Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 8 বস্তুগত ঐতিহ্য Question Answer Bengali Medium As Per AHSEC New Syllabus. Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 8 বস্তুগত ঐতিহ্য Notes. AHSEC Class 11 Swadesh Adhyayan Solutions Bengali Medium We ensure that You can completely trust this content. Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 8 বস্তুগত ঐতিহ্য Question Answer in Bengali. If you learn PDF Then you can Download PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 8 বস্তুগত ঐতিহ্য
Today’s We have Shared in This Post HS 1st Year Swadesh Adhyayan Question Answer in Bengali. I Hope, you Liked The information About The AHSEC Class 11 Swadesh Adhyayan Notes in Bengali. If you liked HS 1st Year Swadesh Adhyayan Solutions Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
বস্তুগত ঐতিহ্য
| অনুশীলনী |
১। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
(ক) কামাখ্যা মন্দির গুয়াহাটির কোন পাহাড়ে অবস্থিত?
উত্তরঃ কামাখ্যা মন্দির গুয়াহাটির পশ্চিমে থাকা নীলাচল পাহাড়ে অবস্থিত।
(খ) ব্রিটিশরা অসমের কোন দ্বীপকে ‘ময়ূর দ্বীপ’ বলেছিল?
উত্তরঃ ব্রিটিশরা উমানন্দ দ্বীপকে দেখতে ময়ূর পাখির মতো বলে একে ‘ময়ূর দ্বীপ’ (Peacock Island) নাম দিয়েছিল।
(গ) বশিষ্ঠ মন্দির নির্মাণ করানো আহোম স্বৰ্গদেউ-এর নাম কী?
উত্তরঃ বশিষ্ঠ মন্দির নির্মাণ করানো আহোম স্বৰ্গদেউ-এর নাম হলো স্বৰ্গদেউ রাজেশ্বর সিংহ (খ্রীঃ ১৭৫১-৬৯)।
(ঘ) দ-পৰ্বতীয়া মন্দিরের সবচেয়ে বিখ্যাত শিল্পকর্ম কোনটি?
উত্তরঃ দ-পৰ্বতীয়া শৈল মন্দিরের প্রবেশদ্বারটিই ভাস্কর্যশিল্পের জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত।
(ঙ) সন্ধ্যা, ললিতা ও কান্তা নামের তিনটি জলধারার সঙ্গম অসমের কোথায় দেখা যায়?
উত্তরঃ গুয়াহাটি মহানগরের দক্ষিণে সন্ধ্যাচল পর্বতে সন্ধ্যা, ললিতা ও কান্তা নামের এই তিনটি জলস্রোতের সঙ্গম দেখা যায়।
(চ) হয়গ্রীব-মাধব মন্দির থাকা পাহাড়টির নাম কী?
উত্তরঃ হয়গ্রীব-মাধব মন্দির থাকা পাহাড়টির নাম হলো – মণি পর্বত বা মণিকূট পাহাড়।
(ছ) হাজোর কোন পাহাড়ে পোয়ামক্কা অবস্থিত?
উত্তরঃ হাজোর সর্বোচ্চ গরুড়াচল পাহাড়ের শিখরে পোয়ামক্কা অবস্থিত।
(জ) অসমের সর্ববৃহৎ মানবসৃষ্ট পুকুর কোনটি?
উত্তরঃ জয়সাগর পুকুর হলো আহোম যুগের তথা অসমের সর্ববৃহৎ মানবসৃষ্ট পুকুর।
(ঝ) কোন আহোম স্বৰ্গদেউ ‘খোদর আলি’ নির্মাণ করিয়েছিলেন?
উত্তরঃ আহোম স্বৰ্গদেউ গদাধর সিংহ (খ্রীঃ ১৬৮১-১৬৯৬) ‘খোদর আলি’ নির্মাণ করিয়েছিলেন।
২। সংক্ষিপ্ত টীকা লেখো—
(ক) অম্বুবাচী উৎসব।
উত্তরঃ কামাখ্যা মন্দিরে প্রতিবছর উদযাপিত হওয়া পূজা এবং মেলাগুলোর মধ্যে অম্বুবাচী মেলাই সবচেয়ে বিখ্যাত। আষাঢ় মাসের সাত তারিখ থেকে দশ তারিখ পর্যন্ত এই পৃথিবী শস্য-সম্ভরা হওয়ার জন্য ঋতুমতী হয় বলে একটি প্রাচীন লোকবিশ্বাস আছে। এই সময়ে প্রকৃতির উর্বরা শক্তির আধারস্বরূপা কামাখ্যা দেবীও ঋতুমতী হন বলে বিশ্বাস করা হয়। এই উপলক্ষে কামাখ্যাধামে মহাসমারোহে অম্বুবাচী উৎসব পালন করা হয়। অম্বুবাচীর কয়েকদিন কামাখ্যা মন্দিরের দরজা বন্ধ থাকে। অম্বুবাচীর নিবৃত্তির সঙ্গে সঙ্গে দর্শনার্থীদের জন্য মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হয়। এই সময়ে কামাখ্যায় একটি বিশাল মেলা অনুষ্ঠিত হয়; এটিই অম্বুবাচী মেলা। মেলার কয়েকদিন অগণিত লোকের সমাবেশ ঘটে এবং প্রতিদিন দেশ-বিদেশের হাজার হাজার লোক কামাখ্যা মন্দির দর্শন করেন।
(খ) শ্রীসূর্য পাহাড়।
