SEBA Class 7 Bengali Chapter 6 শ্রীকৃষ্ণ বিষয়ক দুটি পদ Question Answer As Per SCERT New Syllabus Provided by the Roy Library. SCERT Class 7 Bengali (উন্মেষ) Solutions is made for Bengali Medium Students. SEBA Class 7 Bengali Chapter 6 শ্রীকৃষ্ণ বিষয়ক দুটি পদ Notes in Bengali. We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 7 Bengali (Unmesh) Solutions. If you learn PDF Then you can Download PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
SEBA Class 7 Bengali Chapter 6 শ্রীকৃষ্ণ বিষয়ক দুটি পদ
Today’s We have Shared in This Post SEBA 7 Bengali (উন্মেষ) Question Answer. I Hope, you Liked The information About The SCERT Class 7 Unmesh (উন্মেষ) Textbook Question Answer. If you liked Class 7 Bengali Question Answer. Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
শ্রীকৃষ্ণ বিষয়ক দুটি পদ
| ক্রিয়াকলাপ |
পাঠভিত্তিক:
১। এসো, পাঠ্য বৈষ্ণব পদ-দুটি শুদ্ধ উচ্চারণে স্পষ্টভাবে পড়তে শিখি।
উত্তরঃ ছাত্র-ছাত্রীরা নিজে চেষ্টা করো।
২। এসো, শূন্যস্থানে পাঠ্য বৈষ্ণব পদ থেকে উপযুক্ত শব্দ বসাই-
(ক) ‘নিকটে ________ রেখো ________ লে শিঙাতে ডেকো
ঘরে থাকি’ শুনি যেন রব।’
উত্তরঃ গোধন, মা।
(খ) ‘________ ধাইবে আগে আর শিশু বাম ________
মাঠে বড় রিপু-ভয় আছে।’
উত্তরঃ বলাই, ভাগে।
৩। পাঠ্য বৈষ্ণব পদ থেকে গৃহীত বামদিকের পঙ্ক্তিগুলির অর্থ ডানদিকে দেওয়া হয়েছে।
বামদিকের পঙ্ক্তির সঙ্গে ডানদিকের অর্থ দাগ টেনে মেলাই, এসো-
| পঙক্তি | অর্থ |
| (ক) বিহি কৈল গোপ-জাতি গোধন-পালন বৃত্তি | (ক) গোরুগুলিকে কাছে রেখে শিঙাতে ‘মা’ বলে ডেকো |
| (খ) নিকটে রাখিহ ধেনু পূরিহ মোহন বেণু | (খ) মায়ের অনুরোধ- গাছের ছায়ায় থেকো |
| (গ) থাকিহ তরুর ছায় মিনতি করিছে মায় | (গ) গোরুগুলিকে কাছে রেখে মোহনবাঁশি বাজিয়ো |
| (ঘ) নিকটে গোধন রেখো ‘মা’ বলে শিঙাতে ডেকো | (ঘ) ঈশ্বর আমাদের গোৱালা জাতি করছেন; গোপালন আমাদের জীবিকা |
উত্তরঃ
| পঙক্তি | অর্থ |
| (ক) বিহি কৈল গোপ-জাতি গোধন-পালন বৃত্তি | (ঘ) ঈশ্বর আমাদের গোৱালা জাতি করছেন; গোপালন আমাদের জীবিকা |
| (খ) নিকটে রাখিহ ধেনু পূরিহ মোহন বেণু | (গ) গোরুগুলিকে কাছে রেখে মোহনবাঁশি বাজিয়ো |
| (গ) থাকিহ তরুর ছায় মিনতি করিছে মায় | (খ) মায়ের অনুরোধ- গাছের ছায়ায় থেকো |
| (ঘ) নিকটে গোধন রেখো ‘মা’ বলে শিঙাতে ডেকো | (ক) গোরুগুলিকে কাছে রেখে শিঙাতে ‘মা’ বলে ডেকো |
৪। এসো, নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর লিখি-
(ক) ‘যশোদার মাতৃস্নেহ’ পদটিতে ‘গোপাল’ শব্দের দ্বারা কাকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ ‘যশোদার মাতৃস্নেহ’ পদটিতে ‘গোপাল’ শব্দের দ্বারা শ্রীকৃষ্ণ-কে বোঝানো হয়েছে।
(খ) ‘মিনতি করিয়ে তো সভারে’- এখানে কে অনুরোধ জানিয়েছেন?
