SEBA Class 6 Charitra Path Chapter 4 সকল মানুষের প্রতি সমব্যবহার

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 6 Charitra Path Chapter 4 সকল মানুষের প্রতি সমব্যবহার Question Answer Bengali Medium As Per SCERT New Syllabus Provided by the Roy Library. SCERT Class 6 Charitra Path Solutions Bengali Medium is made for Bengali Medium Students. SEBA Class 6 Charitra Path Chapter 4 সকল মানুষের প্রতি সমব্যবহার Notes in Bengali. We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 6 Charitra Path Chapter 4 সকল মানুষের প্রতি সমব্যবহার Solutions. If you learn PDF Then you can Download PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

WhatsApp Channel
Join Now
Telegram Channel
Join Now
YouTube Channel
Subscribe

SEBA Class 6 Charitra Path Chapter 4 সকল মানুষের প্রতি সমব্যবহার

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 6 Charitra Path (চরিত্র পাঠ) Question Answer in Bengali. I Hope, you Liked The information About The SCERT Class 6 Charitra Path Textbook Question Answer. If you liked SEBA Charitra Path Class 6 Bengali Medium Question Answer. Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

অনুশীলনী

1. শিষ্টাচার কাকে বলে?

উত্তরঃ শিষ্টাচার হলো এক ধরনের উত্তম আচরণ বা ভদ্র ব্যবহার।

2. সকলের প্রতি কেন আমাদের সমান ব্যবহার থাকা উচিত?

উত্তরঃ সমাজে হিতের জন্য করা সমস্ত কাজই সম্মানজনক এবং সমাজে হিতকর কোনো কাজই হীন নয়। কেউই হীন হতে পারে না এবং একজন মানুষের প্রাপ্য সম্মান থেকে সে বঞ্চিত হতে পারে না। যেমন, একজন শিক্ষক মানুষের মানসিক উন্নতিতে সাহায্য করেন এবং একজন সাফাইকর্মী আমাদের শারীরিক স্বাস্থ্যের রক্ষা করেন; তাই সাফাইকর্মী বা অধ্যাপকের প্রতি সম্মানের তফাত করা উচিত নয় এবং সকলের প্রতি আমাদের সমান ব্যবহার থাকা উচিত।

3. শারীরিক পরিশ্রমের মর্যাদা বুঝিয়ে বলো।

উত্তরঃ শারীরিক পরিশ্রম করলে নিজের মান যায় না, বরং এটি আমাদের সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য। শারীরিক পরিশ্রম না করলে কেউ সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে পারে না এবং এর মাধ্যমেই আমাদের শরীর, মস্তিষ্ক ও চরিত্রের যথার্থ বিকাশ ঘটে। কোনো দেশ বা সমাজের উন্নতির জন্য শারীরিক পরিশ্রম অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, কারণ শারীরিক পরিশ্রম ছাড়া মানবসম্পদ রক্ষা করা বা বৃদ্ধি করা সম্ভব নয়। অনেকে মনে করেন শারীরিক পরিশ্রম না করে অন্যের উপার্জিত অর্থে আয়েশে বেঁচে থাকার মধ্যে মান আছে, কিন্তু এই ভ্রান্ত ধারণা পরিত্যাগ করে শারীরিক পরিশ্রমের মর্যাদা বুঝতে হবে। মহাত্মা গান্ধী নিজে আশ্রমের টয়লেট পরিষ্কার করার মতো কাজ করে হাতে-কলমে শারীরিক পরিশ্রমের মর্যাদা সকলকে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন।

4. গান্ধীজি সকলের প্রতি সমান ব্যবহার এবং শারীরিক পরিশ্রমের মর্যাদা কীভাবে নিজের জীবনে দেখিয়েছিলেন বর্ণনা করো।

