SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 14 আত্মকথা

SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 14 আত্মকথা Question Answer As Per New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 14 আত্মকথা Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 14 আত্মকথা Solutions We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 9 Bengali MIL Important Solutions. If you learn PDF Then you can Download PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

WhatsApp Channel
Join Now
YouTube Channel
Subscribe

SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 14 আত্মকথা

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 9 Bengali MIL Extra Solutions. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 9 Bengali MIL Additional Question Answer. If you liked SEBA Class 9 Bengali Important Question Answer Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

আত্মকথা

IMPORTANT QUESTION ANSWER

(A) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Very Short Answer)

১। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আত্মকথা’ পাঠ্যাংশটি তাঁর কোন মূল রচনার অংশ? 

উত্তরঃ দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আত্মকথা’ পাঠ্যাংশটি তাঁর বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘আত্মচরিত’ থেকে সংগৃহীত হয়েছে।

২। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম কত খ্রিষ্টাব্দে এবং কোথায় হয়েছিল? 

উত্তরঃ দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮১৭ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ মে কলকাতার জোড়াসাঁকোর বিখ্যাত ঠাকুরবাড়িতে হয়েছিল।

৩। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতা ও মাতার নাম কী ছিল? 

উত্তরঃ দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতার নাম ছিল প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর এবং মাতার নাম ছিল দিগন্দরী দেবী।

৪। দেবেন্দ্রনাথের জ্যেষ্ঠতাত-পুত্র ব্রজবাবু তাঁর কাছে কী কী জিনিস চেয়েছিলেন? 

উত্তরঃ দেবেন্দ্রনাথের জ্যেষ্ঠতাত-পুত্র ব্রজবাবু তাঁর নিকট দুটি বড় আয়না, ছবিগুলো এবং জরির পোশাক চেয়েছিলেন।

৫। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত প্রথম গানটি কী ছিল? 

উত্তরঃ দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত প্রথম গানটি ছিল— “হবে, কি হবে দিবা-আলোকে, জ্ঞান বিনা সব অন্ধকার।”

৬। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরকে কে ‘মহর্ষি’ উপাধিতে ভূষিত করেছিল? 

উত্তরঃ দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরকে তাঁর মহতী ধর্মসাধনা ও অবদানের জন্য ব্রাহ্মসমাজ ‘মহর্ষি’ উপাধিতে ভূষিত করেছিল।

৭। দেবেন্দ্রনাথের বাড়িতে থাকা সভাপণ্ডিতের নাম কী ছিল? 

উত্তরঃ দেবেন্দ্রনাথের বাড়িতে থাকা সভাপণ্ডিতের নাম ছিল কমলাকান্ত চূড়ামণি।

৮। বোটানিক্যাল গার্ডেন কে এবং কত সালে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন? 

উত্তরঃ ১৭৮৭ খ্রিষ্টাব্দে রবার্ট কিড নামক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির এক সেনা আধিকারিক বোটানিক্যাল গার্ডেন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

(B) সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Short Answer)

১। কমলাকান্ত চূড়ামণি দেবেন্দ্রনাথের কাছ থেকে কী কাগজে সই করিয়ে নিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে কী ঘটেছিল? 

উত্তরঃ কমলাকান্ত চূড়ামণি নিজের হাতে লেখা একটি কাগজে দেবেন্দ্রনাথকে স্বাক্ষর করতে বলেন, যাতে লেখা ছিল তাঁর পুত্র শ্যামাচরণকে চিরকাল দেবেন্দ্রনাথকে প্রতিপালন করতে হবে। দেবেন্দ্রনাথ না বুঝেই তাতে সই করে দেন। পরে চূড়ামণির মৃত্যুর পর শ্যামাচরণ সেই স্বাক্ষরিত কাগজটি নিয়ে এলে দেবেন্দ্রনাথ তাঁকে প্রতিপালনের দায়িত্ব সানন্দে গ্রহণ করেন।

২। ‘তত্ত্ববোধিনী সভা’ কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং দেবেন্দ্রনাথ কখন ব্রাহ্মসমাজের দায়িত্ব নেন? 

উত্তরঃ দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৩৯ সালে প্রথমে ‘তত্ত্ব রঞ্জিনী সভা’ প্রতিষ্ঠা করেন, যার নাম পরবর্তীকালে ‘তত্ত্ববোধিনী সভা’ হয়। এর পর ১৮৪২ সালে তিনি ব্রাহ্মসমাজের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন এবং তিনিই প্রথম ব্রহ্মোপাসনা রীতি প্রবর্তন করেন।

৩। মহাভারতে প্রথম প্রবেশেই দেবেন্দ্রনাথ কোন শ্লোকটি প্রত্যক্ষ করেন এবং তার অর্থ কী ছিল? 

