SEBA Class 7 Bengali Chapter 11 ছাত্রের কর্তব্য Question Answer As Per SCERT New Syllabus Provided by the Roy Library. SCERT Class 7 Bengali (উন্মেষ) Solutions is made for Bengali Medium Students. SEBA Class 7 Bengali Chapter 11 ছাত্রের কর্তব্য Notes in Bengali. We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 7 Bengali (Unmesh) Solutions. If you learn PDF Then you can Download PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
SEBA Class 7 Bengali Chapter 11 ছাত্রের কর্তব্য
Today’s We have Shared in This Post SEBA 7 Bengali (উন্মেষ) Question Answer. I Hope, you Liked The information About The SCERT Class 7 Unmesh (উন্মেষ) Textbook Question Answer. If you liked Class 7 Bengali Question Answer. Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
ছাত্রের কর্তব্য
| ক্রিয়াকলাপ |
পাঠভিত্তিক
১। উত্তর দাও-
(ক) কার সমান ভালো বন্ধু বা সঙ্গী নেই?
উত্তরঃ বইয়ের মতো বিশ্বস্ত বন্ধু ও জ্ঞানী সঙ্গী আর কেউ নেই; বই আমাদের জ্ঞান দেয়, চিন্তার বিকাশ ঘটায় এবং জীবনের সঠিক পথ দেখায়।
(খ) কীসের মতো আনন্দ আর নেই?
উত্তরঃ বই পড়ার মতো আনন্দ আর কোথাও নেই; বই আমাদের কল্পনার জগতে ভ্রমণ করায়, নতুন জ্ঞান অর্জনের সুযোগ দেয় এবং মনকে নির্মল ও সমৃদ্ধ করে।
(গ) কীসের চেয়ে বড় জিনিস আর নেই?
উত্তরঃ জ্ঞানের চেয়ে বড় আর কিছুই নেই; জ্ঞান মানুষকে আলোকিত করে, সঠিক পথের সন্ধান দেয় এবং জীবনে সাফল্য অর্জনে সহায়তা করে।
(ঘ) কীসের চেয়ে বড় লজ্জার কথা আর নেই?
উত্তরঃ অবহেলা করে মূর্খ হয়ে থাকা।
(ঙ) ছাত্র-ছাত্রীরা মনে মনে কী হতে পারবে বলে প্রতিজ্ঞা করতে হবে?
উত্তরঃ আমি নানা বিষয়ে পারদর্শী হব।
(চ) শিক্ষার মূল লক্ষ্য কী?
উত্তরঃ বিদ্যার্জনে আগ্রহ।
২। ভেবে উত্তর দাও-
(ক) আলোচ্য পাঠে কাকে, কাকে মহান বলে উল্লেখ করা হয়েছে?
উত্তরঃ আলোচ্য পাঠের লিখিত অংশে সরাসরি কারো নাম উল্লেখ করা না থাকলেও, পাঠ্যবইয়ের শুরুতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ছবি দেওয়া হয়েছে। যাঁরা বিদ্যা অর্জন করে এবং মহৎ উদ্দেশ্য সিদ্ধ করার জন্য তপস্যা করে এই ধরাধামে ‘চিরস্মরণীয়’ হয়ে থাকেন, তাঁদেরই এখানে মহান ব্যক্তিত্বের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
(খ) লেখকের মতে কারা মূর্খ ও দরিদ্র হয়ে জীবনে অনেক দুঃখ-কষ্ট পায়?
উত্তরঃ লেখকের মতে, যারা ছাত্রজীবনে উপযুক্ত সময়ে নিজেদের করণীয় কাজগুলি নিষ্ঠার সঙ্গে করে না, তাদের ভবিষ্যৎ জীবন সঠিক পথে গতি করে না। যারা বিদ্যা অর্জনকে ‘তপস্যা’ হিসেবে গণ্য করতে চায় না এবং বিদ্যালয়কে কেবল খেলাধুলা বা সময় কাটানোর জায়গা বলে মনে করে, তাদের কোনো উপকার হয় না। যাদের মনে জ্ঞান অর্জনের প্রতি দৃঢ় প্রতিজ্ঞা বা গভীর পিপাসা নেই এবং যারা সামান্য লেখাপড়া শিখে কেবল ছোটখাটো কাজ পেতে চায়, তাদের প্রকৃত বিদ্যার্জন হয় না বললেই চলে। সর্বোপরি, বিদ্যা শেখার উপায় ও শক্তি থাকা সত্ত্বেও যারা অবহেলা করে মূর্খ হয়ে থাকে, তারাই ভবিষ্যতে মূর্খ ও দরিদ্র হয়ে জীবনে অনেক দুঃখ-কষ্ট পায়।
৩। পাঠের নিরিখে শূন্যস্থান পূর্ণ করো-
(ক) একাগ্র মনে ________ করা প্রয়োজন।
উত্তরঃ বিদ্যাশিক্ষা।
(খ) বই আমাদের ________।
উত্তরঃ দিব্য চক্ষু।
(গ) অবশ্য সব বিদ্যায় সমান ________ হওয়া কঠিন।
উত্তরঃ দক্ষ।
৪। লেখক কেন বলেছেন শুধু বইয়ের পাতা ওলটালেই হবে না, সেটি বুঝিয়ে লেখো।
