Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 7 বৌদ্ধিক, সাংস্কৃতিক এবং আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য

Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 7 বৌদ্ধিক, সাংস্কৃতিক এবং আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য Question Answer Bengali Medium As Per AHSEC New Syllabus. Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 7 বৌদ্ধিক, সাংস্কৃতিক এবং আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য Notes. AHSEC Class 11 Swadesh Adhyayan Solutions Bengali Medium We ensure that You can completely trust this content. Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 7 বৌদ্ধিক, সাংস্কৃতিক এবং আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য Question Answer in Bengali. If you learn PDF Then you can Download PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

WhatsApp Channel
Join Now
YouTube Channel
Subscribe

Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 7 বৌদ্ধিক, সাংস্কৃতিক এবং আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য

Today’s We have Shared in This Post HS 1st Year Swadesh Adhyayan Question Answer in Bengali. I Hope, you Liked The information About The AHSEC Class 11 Swadesh Adhyayan Notes in Bengali. If you liked HS 1st Year Swadesh Adhyayan Solutions Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

বৌদ্ধিক, সাংস্কৃতিক এবং আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য

অনুশীলনী

১। (ক) ‘বুরঞ্জী’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তরঃ টাই ভাষায় ‘বুরঞ্জী’ মানে মূর্খ বা অজানা মানুষের শিক্ষার ভাণ্ডার (বু— মূর্খ বা অজ্ঞ, রণ— শিক্ষা, জী— ভাণ্ডার)।

(খ) ‘দরং রাজবংশাবলী’-র প্রণেতা কে?

উত্তরঃ কবি সূর্যখড়ি দৈবজ্ঞ ‘দরং রাজবংশাবলী’ প্রণয়ন করেন।

(গ) ‘হস্তীবিদ্যার্ণব’ কে রচনা করেছিলেন?

উত্তরঃ সুকুমার বরকায়থ ‘হস্তীবিদ্যার্ণব’ নামক হাতি বিষয়ক চিকিৎসা বিজ্ঞানের গ্রন্থখানি রচনা করেছিলেন।

(ঘ) শঙ্করাচার্য কোন বিশেষ মতবাদ প্রবর্তন করেছিলেন?

উত্তরঃ শঙ্করাচার্য অদ্বৈত মতবাদ (বা অদ্বৈত বেদান্ত দর্শন) প্রবর্তন করেছিলেন। 

(ঙ) শ্রীমন্ত শংকরদেব ভাগবত শাস্ত্রের সার কার কাছ থেকে পেয়েছিলেন?

উত্তরঃ ভারতবর্ষের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘ বারো বছর ভ্রমণ করে সমসাময়িক ভারতবর্ষের ভক্তি আন্দোলনের অভিজ্ঞতা থেকে শ্রীমন্ত শংকরদেব ভাগবত শাস্ত্রের সার লাভ করেছিলেন।

(চ) ‘হস্তীবিদ্যার্ণব’ পুথির চিত্র কে এঁকেছিলেন?

উত্তরঃ দিলবর এবং দোহাই ‘হস্তীবিদ্যার্ণব’ পুথির চিত্র এঁকেছিলেন।

২। বুরঞ্জী সাহিত্য কী? সমসাময়িক সমাজের অবস্থা বুঝতে এর প্রায়োগিকতা বর্ণনা করো।

উত্তরঃ টাই ভাষায় ‘বুরঞ্জী’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো মূর্খ বা অজানা মানুষের শিক্ষার ভাণ্ডার, যেখানে ‘বু’ মানে মূর্খ, ‘রণ’ মানে শিক্ষা এবং ‘জী’ মানে ভাণ্ডার। বুরঞ্জী লেখা প্রথাটি ছিল আহোম সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। স্বর্গদেউ চুকাফা তাঁর রাজসভার পণ্ডিতদের জন্ম-মৃত্যুর বিবরণ থেকে শুরু করে দেশের সকল প্রয়োজনীয় ঘটনা বুরঞ্জীতে লিপিবদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সমসাময়িক সমাজের অবস্থা বুঝতে বুরঞ্জী সাহিত্যের প্রায়োগিকতা অত্যন্ত গভীর, কারণ সাহিত্য সমাজ জীবনের দর্পণস্বরূপ এবং বুরঞ্জীসমূহ তদানীনন্তন যুগের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক ব্যবস্থার নিখুঁত চিত্র বহন করে। এই সাহিত্যিক উপাদানসমূহ কেবল আহোমদের ইতিহাসই নয়, বরং প্রতিবেশী কোচ, কাছারি, চুতীয়া, জয়ন্তীয়া এবং ত্রিপুরা প্রভৃতি রাজ্যের ঐতিহাসিক বর্ণনাও সংকলিত করে রেখেছে, যা তৎকালীন সামগ্রিক সমাজ ব্যবস্থা অধ্যয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান জোগায়। শুরুতে টাই ভাষায় লেখা হলেও পরবর্তীকালে আহোম স্বর্গদেউদের ধর্মীয় পরিবর্তনের সাথে সাথে বুরঞ্জী মূলত অসমীয়া ভাষায় লেখা শুরু হয়, যা তৎকালীন ভাষার বিবর্তন ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বুঝতে সাহায্য করে। সুতরাং, প্রাচীন অসমের ইতিহাস চর্চা এবং তদানীনন্তন সমাজের প্রকৃত স্বরূপ উপলব্ধিতে বুরঞ্জী সাহিত্য এক অমূল্য ও অপরিহার্য সম্পদ।