উত্তরঃ প্রাক-আহোম যুগের ভাস্কর্যের উল্লেখযোগ্য নিদর্শন হলো গোয়ালপাড়া শহরের কাছে অবস্থিত শ্রীসূর্য পাহাড়ের শৈল ভাস্কর্য। এই পাহাড়ের দক্ষিণ দিকে একটি শিলার চক্রাকৃতি ভাস্কর্য আছে এবং এই ভাস্কর্যটিকেই সূর্যের প্রতীক হিসেবে ধরা হয় বলে পাহাড়টির নাম হয়েছে শ্রীসূর্য পাহাড়। এখানে ছোট-বড় সাতটি পাহাড় থাকার জন্য একে ‘সাতালি পাহাড়’ নামেও ডাকা হয়। এই পাহাড়ে অনেক শিলালিপি, স্তূপ এবং শিবলিঙ্গ পাওয়া গেছে। ইটের তৈরি একটি বহুকক্ষ বিশিষ্ট ঘরের ধ্বংসাবশেষও এখানে আবিষ্কৃত হয়েছে। এছাড়া হিন্দু দেব-দেবীর মূর্তির পাশাপাশি এখানে বৌদ্ধ ও জৈন মূর্তিও পাওয়া গেছে। পাহাড়ের কাছেই বিষ্ণু ও শিবের মূর্তির সাথে আরও বেশ কিছু মূর্তি আবিষ্কৃত হয়েছে। পাহাড়ের সবচেয়ে সুন্দর মূর্তিটি হলো একটি শিলার পদ্মফুলের ওপর দুপাশে দুটি ত্রিশূলসহ বারো হাত বিশিষ্ট একটি মূর্তি। পণ্ডিতদের মতে শ্রীসূর্য পাহাড়ের ভাস্কর্যসমূহ অষ্টম শতাব্দীর। এখানকার বৌদ্ধ স্মৃতিচিহ্নগুলো তারও আগের বলে অনুমান করা হয়। শ্রীসূর্য পাহাড়ের প্রধান আকর্ষণ হলো শিলা কেটে তৈরি গুহা এবং গুহা-ভাস্কর্য। পাহাড়ের ‘চেপাশিল’ নামক গুহায় গণেশ ও চন্দ্রের মূর্তি শনাক্ত করা হয়েছে। এখানকার ৯ ফুট দীর্ঘ শিবলিঙ্গটি হলো সর্ববৃহৎ। শ্রীসূর্য পাহাড়ে প্রতিদিন অনেক দর্শনার্থীর সমাগম হয়।
(গ) পোয়ামক্কা।
উত্তরঃ হাজোর সর্বোচ্চ গরুড়াচল পাহাড়ের শিখরে অবস্থিত পোয়ামক্কা মুসলমানদের একটি পবিত্র তীর্থস্থান। গরুড়াচল পাহাড় এবং পোয়ামক্কা সম্পর্কে অনেক জনশ্রুতি প্রচলিত আছ। একটি জনশ্রুতি মতে, এই পাহাড়ে ভগবান বিষ্ণুর বাহন গরুড় পাখি খাদ্য গ্রহণ করেছিল। অন্য একটি জনশ্রুতি অনুসারে, জ্যেষ্ঠ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে গরুড় পাখি অচল হয়ে এই পাহাড়ে বিশ্রাম নিয়েছিল বলেই পাহাড়টির নাম হয়েছে গরুড়াচল।
পোয়ামক্কা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সিদ্ধপুরুষ গিয়াসুদ্দিন আউলিয়া। অবশ্য এই সন্ত মহাত্মার পরিচয় সম্পর্কে বিভিন্ন মতভেদ রয়েছে। ‘পোয়ামক্কা’ নামটির উৎপত্তির পেছনেও কয়েকটি জনশ্রুতি আছে। একটি মতে, প্রতিষ্ঠাপক সন্ত গিয়াসুদ্দিন আউলিয়া পোয়ামক্কা স্থাপন করার সময় অতি পবিত্র তীর্থভূমি মক্কা থেকে ‘এপোয়া’ (এক-চতুর্থাংশ) পবিত্র মাটি এনে এখানকার মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছিলেন বলেই এর নাম হয়েছে পোয়ামক্কা। অন্য একটি জনশ্রুতি অনুযায়ী, পোয়ামক্কা দর্শন করলে মুসলমানদের পরম পবিত্র তীর্থস্থান মক্কা দর্শনের এক-চতুর্থাংশ পুণ্য অর্জন হয় বলে বিশ্বাস করা হয়, আর এই কারণেই এই স্থানটিকে পোয়ামক্কা বলা হয়।
পোয়ামক্কায় সন্ত গিয়াসুদ্দিন আউলিয়ার সমাধির পাশাপাশি একটি মসজিদ আছে। তিনিই পোয়ামক্কার প্রথম মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন বলে বিশ্বাস করা হয়। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে অগণিত তীর্থযাত্রীর আগমনে পোয়ামক্কা একটি মহামিলনের তীর্থভূমিতে পরিণত হয়েছে।
আপনাদের পাঠ্যবইয়ের সম্পূর্ণ Textual Questions & Answers, MCQs এবং Additional (Extra Important) Questions & Answers পাওয়ার জন্য আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন-
Conclusion
আজকের এই পোস্টে আমরা AHSEC Class 11 Swadesh Adhyayan Chapter 8 বস্তুগত ঐতিহ্য Notes এবং Solutions নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আশা করি এই প্রশ্নোত্তর ও নোটস আপনার পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সহায়ক হবে। যদি এই পোস্টটি আপনার উপকারে আসে, তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করুন এবং অন্যান্য অধ্যায়ের প্রশ্নোত্তর পড়তে আমাদের ওয়েবসাইট নিয়মিত ভিজিট করুন।

Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.
YouTube Channel