SEBA Class 7 Bengali Chapter 12 আত্মরক্ষা Question Answer As Per SCERT New Syllabus Provided by the Roy Library. SCERT Class 7 Bengali (উন্মেষ) Solutions is made for Bengali Medium Students. SEBA Class 7 Bengali Chapter 12 আত্মরক্ষা Notes in Bengali. We ensure that You can completely trust this content. SCERT Class 7 Bengali (Unmesh) Solutions. If you learn PDF Then you can Download PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
SEBA Class 7 Bengali Chapter 12 আত্মরক্ষা
Today’s We have Shared in This Post SEBA 7 Bengali (উন্মেষ) Question Answer. I Hope, you Liked The information About The SCERT Class 7 Unmesh (উন্মেষ) Textbook Question Answer. If you liked SCERT Class 7 Bengali Question Answer. Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
আত্মরক্ষা
| ক্রিয়াকলাপ |
পাঠভিত্তিক
১। শূন্যস্থান পূরণ করো-
(ক) সুমনের বাবা পেশায় একজন __________ ছিলেন।
উত্তরঃ ব্যবসায়ী।
(খ) সুমনদের প্রতিবেশী সৌরভ দাদা সদ্য __________ যোগদান করেছে।
উত্তরঃ সেনাবাহিনীতে।
(গ) আত্মরক্ষা শব্দটি রত্না দিদিমণির পর __________ র জন্য কাকুর মুখে সে শুনতে পেল।
উত্তরঃ দ্বিতীয়বার।
(ঘ) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য __________ খাওয়া দরকার।
উত্তরঃ ফল-মূল।
২। নীচের প্রশ্নগুলোর উত্তর বলো ও লেখো-
(ক) স্বপ্ন সফল করতে হলে কীসের প্রয়োজন বলে আলোচ্য পাঠে বলা হয়েছে?
উত্তরঃ মানুষের জীবনের স্বপ্ন সফল করতে হলে (যেমন— সুমনের মতো নির্ভীক পুলিশ অফিসার হতে চাইলে) সবার আগে একটি অটুট শরীরের অধিকারী হওয়া প্রয়োজন। শরীর যদি শক্তিশালী না হয় এবং সুস্বাস্থ্য বজায় না থাকে, তবে কোনো বড় লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব নয়। তাই শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মানুবর্তিতা মেনে চলাই হলো স্বপ্ন পূরণের মূল ভিত্তি, কারণ ‘স্বাস্থ্যের সুরক্ষাই জীবনের মূল কথা’।
(খ) আত্মরক্ষা বলতে কী বোঝ?
উত্তরঃ সাধারণ অর্থে আত্মরক্ষা মানে হলো নিজেকে সুরক্ষা দেবার কাজ। মানুষ যখন কোনো বিপদে পড়ে, তখন সে স্বাভাবিক নিয়মেই নিজেকে রক্ষা করার আপ্রাণ চেষ্টা করে। এই বিপদ বিভিন্নভাবে আসতে পারে— যেমন কোনো অসাধু মানুষের আক্রমণ অথবা অসুখ-বিসুখ ও নানাবিধ শারীরিক ও মানসিক সমস্যা, যা মানুষকে দুর্বল করে দেয়। এরকম প্রতিটি প্রতিকূল পরিস্থিতিতে নিজেকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখার সচেতন চেষ্টাই হলো আত্মরক্ষা।
(গ) ‘বৌদি, আমাদের ছেলে-মেয়েদের আত্মরক্ষার কৌশল শেখাতে হবে।’- এ-কথা কে কাকে বলেছিলেন?
উত্তরঃ এই কথাটি সুমনের বাবার বন্ধু এবং স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার মনোজ কাকু সুমনের মাকে বলেছিলেন। শহরের ছোট-ছোট ছেলে-মেয়েদের অপহরণের খবর শুনে তিনি অত্যন্ত চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন এবং পরিবারের শিশুদের সুরক্ষার কথা ভেবেই তিনি এই পরামর্শ দিয়েছিলেন।
(ঘ) সুমন কী পড়তে ভালোবাসত?