৩। অসমে ধর্মীয় পরম্পরাসমূহ কীভাবে গতি লাভ করেছিল আলোচনা করো।

উত্তরঃ প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় অসমে রাজ্য গঠন ও বিকাশের প্রক্রিয়ায় মানুষের ধর্মবিশ্বাস একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী উপাদান ছিল। অসমে ধর্মীয় পরম্পরার এই বিবর্তন ও গতি লাভের প্রক্রিয়াটি নিচে আলোচনা করা হলো:

প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় অসমের রাজবংশ এবং রাজারা নিজেদের আধিপত্য ও ন্যায়সংগত শাসনের ভিত্তি হিসেবে প্রায়ই ধর্মীয় নীতি অবলম্বন করতেন। ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় শতাধিক জনজাতীয় বিশ্বাসের পাশাপাশি ব্রাহ্মণ্য ‘হিন্দু’ ধর্ম ছিল প্রধান ধর্মবিশ্বাস। সেই সময়ে শিব, বিষ্ণু, দুর্গা, গণেশ, ইন্দ্র, লক্ষ্মী ও সরস্বতী প্রভৃতি দেব-দেবীর পূজা-পাতালের পাশাপাশি বৈদিক যাগ-যজ্ঞের প্রচলন ছিল। কামরূপের রাজাদের ভূমিদান ও তাম্রলিপিগুলোতে এই বৈদিক রীতিনীতির স্পষ্ট উল্লেখ পাওয়া যায়।

অসমে ব্রাহ্মণ্য রীতিনীতির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে তন্ত্র-মন্ত্র, জাদুবিদ্যা এবং তান্ত্রিক শক্তির প্রতি গভীর বিশ্বাস ছিল। শাক্ত ও তান্ত্রিক ধারার প্রভাবে জয়ন্তীয়াদের মধ্যে জয়ন্তেশ্বরী দেবী, চুতীয়াদর মধ্যে তাম্রেশ্বরী বা কেঁচাইখাতী এবং কছারি ও মেচদের মধ্যে বাথৌ বা শিবরাই পূজা প্রচলিত ছিল। কামাখ্যা মন্দিরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা শাক্ত পরম্পরা অসমের ধর্মীয় ঐতিহ্যের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দীর্ঘকাল ধরে চলে আসছিল।

অসমের ধর্মীয় ইতিহাসে সবচেয়ে বৈপ্লবিক গতির সঞ্চার হয় পঞ্চদশ-ষোড়শ শতাব্দীতে মহাপুরুষ শ্রীমন্ত শংকরদেবের নেতৃত্বে শুরু হওয়া ‘নব-বৈষ্ণব ভক্তি আন্দোলন’-এর মাধ্যমে। শংকরদেব ভাগবত পুরাণের সারতত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে ‘একশরণ নামধর্ম’ প্রচার করেন। তিনি মূর্তিপূজার পরিবর্তে এক ঈশ্বর (বিষ্ণু বা কৃষ্ণ)-এর প্রতি একান্ত ভক্তির ওপর গুরুত্ব দেন এবং জাতি-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে ধর্মীয় সাম্যের আদর্শে দীক্ষিত করেন। সত্র ও নামঘর স্থাপনের মাধ্যমে এই আন্দোলন অসমের সমাজ ও সংস্কৃতিতে এক নতুন আধ্যাত্মিক চেতনার জন্ম দেয়।

অন্যদিকে, ১২০৬ খ্রিষ্টাব্দে মোহম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজির কামরূপ আক্রমণের মাধ্যমে অসমে ইসলামের আগমন ঘটে। কালক্রমে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মেলামেশা, বৈবাহিক সম্পর্ক এবং আজান ফকীরের মতো সুফি সন্তদের ‘জিকির’ ও ‘জারি’ গানের মাধ্যমে ইসলাম ধর্ম অসমীয়া জনজীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ব্রিটিশ শাসনের শুরুতে এবং ইয়ান্দাবু সন্ধির পর নাথান ব্রাউন ও মাইলস ব্রনসনের মতো মিশনারিদের হাত ধরে অসমে খ্রিষ্টধর্মের প্রবেশ ঘটে, যা বিশেষ করে সমাজের অবহেলিত ও জনজাতীয় লোকদের মধ্যে ধর্মীয় ও সামাজিক পরিবর্তনের সূচনা করে।

এইভাবেই বিভিন্ন সময়ে হিন্দু, বৌদ্ধ, ইসলাম, নব-বৈষ্ণব এবং খ্রিষ্টধর্মের প্রভাবে অসমে ধর্মীয় পরম্পরাসমূহ বিকাশ ও গতি লাভ করেছে।

৪। অসমে নব-বৈষ্ণব আন্দোলন কীভাবে সমাজ জীবন এবং সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশে ভূমিকা গ্রহণ করেছিল আলোচনা করো।

উত্তরঃ পঞ্চদশ-ষোড়শ শতাব্দীতে মহাপুরুষ শ্রীমন্ত শংকরদেবের নেতৃত্বে শুরু হওয়া নব-বৈষ্ণব আন্দোলন অসমের সমাজ জীবন এবং সাহিত্য-সংস্কৃতির ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে এসেছিল। 

আপনাদের পাঠ্যবইয়ের সম্পূর্ণ Textual Questions & Answers, MCQs এবং Additional (Extra Important) Questions & Answers পাওয়ার জন্য আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন-
roylibrary3@gmail.com

Conclusion

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top