উত্তরঃ শুধু বইয়ের পাতা ওলটালেই প্রকৃত পড়া হয় না— তাকে ভালোভাবে বুঝতে ও আলোচনা করতে হয়। পড়তে গিয়ে যে-গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো পাওয়া যায় সেগুলো সংক্ষেপে লিখে রাখা উচিত এবং পড়া ঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করে দেখা দরকার। এছাড়া পড়ার সময় অন্য কোনো দিকে মন না দিয়ে যে-বই বা যে-বিষয় পড়া হচ্ছে, তাতে পুরোপুরি দক্ষ না-হওয়া পর্যন্ত থামা উচিত নয়। মূলত বিদ্যাকে সঠিকভাবে আয়ত্ত করার জন্যই লেখক কেবল পাতা ওলটানোর পরিবর্তে বিষয়বস্তু গভীরভাবে বোঝার ওপর জোর দিয়েছেন।
৫। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বই পড়ার কী কী ফলপ্রসূ উপায় লেখক বলেছেন সেটা লেখো।
উত্তরঃ ছাত্র-ছাত্রীদের বই পড়ার ফলপ্রসূ উপায় হিসেবে লেখক বলেছেন যে, বইগুলো মনোযোগ দিয়ে এবং সকল সংশয় দূর করে পড়া উচিত। যে-বই বা যে-বিষয় পড়া হচ্ছে তাতে পুরোপুরি দক্ষ না-হওয়া পর্যন্ত থামা উচিত নয় এবং পড়ার সময় অন্য কোনো দিকে মন দেওয়া যাবে না। পড়ার বিষয়গুলো একবার দু’বার করে লিখে নিলে তা যেমন বেশি মনে থাকে, তেমনি শুধু বইয়ের পাতা না ওলটে তাকে ভালোভাবে বুঝতে ও আলোচনা করতে হয়। পড়তে গিয়ে যে-গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো পাওয়া যায় সেগুলো সংক্ষেপে লিখে রাখা এবং পড়া ঠিকভাবে হচ্ছে কি না তা নিয়মিত পরীক্ষা করে দেখা প্রয়োজন। এছাড়া স্কুল ছাড়ার পরেও যেন পড়ার অভ্যাস একইভাবে বজায় রাখা হয়, সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে।
৬। তুমি যে-অভিপ্রায় নিয়ে স্কুলে এসেছ সেগুলো পাশের বাক্সে চিহ্ন (✓) দাও-
- তোমার অনেক বিদ্যার্জন হবে।
- অনেক অর্থ, সম্মান ও যশ বাড়বে।
- মা-বাবা, ভাই-বন্ধু, দেশের সবাই তোমার কাছ থেকে সন্তুষ্টি পাবে।
- তুমি সর্বগুণসম্পন্ন হয়ে ইহকাল ও পরকালে অপার সুখ লাভ করবে।
উত্তরঃ বিদ্যালয়ে আসার অভিপ্রায় সম্পর্কে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, তার ভিত্তিতে সঠিক উত্তরগুলো নিচে চিহ্ন (✓) দিয়ে দেখানো হলো:
[✓] তোমার অনেক বিদ্যার্জন হবে।
[✓] অনেক অর্থ, সম্মান ও যশ বাড়বে।
[✓] মা-বাবা, ভাই-বন্ধু, দেশের সবাই তোমার কাছ থেকে সন্তুষ্টি পাবে।
৭। নীচের বাক্য কয়টি মনোযোগ দিয়ে পড়ো, ভাবো এবং বুঝিয়ে লেখো-
(ক) সময় খুব মূল্যবান।
উত্তরঃ উপযুক্ত সময়ে আমাদের করণীয় কাজগুলি নিষ্ঠার সঙ্গে করা দরকার। যদি সঠিক সময়ে উপযুক্ত কাজ না করা হয়, তাহলে ভবিষ্যৎ জীবন সঠিক পথে গতি করে না। এছাড়া যারা বিদ্যালয়কে কেবল খেলাধুলা বা সময় কাটানোর জায়গা বলে মনে করে, তাদের কোনো উপকার হয় না। মূলত ভবিষ্যৎ জীবনকে সঠিক পথে চালিত করার জন্যই সময় অত্যন্ত মূল্যবান।
(খ) বই আমাদের দিব্য চক্ষু।
উত্তরঃ যে যত বেশি বইপত্র পড়ে, তার তত বেশি জ্ঞান ও বুদ্ধি বাড়ে। বই পড়ার মাধ্যমে মনের সকল সংশয় দূর হয় এবং মানুষ সাহিত্য, বিজ্ঞান, ইতিহাসসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় বিদ্যা ও দক্ষতা অর্জন করতে পারে। এই অর্জিত জ্ঞানের সাহায্যেই মানুষ জীবনে সুখ, ঐশ্বর্য ও খ্যাতি লাভ করে এবং সংসারে সবচেয়ে সুখী হতে পারে। মূলত বই মানুষের ভেতরের জ্ঞানের আলো জ্বালিয়ে জগতকে দেখার ও বোঝার ক্ষমতা দেয় বলেই একে ‘দিব্য চক্ষু’ বলা হয়েছে।
(গ) মানুষের অসাধ্য কিছু নেই।
উত্তরঃ মহৎ উদ্দেশ্য সিদ্ধ হওয়া বা অনেক বিদ্যা শেখা খুব কঠিন মনে হলেও মানুষের পক্ষে অসম্ভব কিছুই নেই। লেখক উল্লেখ করেছেন যে, কিছুসংখ্যক মানুষ যে-কাজ সম্পন্ন করেছে, অন্য মানুষও চেষ্টা করলে তা করতে পারে। মূলত চেষ্টা করলে মানুষ করতে পারে না এমন কোনো কাজ নেই বলেই পাঠ্যাংশে একে অসাধ্য কিছু নেই বলে অভিহিত করা হয়েছে।

Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.
YouTube Channel