুস্থ করে তোলে। তাই আমাদের কখনো পুরাতন অযৌক্তিক নিয়ম-নীতিকে আঁকড়ে রাখা উচিত নয়। তোমরা কথাগুলি বুঝতে পেরেছ তো?”।
এই সংলাপটির গূঢ় অর্থ নিচে বুঝিয়ে বলা হলো:
অজ্ঞতা ও কুসংস্কার দূরীকরণ: বয়ঃসন্ধিকালের শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করলে মনের জড়তা ও ভয় কেটে যায়, যা মানুষকে বিভিন্ন অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কার থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে।
স্বাস্থ্যের ঝুঁকি: নিজের শরীর সম্পর্কে সঠিক তথ্য না জানা বা আলোচনা না করা বিপদ ডেকে আনতে পারে। অজ্ঞতার কারণে অনেক সময় রোগ বেড়ে যায় এবং চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হয়।
অযৌক্তিক নিয়মের কুফল: পুরোনো বা অযৌক্তিক নিয়ম-নীতির অজুহাতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করলে শরীরে জীবাণু সংক্রমণের ভয় থাকে, যা স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করে।
সুস্থ জীবনের উপায়: শরীর ও মন ভালো রাখার জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অত্যন্ত জরুরি। রোগ হলে লুকানো উচিত নয়; বরং সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা, পরিচর্যা এবং ঔষধ গ্রহণ করলেই সুস্থ থাকা সম্ভব।
আহ্বান: ডা. জবা বোড়ো ছাত্র-ছাত্রীদের আহ্বান জানিয়েছেন যাতে তারা প্রাচীন ও ক্ষতিকর প্রথাগুলো ত্যাগ করে বিজ্ঞানসম্মত ও স্বাস্থ্যকর জীবনধারা বেছে নেয়।
(ঘ) নাটকটি সমাজে কী বার্তা দিয়েছে?
উত্তরঃ ‘রূপান্তর’ নাটকটি সমাজের প্রচলিত কুসংস্কার ও অন্ধবিশ্বাস দূর করার এক বলিষ্ঠ বার্তা দেয়। নাটকটির মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে, বয়ঃসন্ধিকালের প্রাকৃতিক পরিবর্তন নিয়ে লোকলজ্জার ভয়ে কুঁকড়ে না থেকে মুক্তভাবে আলোচনা করা প্রয়োজন, কারণ এই খোলামেলা আলোচনাই মনের যাবতীয় ভয় ও অজ্ঞতা দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়াও, নাটকটি সমাজকে সতর্ক করে যে, পুরোনো ও অযৌক্তিক নিয়ম-নীতির দোহাই দিয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকলে তা শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে এবং জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। সুস্থ থাকার জন্য ব্যক্তিগত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং রোগের ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও ওষুধের পরামর্শ নেওয়া একান্ত জরুরি। সর্বোপরি, অন্ধকারাচ্ছন্ন ক্ষতিকর প্রথাগুলো বিসর্জন দিয়ে বিজ্ঞানসম্মত ও স্বাস্থ্যকর জীবনধারা বেছে নেওয়ার মাধ্যমেই যে সমাজের প্রকৃত রূপান্তর সম্ভব, সেই মহান বার্তাই নাটকটিতে ফুটে উঠেছে।
৪। নীচের সংলাপগুলির সঙ্গে সঠিক চরিত্রগুলি মেলাও-
| সংলাপ | চরিত্র |
| ‘ঝামেলা? কী ঝামেলা বাঁধল আবার?’ | রিয়া |
| ‘দিদিমণি আমার কিছু একটা হয়েছে। ভীষণ ভয় লাগছে।’ | দীপক বিশ্বাস |
| ‘জানি না! আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।’ | শিল্পী রায় |
| ‘কী হয়েছে? কী হয়েছে? কোথায় আছে রিয়া?’ | প্রধান-শিক্ষয়িত্রী |
| ‘রিয়া কী করছে? আমরা ওর খবর নেবার জন্যই একটু এসেছি।’ | রিয়ার মা |
উত্তরঃ
| সংলাপ | চরিত্র |
| ‘ঝামেলা? কী ঝামেলা বাঁধল আবার?’ | প্রধান-শিক্ষয়িত্রী |
| ‘দিদিমণি আমার কিছু একটা হয়েছে। ভীষণ ভয় লাগছে।’ | রিয়া |
| ‘জানি না! আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।’ | রিয়ার মা |
| ‘কী হয়েছে? কী হয়েছে? কোথায় আছে রিয়া?’ | দীপক বিশ্বাস |
| ‘রিয়া কী করছে? আমরা ওর খবর নেবার জন্যই একটু এসেছি।’ | শিল্পী রায় |

Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.
YouTube Channel

Thank you so much sir ☺️
You Are Most Wlcm