SEBA Class 6 Charitra Path Chapter 7 অহিংসা-জীবনের পথ

Join Roy Library Telegram Groups

SEBA Class 6 Charitra Path Chapter 7 অহিংসা-জীবনের পথ Question Answer Bengali Medium As Per SCERT New Syllabus Provided by the Roy Library. SCERT Class 6 Charitra Path Solutions Bengali Medium is made for Bengali Medium Students. SEBA Class 6 Charitra Path Chapter 7 অহিংসা-জীবনের পথ Notes in Bengali. We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 6 Charitra Path Solutions in Bengali. If you learn PDF Then you can Download PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

WhatsApp Channel
Join Now
Telegram Channel
Join Now
YouTube Channel
Subscribe

SEBA Class 6 Charitra Path Chapter 7 অহিংসা-জীবনের পথ

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 6 Charitra Path (চরিত্র পাঠ) Question Answer in Bengali. I Hope, you Liked The information About The SCERT Class 6 Charitra Path Textbook Question Answer. If you liked SEBA Charitra Path Class 6 Bengali Medium Question Answer. Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

অনুশীলনী

1. অহিংসা কাকে বলে? অহিংসার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক কী?

উত্তরঃ সকল জীবের প্রতি অজিঘাংসার মনোভাব পোষণ করাই হলো অহিংসা। জীবজগতের সকল প্রাণীর প্রতি দয়া, মমতা, সহানুভূতি ও প্রেমভাব পোষণ করা এবং কাউকে শারীরিক বা মানসিক কষ্ট না দেওয়া অহিংসার অন্তর্গত। অহিংসার সঙ্গে প্রেমের এক গভীর সম্পর্ক রয়েছে কারণ অহিংসার মূল ভিত্তি হচ্ছে প্রেম। সকল জীবের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা বা প্রেম থেকেই মনে অহিংসার ভাব জাগে। অহিংসা অভ্যাস করার জন্য আমাদের প্রেম সর্বব্যাপী হওয়া উচিত, যাতে নিখিল বিশ্বের সকল প্রাণীর মধ্যে এক ঈশ্বরকে অন্তর্যামী রূপে উপলব্ধি করে সকলকে আপন করে নেওয়া যায়। সুতরাং, প্রেম থেকেই অহিংসার উদ্ভব হয় এবং মানুষের প্রেম যখন সর্বব্যাপী হয়, তবেই তার পক্ষে প্রকৃত অহিংসা আচরণ করা সম্ভব হয়।

2. অহিংসার পথ ধরে কীভাবে সত্যে উপনীত হওয়া যায়?

উত্তরঃ অহিংসার পথ ধরে সত্যে উপনীত হওয়া মানব জীবনের এক পরম লক্ষ্য এবং সার্থকতা। মানুষ যখন হিংসা ত্যাগ করে অহিংসার পথ অনুসরণ করে, কেবল তখনই সে জগতের সত্য পথ উপলব্ধি করতে সমর্থ হয়। অহিংসা আমাদের সত্য দর্শনের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। যখন মানুষের বুদ্ধি ‘সাত্ত্বিক’ বা সত্য গুণ সম্পন্ন হয় এবং সে নিখিল বিশ্বের সকল প্রাণীর মধ্যে এক ঈশ্বরকে অন্তর্যামী রূপে উপলব্ধি করতে পারে, তখনই সে অহিংসার মাধ্যমে প্রকৃত সত্যের সন্ধান পায়। সুতরাং, মানব জীবন সার্থক করতে এবং সত্যে উপনীত হতে হলে অহিংসা অভ্যাস করা একান্ত প্রয়োজন, কারণ এই নির্মল পথেই আমরা পরম সত্যের প্রকৃত রূপ অনুধাবন করতে পারি।