উত্তরঃ সুমন গল্পের বই পড়তে খুব ভালোবাসত। বিশেষ করে দুঃসাহসিক অভিযানের কাহিনিগুলো তাকে সবসময়ই দারুণভাবে রোমাঞ্চিত করত। এই ধরনের রোমাঞ্চকর গল্প পড়েই তার মনে বড় হয়ে মানুষের সেবা ও সুরক্ষা করার ইচ্ছা জেগেছিল।
(ঙ) আলোচ্য গল্পে স্নেহপূর্ণ ও রসিক ব্যক্তি বলে কাকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ আলোচ্য গল্পে স্থানীয় চিকিৎসক ডাক্তার চৌধুরীকে একজন অত্যন্ত স্নেহময় ও রসিক ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি কেবল ওষুধ দিয়েই রোগ সারাতেন না, বরং তাঁর ব্যবহারের মাধ্যমেই রোগীর অর্ধেক অসুখ ভালো হয়ে যেত বলে মনে হতো। সুমনের চিকিৎসার সময় তিনি তার গাল টিপে আদর করে যেভাবে জীবন গড়ার ও সুস্বাস্থ্যের পরামর্শ দিয়েছিলেন, তা থেকেই তাঁর রসিক ও স্নেহপ্রবণ স্বভাবের পরিচয় পাওয়া যায়।
৩। নীচের প্রশ্নগুলোর উত্তর আলোচনা করে লেখো-
(ক) রত্না ঘোষ দিদিমণি জীবনের লক্ষ্যের বিষয়ে সুমনদের শ্রেণিতে কী বলেছিলেন?
উত্তরঃ বিদ্যালয়ের নতুন শিক্ষিকা রত্না ঘোষ দিদিমণি জীবনের লক্ষ্যের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে বলেছিলেন— ‘লক্ষ্যহীন জীবন বইঠাহীন নৌকোর মতো’। অর্থাৎ, বৈঠা ছাড়া নৌকো যেমন দিক হারিয়ে ফেলে, তেমনি নির্দিষ্ট লক্ষ্য না থাকলে মানুষের জীবনও দিশাহীন হয়ে পড়ে। তিনি আরও বলেছিলেন যে, ছেলে ও মেয়েদের সমানভাবে এগিয়ে যেতে হবে এবং আত্মরক্ষার জন্য শারীরিক কসরৎ ও ক্যারাটের মতো কৌশল শেখা অত্যন্ত জরুরি।
(খ) সুমন কেন পুলিশ অফিসার হবে বলে ভেবেছিল? এই প্রেরণা সে কার কাছ থেকে পেয়েছিল?
উত্তরঃ সুমন ছোটবেলা থেকেই দুঃসাহসিক অভিযানের গল্প পড়তে ভালোবাসত এবং মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখত। সে ভেবেছিল পুলিশ অফিসার হয়ে সে ছোট-ছোট ছেলে-মেয়েদের সুরক্ষা সুনি নিশ্চিত করবে। সে এই মহান কাজের প্রেরণা পেয়েছিল তার বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধু মনোজ কাকুর কাছ থেকে, যিনি নিজেও একজন পুলিশ অফিসার ছিলেন এবং সমাজের সুরক্ষায় নিয়োজিত থাকতেন।
(গ) দেশের সৈনিকদের প্রতি সুমনের মনে কীসের জন্য কৃতজ্ঞতার ভাব জেগেছিল?