উত্তরঃ মহাভারত গ্রন্থটি খোলার পর দেবেন্দ্রনাথের চোখে “ধর্মে মতির্ভবতু বঃ সততোত্থিতানাম্” শ্লোকটি ঠেকেছিল। এই শ্লোকটির অর্থ হলো— ধর্মে যেন সকলের মতি হয়, সকলে যেন সর্বদা ধর্মে অনুরক্ত হয়; কারণ একমাত্র ধর্মই পরলোকগত ব্যক্তির প্রকৃত বন্ধু, অর্থ ও স্ত্রীসকলকে যত নিপুণভাবেই সেবা করা হোক না কেন, তাদের আয়ত্ত করা যায় না এবং তাদের স্থিরতাও নেই।

৪। ঈশ্বর লাভের জন্য দেবেন্দ্রনাথ ইউরোপীয় দর্শন পড়ে কী জানতে পেরেছিলেন এবং তাতে কেন তিনি তৃপ্ত হতে পারেননি? 

উত্তরঃ ইউরোপীয় দর্শনশাস্ত্র পাঠ করে দেবেন্দ্রনাথ জানতে পেরেছিলেন যে বাহ্য ইন্দ্রিয় দ্বারা মনের মধ্যে বাহ্য বস্তুর অবভাস ঘটে এবং ইহাই জ্ঞান। কিন্তু দেবেন্দ্রনাথ অন্ধবিশ্বাসে নয়, জ্ঞানের আলোকে ঈশ্বরকে পেতে ব্যাকুল ছিলেন; কেবল প্রকৃতি বা ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য জ্ঞানে তাঁর আত্মিক তৃপ্তি মেলেনি বলে তাঁর মনের ব্যাকুলতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছিল।

৫। উপমন্যু কে ছিলেন এবং তাঁর গুরুভক্তির পরিচয় পাঠ্যাংশে কীভাবে পাওয়া যায়? 

উত্তরঃ উপমন্যু ছিলেন কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাসদেবের স্ত্রী পীবরীর গর্ভজাত সন্তান এবং মহর্ষি আয়োধধৌম্যের অন্যতম শিষ্য। গুরু আয়োধধৌম্য তাঁকে গো-রক্ষণে পাঠান এবং পরীক্ষা করার জন্য তাঁর আহার বন্ধ করে দেন; এমনকী ভিক্ষালব্ধ অন্নও গুরু সমর্পণ করে উপমন্যু গুরুর নির্দেশ মেনে চলেন এবং নানা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে দিব্যজ্ঞান লাভ করেন।

(C) দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর (Long Answer)

১। পিতামহীর মৃত্যুর পর দেবেন্দ্রনাথের মনোজগতে কী ধরনের বৈরাগ্য ও মানসিক পরিবর্তন দেখা দিয়েছিল? পাঠ্যাংশ অনুসরণে আলোচনা করো। 

উত্তরঃ ১৮৩৮ খ্রিষ্টাব্দে পিতামহীর (দিদিমা) মৃত্যুর পর দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের মনে গভীর বৈরাগ্য ও মানসিক পরিবর্তনের সূচনা ঘটে। তিনি পার্থিব ধন-সম্পদ ও বিষয়-আশয়ের প্রতি সম্পূর্ণ নিরাসক্ত হয়ে পড়েন এবং একদিন বৈঠকখানায় বসে নিজের সমস্ত প্রিয় বস্তু যাকে যা প্রয়োজন তা দান করে দেন। তবে পার্থিব বস্তু ত্যাগ করলেও তিনি অন্তরে ঈশ্বরের অস্তিত্ব বা আত্মিক শান্তি লাভ করতে পারছিলেন না। ফলে তাঁর মন গভীর বিষাদে আচ্ছন্ন হয়ে যায়, চারদিক অন্ধকার ঠেকতে থাকে এবং দ্বিপ্রহরের রোদের কিরণরেখাও তাঁর কাছে কৃষ্ণবর্ণ বলে মনে হতো। পৃথিবীর যাবতীয় সুখ ও শান্তি তাঁর কাছে নিঃশেষ হয়ে গিয়েছিল এবং সমগ্র পৃথিবী শ্মশানতুল্য বোধ হতো। এই চরম ব্যাকুলতা ও নির্জনতার মাঝে বোটানিক্যাল গার্ডেনের সমাধিস্থূপে একা বসে তিনি তীব্র ধর্মপিপাসা ও জ্ঞানের আলোকে ঈশ্বরকে লাভের জন্য অনুতপ্ত হৃদয়ে সাধনায় নিমগ্ন হন।

২। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঈশ্বর-তত্ত্ব অনুসন্ধানের পথ এবং সংস্কৃত ও দর্শনশাস্ত্র পাঠের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করো। 

উত্তরঃ অন্তরের বিষাদ দূর করতে এবং ঈশ্বরের তত্ত্বকথা জানতে দেবেন্দ্রনাথ ব্যাকুল হয়ে ওঠেন। সভাপণ্ডিত চূড়ামণির পুত্র শ্যামাচরণের নির্দেশনায় তিনি মহাভারত পাঠ শুরু করেন এবং প্রথম শ্লোক পাঠ করেই তাঁর অন্তরে ধর্মপিপাসা ও উৎসাহ বেড়ে যায়। তত্ত্বান্বেষণের জন্য একদিকে তিনি যেমন সংস্কৃত চর্চায় মনোনিবেশ করে চাণক্যের শ্লোক মুখস্থ করা ও বোপদেব গোস্বামীর ‘মুগ্ধবোধ’ ব্যাকরণ পড়া শুরু করেন, তেমনি অন্যদিকে ইউরোপীয় দর্শনশাস্ত্রও বিস্তার পাঠ করেন। কিন্তু ইউরোপীয় দর্শন তাঁকে কেবল বাহ্য ইন্দ্রিয়জাত বস্তুর অবভাসটুকু নির্দেশ করে, যা দেবেন্দ্রনাথের জ্ঞানালোকিত ঈশ্বরলাভের আকুলতাকে নিবৃত্ত করতে পারেনি। ফলে শাস্ত্র ও দর্শন অনুশীলনের মাধ্যমে সত্যের সন্ধান করলেও অন্তরের ব্যাকুলতা তাঁর দিন দিন বৃদ্ধি পেতে থাকে।

৩। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের সামাজিক, ধর্মীয় ও সাহিত্যকীর্তির সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। 

উত্তরঃ মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলা ও ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ধর্মপ্রচারক, শিক্ষাব্রতী ও দার্শনিক। ১৮২৭ খ্রিষ্টাব্দে রাজা রামমোহন রায় প্রতিষ্ঠিত অ্যাংলো হিন্দু কলেজে শিক্ষা গ্রহণ শেষে তিনি পিতার সম্পত্তি রক্ষা ও দর্শন চর্চায় আত্মনিয়োগ করেন। ১৮৩৯ সালে তিনি ‘তত্ত্ব রঞ্জিনী সভা’ (পরবর্তী নাম ‘তত্ত্ববোধিনী সভা’) প্রতিষ্ঠা করেন, যা বাংলা সাহিত্য ও তত্ত্বচিন্তার প্রসারে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে। ১৮৪২ সালে তিনি ব্রাহ্মসমাজের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন এবং প্রথম ব্রহ্মোপাসনা রীতির প্রবর্তন করেন। সাহিত্যক্ষেত্রেও তাঁর অবদান অপরিসীম; ১৮৪৮ সালে তিনি ‘ঋগ্বেদ’-এর অনুবাদ প্রকাশ করেন এবং ১৮৫০ সালে তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘আত্মতত্ত্ববিদ্যা’ প্রকাশিত হয়। তাঁর মহতী ধর্মসাধনা, আধ্যাত্মিক নিষ্ঠা ও ব্রাহ্মসমাজের কল্যাণে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রাহ্মসমাজ তাঁকে ‘মহর্ষি’ উপাধিতে ভূষিত করে।

টীকা লেখো:

১। গোপীমোহন ঠাকুর (১৭৬০-১৮১৯)।

উত্তরঃ পাথুরিয়াঘাটা ঠাকুর বংশের দ্বিতীয় পুরুষ। ইংরাজি, ফরাসি, পর্তুগিজ, সংস্কৃত, ফারসি ও উর্দু ভাষা জানতেন। ব্রিটিশ সরকারের উচ্চপদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। ইংরাজি শিক্ষার প্রসারকল্পে হিন্দু কলেজ (১৮১৭খ্রি. ২০ জানুয়ারি) স্থাপনে এককালীন দশ হাজার টকা দান করেন এবং হিন্দু কলেজের বংশানুক্রমিক গভর্নর পদ লাভ করেন। সংস্কৃত চর্চায় উৎসাহী ছিলেন এবং সংগীতজ্ঞ, ব্যায়ামবীর প্রভৃতির সমাদর ও প্রতিপালন করতেন। প্রসন্নকুমার ঠাকুর তাঁর কনিষ্ঠ পুত্র।