উত্তরঃ মহাত্মা গান্ধী তাঁর আচরণের মাধ্যমে শারীরিক পরিশ্রমের মর্যাদা ও সকলের প্রতি সমান ব্যবহারের আদর্শ হাতে-কলমে দেখিয়েছিলেন। তিনি যখন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতনে গিয়েছিলেন, তখন সেখানকার আশ্রমবাসী ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকদের স্বাবলম্বন এবং দৈহিক পরিশ্রমের শিক্ষা দেওয়ার জন্য নিজের কাজ নিজে করার প্রস্তাব দেন। গান্ধীজি যখন নিজে আশ্রমের টয়লেট পরিষ্কার করার মতো কাজ শুরু করেন, তখন সকলে বিস্ময়ে অভিভূত হয়েছিলেন। এই কাজের মাধ্যমে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছিলেন যে সমাজে কোনো কাজই হীন নয় এবং পরিশ্রমের মাধ্যমেই চরিত্রের যথার্থ বিকাশ ঘটে। এভাবেই তিনি নিজের জীবনের আচরণের দ্বারা প্রমাণ করেছিলেন যে সকল মানুষের কাজই সম্মানজনক এবং সকলের প্রতি আমাদের সমান ব্যবহার থাকা উচিত।

ADDITIONAL QUESTION ANSWER

অতি সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (Mark – 1)

1. শিষ্টাচার কাকে বলে? 

উত্তরঃ শিষ্টাচার হলো এক ধরনের উত্তম আচরণ বা ভদ্র ব্যবহার।

2. অন্যের প্রতি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের কেমন হওয়া উচিত? 

উত্তরঃ অন্যের প্রতি ব্যবহারে আমাদের বিনয়ী হওয়া উচিত।

3. বিনয়ের অভাবে মানুষ অন্যের থেকে কী লাভ করতে পারে না? 

উত্তরঃ বিনয়ের অভাবে মানুষ অন্য মানুষের চোখে সহানুভূতি লাভ করতে পারে না।

4. আমেরিকার মনীষী বেনজামিন ফ্র্যাঙ্কলিন কার জীবনী পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন? 

উত্তরঃ তিনি নিজের আত্মজীবনী পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন যাতে মানুষ ভালো ব্যবহার সম্পর্কে শিখতে পারে।

সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্ন (Mark – 2/3)

9. ভালো আচরণ দেখানোর আগে আমাদের কী হওয়া উচিত এবং কেন? 

উত্তরঃ ভালো আচরণ দেখানোর আগে আমাদের ভালো গুণের অধিকারী হতে হবে। কারণ ভেতর ভালো না হলে বাইরে ভালো আচরণ প্রকাশ পায় না এবং মানুষকে শ্রদ্ধা করা বা ভালো ব্যবহারের বিষয়টি ভেতর থেকেই আসতে হয়।

10. কথা বলার সময় নিজের মত কীভাবে প্রকাশ করা উচিত? 

উত্তরঃ কথা বলার সময় “আমার মনে হয়”, “আমার ধারণা”, “কথাটি এ ধরনের হতে পারে” বা “কথাটি সম্ভবত এ রকম হচ্ছে”—এভাবে মার্জিতভাবে নিজের মত প্রকাশ করা উচিত।

11. শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে মানুষের কিসের বিকাশ ঘটে? 

উত্তরঃ শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে আমাদের শরীর, মস্তিষ্ক ও চরিত্রের যথার্থ বিকাশ ঘটে। এটি ছাড়া মানবসম্পদ রক্ষা করা বা বৃদ্ধি করা সম্ভব নয়।

12. শারীরিক পরিশ্রম সম্পর্কে সমাজে প্রচলিত ভুল ধারণাটি কী? 