উত্তরঃ দেশের সীমান্তে কাশ্মীর থেকে শুরু করে বিভিন্ন দুর্গম ও প্রতিকূল স্থানে আমাদের সুরক্ষা বাহিনীর সৈনিকরা দিন-রাত অতন্দ্র পাহারা দেন। তাঁদের এই আত্মত্যাগ এবং নিরলস পাহারার কারণেই দেশের সাধারণ মানুষ নিজেদের নিরাপদ ও সুরক্ষিত অনুভব করতে পারে। সীমান্তের এই অতন্দ্র প্রহরীদের কঠোর পরিশ্রম ও দেশপ্রেমের কথা চিন্তা করেই সুমনের মন তাঁদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতায় ভরে উঠেছিল।
(ঘ) সুস্বাস্থ্যের জন্য আমাদের কী কী উপায় অবলম্বন করা উচিত?
উত্তরঃ সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রধানত আমাদের খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা উচিত। সুস্বাস্থ্যের জন্য মরশুমি ফল-মূল ও প্রচুর পরিমাণে শাক-সবজি খাওয়া একান্ত প্রয়োজন। অন্যদিকে, বাজারের প্রচলিত মুখরোচক খাবার বা জাঙ্ক ফুড বর্জন করা উচিত কারণ এগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। এছাড়া নিয়মিত শারীরিক কসরৎ, খেলাধুলা ও ব্যায়াম করার মাধ্যমে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো এবং শরীরকে শক্তিশালী রাখা উচিত।
(ঙ) স্বাস্থ্যের সুরক্ষাই জীবনের মূল কথা- এর সপক্ষে তিনটি যুক্তি দাও।
উত্তরঃ ‘স্বাস্থ্যের সুরক্ষাই জীবনের মূল কথা’— এই বক্তব্যের সপক্ষে তিনটি জোরালো যুক্তি হলো-
১। লক্ষ্য অর্জন: জীবনের যেকোনো বড় লক্ষ্য বা স্বপ্ন পূরণ করতে হলে (যেমন— পুলিশ বা সেনা হওয়া) একটি অটুট ও শক্তিশালী শরীরের প্রয়োজন।
২। রোগ প্রতিরোধ: স্বাস্থ্য সচেতন না হলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, যার ফলে মানুষ সহজেই অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তার কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।
৩। সম্পদ হিসেবে স্বাস্থ্য: প্রবাদ আছে— ‘স্বাস্থ্যই সম্পদ’; সুস্থ মন ও শরীরের মাধ্যমেই মানুষ জীবনের পথে সফলভাবে এগিয়ে যেতে পারে, তাই জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে স্বাস্থ্যের সুরক্ষাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
৪। সপ্রসঙ্গ ব্যাখ্যা করো-
(ক) লক্ষ্যহীন জীবন বইঠাহীন নৌকোর মতো।
উত্তরঃ প্রসঙ্গ: এই উক্তিটি রত্না ঘোষ দিদিমণি বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ছাত্র-ছাত্রীদের জীবনের লক্ষ্যের প্রয়োজনীয়তা বোঝাতে গিয়ে বলেছিলেন।
ব্যাখ্যা: একটি নৌকোকে সঠিক গন্তব্যে নিয়ে যাওয়ার জন্য যেমন বৈঠা ব্যবহার করে তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, বৈঠা ছাড়া নৌকো যেমন স্রোতে ভেসে গিয়ে দিক হারিয়ে ফেলে, মানুষের জীবনও ঠিক তেমনি। জীবনের যদি কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য না থাকে, তবে সেই মানুষটি জীবনে সফল হতে পারে না এবং তার পরিশ্রম বৃথা যায়। তাই জীবনে উন্নতি করতে হলে প্রতিটি মানুষের একটি সঠিক লক্ষ্য থাকা দরকার, যা তাকে সঠিক পথে পরিচালিত করবে।
(খ) স্বাস্থ্যই সম্পদ।