২। চাণক্য।

উত্তরঃ চাণক্যের আর এক নাম কৌটিল্য। পণ্ডিতগণ চাণক্যকে ভারতের মেকিয়াভেলি মনে করেন। কৌটিল্যের ‘অর্থশাস্ত্র’ সংস্কৃত সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। গ্রন্থখানি আনুমানিক খ্রিষ্টীয় তৃতীয় শতকের (২০১-৩০০ খ্রিস্টাব্দ) কোনো এক সময়ে রচিত এবং প্রসিদ্ধ। চাণক্যের শ্লোক এখনো জনমানসে বহুল প্রচারিত।

যেমন- উৎসবে ব্যসনে চৈব দুর্ভিক্ষে রাষ্ট্রবিপ্লবে। রাজদ্বারে শ্মশানে চ য তিষ্ঠতি স বান্ধবঃ।।

চাণক্যে্যর আর এক নাম বিষ্ণু গুপ্ত। চাণক্য মগধের নন্দবংশীয় রাজাদের উচ্ছেদ সাধন করে মৌর্য বংশীয় চন্দ্রগুপ্তকে সিংহাসনে প্রতিষ্ঠিত করেন। চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজসভায় তিনি মন্ত্রীপদে বৃত হয়েছিলেন।

৩। বোটানিক্যাল গার্ডেন।

উত্তরঃ ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে রবার্ট কিড নামে এক ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সেনা আধিকারিক এই উদ্যান প্রতিষ্ঠা করেন। উদ্যান প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ছিল বাণিজ্যিক প্রয়োজনে বিভিন্ন প্রদেশ থেকে গাছপালা এনে সেগুলোর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা। এই উদ্দেশ্যে কলকাতার অদূরে হুগলি নদীর পশ্চিম তীরে কিছু জলাজমি ক্রয় করে এই উদ্যান প্রতিষ্ঠা করা হয়। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মচারিরা এই উদ্যান তৈরি করেছিলেন বলে লোকমুখে এর নাম হয় কোম্পানি বাগান। ১৭৮৭ থেকে ১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রবার্ট কিড এই উদ্যানের সাম্মানিক সুপারিন্টেনডেন্ট ছিলেন। বর্তমানে এই উদ্যানের নাম আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু বোটানিক্যাল গার্ডেন।

৪। মুগ্ধবোধ।

উত্তরঃ সংস্কৃত বৈয়াকরণ বোপদেব গোস্বামী রচিত বিখ্যাত ব্যাকরণ।

৫। ধৌম্য ঋষির উপাখ্যান।

উত্তরঃ মহর্ষি দেবলের কনিষ্ঠ ভ্রাতা ছিলেন ধৌম্য। উৎকোচক তীর্থে তাঁর সঙ্গে পাণ্ডু-পুত্র অর্জুনের সাক্ষাৎ হয়। অর্জুনের প্রার্থনায় তিনি পাণ্ডবদের পৌরহিত্যে ব্রতী হন। কথিত আছে যুধিষ্ঠিরের ময়দানব নির্মিত সভায় উপস্থিত ঋষিদের অন্যতম ছিলেন ধৌম্য। লঙ্কা-সমর বিজয়ী রামচন্দ্রকে আশীর্বাদ করার জন্য তিনি অযোধ্যা গমন করেন।

৬। উপমন্যু।

উত্তরঃ কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাসদেবের অন্যতমা পত্নী পীবরীর গর্ভে উপমন্যু জন্মগ্রহণ করেন।

ইনি বশিষ্ট বংশীয়। মহর্ষি আয়ুধধৌম্যের অন্যতম শিষ্য ছিলেন উপমন্যু। একদিন উপাধ্যায় তাঁকে বললেন, বৎস উপমন্যু সাবধানে আমার গো-ধন রক্ষা কর। এই বলে তাঁকে গোচারণে পাঠালেন। উপমন্যু গুরুর আদেশ মাথায় নিয়ে গোচারণে গেলেন। ধীরে ধীরে গুরু তাঁর আহার রদ করলেন। তবুও শিষ্যকে পুষ্ট দেখে জানতে চাইলেন, এখন তুমি কী ধরনের আহার গ্রহণ করছ। উপমন্যু উত্তর করলেন, ভগবান! আমি এখন ভিক্ষাবৃত্তি গ্রহণ করেছি। তা শুনে উপাধ্যায় বললেন, আমাকে না-জানিয়ে ভিক্ষালব্ধ দ্রব্য আহার করা তোমার উচিত হয়নি।