উত্তরঃ ‘মিনতি করিয়ে তো সভারে’— এখানে যশোদা মাতা অনুরোধ জানিয়েছেন।
(গ) ‘শ্রীকৃষ্ণের বাল্যলীলা’ পদটিতে তাঁর কোন্ দু’জন সখার নাম উল্লেখ করা হয়েছে?
উত্তরঃ ‘শ্রীকৃষ্ণের বাল্যলীলা’ পদটিতে তাঁর শ্রীদাম ও সুদাম— এই দু’জন সখার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
(ঘ) শ্রীকৃষ্ণের দাদার নাম কী?
উত্তরঃ শ্রীকৃষ্ণের দাদার নাম বলরাম (পাঠ্যে তাঁকে ‘বলাই’ নামেও অভিহিত করা হয়েছে)।
(ঙ) গোপজাতির বৃত্তি কী?
উত্তরঃ গোপজাতির বৃত্তি হলো গোধন-পালন।
৫। এসো, নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর চিন্তা করে দেখি-
(ক) ‘গোপাল লইয়া না যাইহ দূরে’- শোদা কেন শ্রীকৃষ্ণকে নিয়ে দূরে যেতে বারণ করেছিলেন?
উত্তরঃ যশোদা শ্রীকৃষ্ণকে নিয়ে দূরে যেতে বারণ করেছিলেন কারণ বনের পথে যেতে গিয়ে শ্রীকৃষ্ণের কোমল ‘রাঙা পায়’ (লালচে পায়ে) যদি ‘নব তৃণাঙ্কুর’ (নতুন ঘাসের তীক্ষ্ণ ডগা) লেগে যায়, তবে মায়ের মন কোনো প্রবোধ বা সান্ত্বনা মানবে না। মূলত পুত্রের পায়ে আঘাত লাগার ভয় এবং তাঁর নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই যশোদা এমন বারণ করেছিলেন।
(খ) সখাদের সঙ্গে গোরু চরাতে যাওয়ার সময় যশোদা শ্রীকৃষ্ণকে কেন মাঝখানে রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন?
উত্তরঃ সখাদের সঙ্গে গোরু চরাতে যাওয়ার সময় যশোদা শ্রীকৃষ্ণকে মাঝখানে রাখার পরামর্শ দিয়েছিলেন যাতে সখারা তাঁকে চারপাশ থেকে ঘিরে রাখেন এবং এর ফলে তিনি নিরাপদে থাকেন। যশোদা মাতার ধারণা ছিল যে, মাঠে বড় রিপু-ভয় (শত্রুর ভয়) আছে, তাই শ্রীকৃষ্ণ যেন সখাদের সঙ্গ ছাড়া না হন এবং সুরক্ষিত থাকেন, সেই উদ্দেশ্যেই তিনি এই পরামর্শ দিয়েছিলেন।
(গ) ‘শ্রীকৃষ্ণের বাল্যলীলা’ পদটির শেষে কবি যাদবেন্দ্রদাস কী বলেছেন?\
উত্তরঃ ‘শ্রীকৃষ্ণের বাল্যলীলা’ পদটির শেষে কবি যাদবেন্দ্রদাস বলেছেন যে, তাঁকে যেন সঙ্গে নেওয়া হয় এবং শ্রীকৃষ্ণের রাঙা পায় (লালচে পায়ে) প্রয়োজন বুঝে পরিয়ে দেওয়ার জন্য তিনি যেন হাতে করে ‘বাধা পানই’ (বাঁধাধরা পাদুকা বা জুতো) নিয়ে যান। কবির ভাষায়— “যাদবেন্দ্র সঙ্গে লইও বাধা পানই হাতে থুইও বুঝিয়া জোগাবে রাঙা পায়।”
৬। বৈষ্ণব পদদুটিতে শ্রীকৃষ্ণের প্রতি স্নেহবশত যশোদা কী কী পরামর্শ দিয়েছেন, তা নিজের ভাষায় লেখো।