উত্তরঃ প্রসঙ্গ: আলোচ্য উক্তিটি স্থানীয় চিকিৎসক এবং অত্যন্ত স্নেহময় ও রসিক ব্যক্তি ডাক্তার চৌধুরী সুমনের চিকিৎসার সময় তাকে জীবনের পাঠ দিতে গিয়ে বলেছিলেন। সুমন যখন বৃষ্টিতে ভিজে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে শয্যাশায়ী ছিল, তখন তার পুলিশ অফিসার হওয়ার স্বপ্ন পূরণের পথে সুস্বাস্থ্যের গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে তিনি এই কথাটি বলেন।
ব্যাখ্যা: মানুষের জীবনে পার্থিব ধন-সম্পদের চেয়েও শরীরের সুস্থতা অনেক বেশি মূল্যবান, তাই স্বাস্থ্যকে প্রকৃত ‘সম্পদ’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। ডাক্তার চৌধুরীর মতে, কোনো বড় স্বপ্ন সফল করতে হলে বা নির্ভীক সৈনিক বা পুলিশ হতে গেলে সবার আগে একটি অটুট শরীরের অধিকারী হওয়া একান্ত প্রয়োজন। শরীর ভালো না থাকলে মানুষ কোনোভাবেই শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে না এবং তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। বর্তমান সময়ের ছেলে-মেয়েরা বাজারের মুখরোচক খাবারের প্রতি আকৃষ্ট হওয়ায় তাদের শরীর দুর্বল হয়ে পড়ছে, তাই তাদের উচিত মরশুমি ফল-মূল ও শাক-সবজি খেয়ে এবং নিয়মিত শরীরচর্চার মাধ্যমে এই ‘স্বাস্থ্য’ নামক সম্পদকে রক্ষা করা। কারণ স্বাস্থ্যের সুরক্ষাই জীবনের মূল কথা এবং একটি সুস্থ শরীরই মানুষকে জীবনের সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দিতে পারে।
৫। ‘আজকালের ছেলে-মেয়েরা মরশুমি ফল-মূল খায় না, শাক-সবজি খায় না। বাজারে প্রচলিত মুখরোচক খাদ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একেবারে শেষ হয়ে গেছে।’- এই কথাগুলো কে কাকে কেন বলেছিলেন? বুঝিয়ে লেখো।
উত্তরঃ এই কথাগুলো স্থানীয় চিকিৎসক ডাক্তার চৌধুরী সুমনের বাবাকে বলেছিলেন।
একদিন স্কুল থেকে ফেরার পথে সুমন বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ি আসায় তার তীব্র জ্বর উঠেছিল। পরদিন সকাল থেকে তার পেটে ব্যথা শুরু হলে কোনো উপায় না-পেয়ে সুমনের বাবা ডাক্তার চৌধুরীকে বাড়িতে ডেকে আনেন। ডাক্তারবাবু যখন ওষুধের নামগুলো খসখস করে লিখছিলেন, তখনই তিনি সুমনের অসুস্থতার প্রেক্ষাপটে এই কথাগুলো বলেন।
ডাক্তার চৌধুরী একজন অভিজ্ঞ ও রসিক ব্যক্তি ছিলেন। তিনি লক্ষ্য করেছিলেন যে, বর্তমান সময়ের ছেলে-মেয়েরা বাড়ির পুষ্টিকর খাবার যেমন— টাটকা মরশুমি ফল-মূল বা শাক- সবজি খেতে চায় না। পরিবর্তে তারা বাজারের অস্বাস্থ্যকর ও কৃত্রিম মুখরোচক খাদ্যের প্রতি বেশি আসক্ত হয়ে পড়েছে। এর ফলে তাদের শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং তারা খুব সহজেই রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ছে। ডাক্তারবাবুর মতে, সুমনের মতো যারা ভবিষ্যতে পুলিশ বা সেনা অফিসার হওয়ার স্বপ্ন দেখে, তাদের জন্য একটি অটুট শরীরের অধিকারী হওয়া এবং সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। তাই তিনি সুমনের বাবাকে খাদ্যাভ্যাসের কুফল সম্পর্কে সচেতন করতে এবং পরোক্ষভাবে সুমনকে সঠিক খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্ব বোঝাতে এই মন্তব্যটি করেছিলেন।

Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.
YouTube Channel