উপমন্যু গুরুর নির্দেশ মান্য করে ভিক্ষান্ন আহরণ করে গুরুকে প্রত্যর্পণ করতেন। উপাধ্যায় সেই ভিক্ষান্ন সমুদায় গ্রহণ করতেন। উপমন্যুকে খাবার জন্য কিছুই দিতেন না। এভাবে নানা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে উপমন্যু দিব্যজ্ঞান লাভ করলেন।

(D) শূন্যস্থান পূরণ (Fill in the Blanks)

১। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতার নাম ছিল প্রিন্স _______ ঠাকুর। 

উত্তরঃ দ্বারকানাথ।

২। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮২৭ খ্রিষ্টাব্দে রামমোহন রায় প্রতিষ্ঠিত _______ হিন্দু কলেজে ভর্তি হন। 

উত্তরঃ অ্যাংলো।

৩। দেবেন্দ্রনাথের জ্যেষ্ঠতাত-পুত্র ব্রজবাবু তাঁর কাছে দুটি বড় _______ চেয়েছিলেন। 

উত্তরঃ আয়না।

৪। দেবেন্দ্রনাথের রচিত প্রথম গানটি ছিল— “হবে, কি হবে দিবা-আলোকে, _______ বিনা সব অন্ধকার।” 

উত্তরঃ জ্ঞান।

৫। দেবেন্দ্রনাথ সংস্কৃত ভাষায় প্রবেশ করার জন্য চূড়ামণির নিকট _______ পড়ার প্রথম উৎসাহ প্রকাশ করেন। 

উত্তরঃ মুগ্ধবোধ।

৬। ‘তত্ত্ব রঞ্জিনী সভা’ পরবর্তীতে _______ সভা নামে পরিচিত হয়। 

উত্তরঃ তত্ত্ববোধিনী।

৭। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ব্রাহ্মসমাজ _______ উপাধিতে ভূষিত করেছিল। 

উত্তরঃ মহর্ষি।

৮। বোটানিক্যাল গার্ডেন লোকমুখে _______ বাগান নামে পরিচিত ছিল। 

উত্তরঃ কোম্পানি।

৯। ‘মুগ্ধবোধ’ ব্যাকরণটি সংস্কৃত ব্যাকরণবিদ _______ গোস্বামী দ্বারা রচিত। 

উত্তরঃ বোপদেব।

১০। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৪৮ সালে _______ অনুবাদ প্রকাশ করেন। 

উত্তরঃ ঋগ্বেদের।

শব্দার্থ: 

বৈঠকখানা – মজলিস ঘর, বহির্বাটিতে বসবার ঘর।

কল্পতরু – আকাঙক্ষা তরু। সর্বকামনা পূরণকারী বৃক্ষ বিশেষ।

জ্যেষ্ঠতাতপুত্র – জেঠা মশাইয়ের ছেলে।

তৎক্ষণাৎ – হঠাৎ, তক্ষুনি।

মুটে – মোট বা বোঝা বহনকারী, মজুর।

আসবাব – উপকরণ, জীবনযাপনের প্রয়োজনীয় জিনিস, তৈজস সত্র।

ঘুচে না – মোছে না, চোকে না, শেষ হয় না।

কৌচে – আরাম করে বসবার আসবাব।

বরাবর – সবসময়, প্রতিনিয়ত, একইভাবে।

প্রহর – তিনি ঘণ্টা সময়; কাল গণনার সাবেক একক।

নির্জন – জনতা হীন, জনহীন, লোকমানব শূন্য, জনমানব শূন্য।

সমাধিস্তম্ভ – সমাধির স্মারক, মৃতব্যক্তির স্মৃতিরক্ষার্থে নির্মিত স্মারক।

Ankit Roy

Founder & CEO

Roy Library

Hi! I’m Ankit Roy, Founder & CEO of Roy Library—An Educational platform dedicated to helping students learn better with quality Notes, Study Materials, Exam Suggestions, Textbooks, Previous Year Question Papers, Academic News, Job-Related News, and other useful educational resources.

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top