উত্তরঃ বলরামদাস ও যাদবেন্দ্রদাসের পদাবলিতে যশোদা মাতা শ্রীকৃষ্ণের প্রতি স্নেহবশত এবং তাঁর নিরাপত্তার কথা ভেবে একাধিক পরামর্শ দিয়েছেন। বনের পথে যাওয়ার সময় শ্রীকৃষ্ণের কোমল রাঙা পায়ে যেন নতুন ঘাসের তীক্ষ্ণ ডগা বা কুশাঙ্কুর না লাগে, সেজন্য তিনি কৃষ্ণকে দূরে যেতে বারণ করেছেন। মাঠে শত্রুর ভয় বা ‘রিপু-ভয়’ থাকায় যশোদা পরামর্শ দিয়েছেন যেন শ্রীকৃষ্ণ সব সময় তাঁর সখাদের মাঝখানে থাকেন এবং বড় ভাই বলরামসহ শ্রীদাম ও সুদামদের সঙ্গছাড়া না হন। তিনি শ্রীকৃষ্ণকে গোরু বা গোধনের নিকটে থাকতে এবং কখনও গোরুর আগে আগে না ছুটতে নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়াও, রোদের তেজ বা রবির তাপ থেকে বাঁচতে তিনি শ্রীকৃষ্ণকে গাছের ছায়ায় থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন এবং মা যেন ঘরে বসেই তাঁর রব শুনে আশ্বস্ত হতে পারেন, সেজন্য কৃষ্ণকে মাঝে মাঝে শিঙা বা মোহন বাঁশি বাজিয়ে ‘মা’ বলে ডাকার পরামর্শ দিয়েছেন।
৭। এসো, শিখি-
| কোনো উদ্ধৃতির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তাৎপর্য ব্যাখ্যা করার সময় তিনটি ধাপ থাকে: প্রথম ধাপ (উৎস): প্রথমেই উদ্ধৃতিটি কার লেখা এবং কোন্ রচনা থেকে গৃহীত হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করবে। পাঠ্যক্রমে থাকা রচনাটির মূল গ্রন্থের নাম যদি জানা থাকে, তাও উল্লেখ করতে পার। দ্বিতীয় ধাপ (প্রসঙ্গ): এরপর উদ্ধৃতিটি কে বলেছিল, কাকে এবং কোন্ প্রসঙ্গে বলেছিল, তা যথাযথভাবে জানাবে। তৃতীয় ধাপ (তাৎপর্য): উদ্ধৃতির মূল বক্তব্য পরিচ্ছন্নভাবে ব্যাখ্যা করবে। সবশেষে, একটি বাক্যে উদ্ধৃতিটির সারকথা জানিয়ে লেখা সমাপ্ত করবে। |
(খ) এসো, ওপরের অংশে যা শেখানো হয়েছে, তা একটি উদাহরণের সাহায্যে ব্যাখ্যা করা যাক-
“সখাগণ আগে পাছে গোপাল করিয়া মাঝে
ধীরে ধীরে করহ গমন”
উত্তরঃ উৎস: উদ্ধৃত অংশটি কবি বলরামদাস রচিত ‘যশোদার মাতৃস্নেহ’ নামক বৈষ্ণব পদ থেকে গৃহীত। এটি ‘বাল্যলীলা’ পর্যায়ের পদ। উল্লিখিত পদটি অধ্যাপক খগেন্দ্রনাথ মিত্র, আচার্য সুকুমার সেন প্রমুখ সম্পাদিত ‘বৈষ্ণব পদাবলী (চয়ন)’ নামক গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গ: উদ্ধৃত পঙক্তিটি যশোদা মাতার উক্তি। তিনি বালক শ্রীদাম, সুদাম প্রমুখ কৃষ্ণসখাদের উদ্দেশে এই কথা বলেছিলেন। সখাদের সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণের গোচারণের উদ্দেশ্যে গমন যেন নিরাপদ হয়, তা নিশ্চিত করতে যশোদা এই কথা বলেছিলেন।