উত্তরঃ শারীরিক পরিশ্রম সম্পর্কে ভুল ধারণাটি হলো যে শারীরিক পরিশ্রম করলে নিজের মান যায়। অনেকে মনে করেন পরিশ্রম না করে অন্যের উপার্জিত অর্থে আয়েশে বেঁচে থাকার মধ্যেই মান আছে, যা একটি ভ্রান্ত ধারণা।

দীর্ঘ উত্তরধর্মী প্রশ্ন (Mark – 5)

15. সমাজে হিতকর কোনো কাজই ‘হীন’ নয়—সাফাইকর্মী ও অধ্যাপকের উদাহরণের মাধ্যমে বুঝিয়ে বলো। 

উত্তরঃ সমাজে হিতের জন্য করা সব কাজই সম্মানজনক।একজন সাফাইকর্মী আমাদের শারীরিক স্বাস্থ্য রক্ষা করেন এবং একজন অধ্যাপক আমাদের মানসিক উন্নতিতে সাহায্য করেন; উভয়ের কাজই সমাজের জন্য অপরিহার্য। সাফাইকর্মীরা যদি কাজ ছেড়ে দেন, তবে অন্যদের সেই কাজ হাতে নিতে হবে। সুতরাং, সাফাইকর্মী বা অধ্যাপকের প্রতি সম্মানের তফাত করা উচিত নয় এবং সমাজের চোখে উভয়ই সমান হওয়া উচিত।

16. গান্ধীজি সকলের প্রতি সমান ব্যবহার এবং শারীরিক পরিশ্রমের মর্যাদা কীভাবে নিজের জীবনে দেখিয়েছিলেন বর্ণনা করো। 

উত্তরঃ মহাত্মা গান্ধী নিজের আচরণের দ্বারা পরিশ্রমের মর্যাদা বুঝিয়েছিলেন। শান্তিনিকেতনে গিয়ে তিনি ছাত্র-শিক্ষকদের নিজের কাজ নিজে করার কথা বলেন। গান্ধীজি যখন নিজে হাতে আশ্রমের টয়লেট পরিষ্কার করার মতো কাজ শুরু করেন, তখন সকলে বিস্ময়ে অভিভূত হয়েছিলেন। এই কাজের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছিলেন যে কোনো কাজই হীন নয় এবং দৈহিক পরিশ্রমের মাধ্যমেই শারীরিক ও মানসিক মর্যাদা বজায় থাকে।

MCQ

1. শিষ্টাচার হলো এক ধরনের— 

(ক) কঠোর শাসন। 

(খ) উত্তম আচরণ বা ভদ্র ব্যবহার।

(গ) উদাসীনতা। 

(ঘ) অহংকার।

উত্তরঃ (খ) উত্তম আচরণ বা ভদ্র ব্যবহার।

2. ভালো আচরণ দেখানোর আগে আমাদের কিসের অধিকারী হতে হবে? 

(ক) প্রচুর অর্থের। 

(খ) উচ্চ শিক্ষার। 

(গ) ভালো গুণের।

(ঘ) ক্ষমতার। 

উত্তরঃ (গ) ভালো গুণের।

3. অন্যের প্রতি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের কেমন হওয়া উচিত? 

(ক) উদ্ধত। 

(খ) গম্ভীর। 

(গ) বিনয়ী। 

(ঘ) উদাসীন।

উত্তরঃ (গ) বিনয়ী।

4. বিনয়ের অভাবে মানুষ অন্যের চোখে কী লাভ করতে পারে না? 

(ক) ঘৃণা।

(খ) সহানুভূতি। 

(গ) ভয়।

(ঘ) লজ্জা। 

উত্তরঃ (খ) সহানুভূতি।

5. আমেরিকার কোন মনীষী নিজের মত সংশোধনের জন্য আত্মজীবনী পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন? 

(ক) আব্রাহাম লিঙ্কন। 

(খ) জর্জ ওয়াশিংটন।

(গ) বেনজামিন ফ্র্যাঙ্কলিন। 

(ঘ) থমাস এডিসন। 

উত্তরঃ (গ) বেনজামিন ফ্র্যাঙ্কলিন।

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top