3. অহিংসা জীবনের শ্রেষ্ঠ পথ’-বুঝিয়ে দাও।

উত্তরঃ অহিংসা জীবনের শ্রেষ্ঠ পথ’ কথাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ কারণ অহিংসাই হলো মানব ধর্মের সর্বশ্রেষ্ঠ লক্ষণ। জগতের অধিকাংশ জ্ঞানী ব্যক্তিই মনে করেন যে সমগ্র মানবজাতির প্রকৃত কল্যাণ কেবল এই অহিংসার পথেই নিহিত রয়েছে। হিংসার মার্গ অনুসরণ করা মানুষের জন্য অনুচিত; কারণ একমাত্র অহিংসাই আমাদের সত্য দর্শনের পথে এগিয়ে নিয়ে যায় এবং মানব জীবনকে সার্থক করে তোলে। এই অহিংসার মূল ভিত্তি হলো প্রেম এবং এর মাধ্যমেই দয়া, ধৈর্য, সহিষ্ণুতা ও ক্ষমার মতো সকল মানবিক গুণগুলো মানুষের চরিত্রে বিকশিত হয়। অহিংসার পথেই নিখিল বিশ্বের সকল প্রাণীর মধ্যে এক ঈশ্বরকে উপলব্ধি করে সকলকে আপন করে নেওয়া সম্ভব হয়। সুতরাং, অহিংসা কেবল একটি আদর্শ নয়, বরং এটিই জীবনের পরম সার্থকতা এবং এই কারণেই মহাভারতেও অহিংসাকে ‘পরম ধর্ম’ হিসেবে অভিহিত করে একেই জীবনের শ্রেষ্ঠ পথ হিসেবে দেখানো হয়েছে।

ADDITIONAL QUESTION ANSWER

(ক) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর:

1. অহিংসা শব্দের অর্থ কী? 

উত্তরঃ সকল জীবের প্রতি অজিঘাংসার মনোভাব বা হিংসা না করাই হলো অহিংসা।

2. অহিংসার মূল ভিত্তি কী? 

উত্তরঃ অহিংসার মূল ভিত্তি হলো অকৃত্রিম প্রেম বা ভালোবাসা।

3. মহাভারতে অহিংসাকে কী বলা হয়েছে? 

উত্তরঃ মহাভারতে অহিংসাকে ‘পরম ধর্ম’ বলে অভিহিত করা হয়েছে ।

4. জীবজগতে প্রাণীরা কীভাবে বেঁচে থাকে? 

উত্তরঃ জীবজগতে প্রাণীরা একে অপরকে ভক্ষণ করে বা হিংসার মাধ্যমে বেঁচে থাকে।

5. মানুষের জন্য কোন পথটি অনুসরণ করা অনুচিত? 

উত্তরঃ মানুষের জন্য হিংসার মার্গ বা পথ অনুসরণ করা অনুচিত।

(খ) সত্য বা মিথ্যা নির্ণয় করো:

1. জীবজগতে প্রাণীরা একে অপরকে ভক্ষণ করে বা হিংসার মাধ্যমে বেঁচে থাকে—এটি একটি স্বাভাবিক নিয়ম। 

উত্তরঃ সত্য।

2. অহিংসা পালন করা আসলে মানুষের মনের এক প্রকার দুর্বলতার লক্ষণ। 

উত্তরঃ মিথ্যা।

3. অহিংসার মূল ভিত্তি বা প্রধান স্তম্ভ হলো সকল জীবের প্রতি অকৃত্রিম প্রেম। 

উত্তরঃ সত্য।

4. মানুষের জন্য হিংসার মার্গ বা পথ অনুসরণ করাই হলো জীবনের শ্রেষ্ঠ আদর্শ। 

উত্তরঃ মিথ্যা।

5. মহাভারতে অহিংসাকে ‘পরম ধর্ম’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। 

উত্তরঃ সত্য।

(গ) সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর:

1. অহিংসা বলতে পাঠ্যবইয়ে কী বোঝানো হয়েছে? 

উত্তরঃ সকল জীবের প্রতি অজিঘাংসার মনোভাব এবং কাউকে শারীরিক বা মানসিক কষ্ট না দেওয়াকেই অহিংসা বলা হয়।

2. অহিংসার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কটি সংক্ষেপে লেখো। 

উত্তরঃ প্রেমই হলো অহিংসার মূল ভিত্তি। সকল জীবের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা থেকেই মনে অহিংসার ভাব জন্মে।

3. কেন হিংসার মার্গ অনুসরণ করা মানুষের উচিত নয়? 

উত্তরঃ হিংসার পথ মানুষকে সত্য থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। সত্যে উপনীত হওয়ার জন্য অহিংসার পথই একমাত্র আদর্শ।

4. ‘অহিংসা পরম ধর্ম’—কথাটি কেন বলা হয়েছে? 

উত্তরঃ অহিংসা মানব ধর্মের সর্বশ্রেষ্ঠ লক্ষণ এবং এটি মানুষের চরিত্রকে উন্নত করে বলে মহাভারতে একে পরম ধর্ম বলা হয়েছে ।

5. অহিংসা পালনে বীরত্বের প্রয়োজন কেন? 