তাৎপর্য: শ্রীকৃষ্ণ বাল্যকাল কেটেছিল শ্রীবৃন্দাবন বা ব্রজধামে। সেখানে তিনি গোপজাতির মধ্যে প্রতিপালিত হয়েছিলেন। গোরু চরানো গোপজাতির বৃত্তি। বালক শ্রীকৃষ্ণকেও তাঁর মিত্রদের সঙ্গে গোরু চরাতে যেতে হয়। কিন্তু যশোদা মাতার মন পুত্রকে নিয়ে সর্বদা আশঙ্কিত। এই আশঙ্কা মাতৃস্নেহের স্বাভাবিক প্রকাশ। মাতা যশোদা শ্রীকৃষ্ণের সখাদের উপদেশ দিচ্ছেন, তাঁরা যেন সাবধানে, ধীরে-ধীরে গোরু চরাতে যান। শ্রীকৃষ্ণকে মাঝখানে রেখে সখারা যেন চারপাশে ঘিরে রাখেন। তার ফলে বালক শ্রীকৃষ্ণ নিরাপদে থাকবেন বলে যশোদা মাতার ধারণা। শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং ভগবান হওয়া সত্ত্বেও মাতা যশোদার দৃষ্টিতে তিনি অসহায় বালক। মাতৃস্নেহ এমনই গভীর, তা স্বয়ং ভগবানকেও নিরাপত্তার বলয়ে ঘিরে রাখে।
(গ) নীচে উদ্ধৃত পঙ্ক্তিটির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো-
তুমি তার মাঝে ধাইও সঙ্গ ছাড়া না হইও
মাঠে বড় রিপু-ভয় আছে।।
উত্তরঃ উৎস: উদ্ধৃত অংশটি কবি যাদবেন্দ্রদাস রচিত ‘শ্রীকৃষ্ণের বাল্যলীলা’ নামক বৈষ্ণব পদ থেকে সংগৃহীত। এটি ‘বাল্যলীলা’ পর্যায়ের পদ। পদটি অধ্যাপক খগেন্দ্রনাথ মিত্র, আচার্য সুকুমার সেন প্রমুখ সম্পাদিত ‘বৈষ্ণব পদাবলী (চয়ন)’ নামক গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গ: আলোচ্য পঙক্তিটি যশোদা মাতার উক্তি। বালক শ্রীকৃষ্ণ যখন তাঁর সখাদের সঙ্গে বনে গোরু চরাতে যাচ্ছেন, তখন তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে মাতা যশোদা তাঁকে এই সাবধানবাণী শুনিয়েছেন।
তাৎপর্য: যশোদা মাতার কাছে শ্রীকৃষ্ণ নিখিল ব্রহ্মাণ্ডের পতি নন, বরং তাঁর পরম আদরের সন্তান। তাই বনপথে বা প্রান্তর পথে পুত্রের কোনো বিপদ হতে পারে— এই আশঙ্কায় তাঁর মাতৃ হৃদয় সর্বদা ব্যাকুল থাকে। যশোদা শ্রীকৃষ্ণকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন তিনি সব সময় তাঁর সখাদের মাঝখানে থাকেন এবং কখনও যেন তাঁদের থেকে আলাদা বা সঙ্গছাড়া না হন। মায়ের মতে, মাঠে অনেক ‘রিপু-ভয়’ বা শত্রুর ভয় আছে। মূলত পুত্রের সুরক্ষার কথা ভেবেই তিনি তাঁকে সখাদের নিরাপদ বেষ্টনীর মধ্যে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। এখানে শ্রীকৃষ্ণের প্রতি যশোদা মাতার গভীর বাৎসল্য ভাব ফুটে উঠেছে।

Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.
YouTube Channel