উত্তরঃ হিংসা করার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও যারা ক্ষমা করে ও শান্ত থাকে, তাদের জন্য অনেক মানসিক শক্তির প্রয়োজন, যা বীরত্বের লক্ষণ।

(ঘ) দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর:

1. ‘অহিংসা জীবনের শ্রেষ্ঠ পথ’—পাঠ্যবইয়ের আলোকে এই উক্তিটি বুঝিয়ে দাও। 

উত্তরঃ অহিংসাই হলো মানব ধর্মের সর্বশ্রেষ্ঠ লক্ষণ। হিংসা ত্যাগ করে অহিংসার মার্গ ধরলে তবেই মানুষ সত্য পথ উপলব্ধি করতে পারে। জগতের অধিকাংশ জ্ঞানী ব্যক্তি মনে করেন যে মানবজাতির প্রকৃত কল্যাণ কেবল অহিংসার পথেই সম্ভব। এটি মানুষের চরিত্রের বিকাশ ঘটায় এবং সত্য দর্শনে সহায়তা করে, তাই একে জীবনের শ্রেষ্ঠ পথ বলা হয়েছে।

2. খাদ্য, মন এবং অহিংসা—এই তিনের মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক ব্যাখ্যা করো। 

উত্তরঃ মানুষের মনের প্রকৃতির ওপর তার খাদ্যাভ্যাসের প্রভাব অনেক। সাত্ত্বিক আহার গ্রহণ করলে চিত্ত শুদ্ধ হয় এবং পরম শান্তি লাভ হয়। শুদ্ধ মনে যখন সাত্ত্বিক বুদ্ধি জন্মায়, তখন মানুষের মধ্যে হিংসার ভাব দূর হয়ে যায় এবং সে সকল জীবের প্রতি প্রেম অনুভব করে। অর্থাৎ, সঠিক আহার শুদ্ধ মন তৈরি করে এবং শুদ্ধ মনই অহিংসার পথে চলতে সাহায্য করে।

3. অহিংসার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক বিস্তারিত আলোচনা করো। 

উত্তরঃ অহিংসার মূল ভিত্তি হলো প্রেম। সকল জীবের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা থেকেই মনে অহিংসার ভাব জন্মে। অহিংসা অভ্যাস করার জন্য আমাদের প্রেমকে হতে হবে সর্বব্যাপী, যাতে বিশ্বের সকল প্রাণীর মধ্যে এক ঈশ্বরকে উপলব্ধি করা যায়। যখন মানুষের প্রেম গভীর ও বিশ্বব্যাপী হয়, তখন সে কাউকে কষ্ট দিতে পারে না, এবং এভাবেই প্রেম থেকে অহিংসার উদ্ভব হয়।

MCQ

1. সকল জীবের প্রতি ‘অজিঘাংসার’ মনোভাবকে কী বলা হয়? 

(ক) ঘৃণা। 

(খ) অহিংসা। 

(গ) ভয়। 

(ঘ) ক্রোধ। 

উত্তরঃ (খ) অহিংসা।

2. অহিংসার মূল ভিত্তি বা প্রধান স্তম্ভ কোনটি? 

(ক) শক্তি। 

(খ) বুদ্ধি। 

(গ) প্রেম। 

(ঘ) অর্থ। 

উত্তরঃ (গ) প্রেম।

3. মহাভারতে অহিংসাকে কী বলে অভিহিত করা হয়েছে? 

(ক) পরম ধর্ম। 

(খ) পরম জ্ঞান। 

(গ) পরম সত্য। 

(ঘ) পরম বীরত্ব। 

উত্তরঃ (ক) পরম ধর্ম।

4. অহিংসা আমাদের কোন পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে? 

(ক) ধনের পথে। 

(খ) অহংকারের পথে। 

(গ) সত্য দর্শনের পথে। 

(ঘ) হিংসার পথে। 

উত্তরঃ (গ) সত্য দর্শনের পথে।

5. অহিংসা অভ্যাস করার জন্য আমাদের প্রেম কেমন হওয়া উচিত? 

(ক) সংকীর্ণ। 

(খ) কেবল নিজের জন্য। 

(গ) সর্বব্যাপী। 

(ঘ) সীমাবদ্ধ। 

উত্তরঃ (গ) সর্বব্যাপী।

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top