SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 6 প্রত্যুপকার

SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 6 প্রত্যুপকার Question Answer As Per New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 6 প্রত্যুপকার Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 6 প্রত্যুপকার Solutions We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 9 Bengali Important Solutions. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

WhatsApp Channel
Join Now
YouTube Channel
Subscribe

SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 6 প্রত্যুপকার

Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 9 Bengali Extra Solutions. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 9 Bengali Additional Question Answer. If you liked SEBA Class 9 Bengali Important Question Answer Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

প্রত্যুপকার

IMPORTANT QUESTION ANSWER

(A) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Very Short Answer)

১। ‘প্রত্যুপকার’ গল্পটির লেখক কে?

উত্তরঃ ‘প্রত্যুপকার’ গল্পটির লেখক হলেন উনিশ শতকের বিশিষ্ট সমাজ সংস্কারক ও গদ্যকার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

২। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কত খ্রিষ্টাব্দে এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ সেপ্টেম্বর মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

৩। বিদ্যাসাগরের পিতা ও মাতার নাম কী ছিল?

উত্তরঃ বিদ্যাসাগরের পিতার নাম ছিল ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মাতার নাম ছিল ভগবতী দেবী।

৪। বিদ্যাসাগর কত বছর বয়সে কলকাতার সংস্কৃত কলেজে ভর্তি হন?

উত্তরঃ বিদ্যাসাগর মাত্র নয় বছর বয়সে কলকাতার সংস্কৃত কলেজে ভর্তি হন।

৫। বিদ্যাসাগর সংস্কৃত কলেজ থেকে কোন উপাধি লাভ করেন?

উত্তরঃ অসাধারণ অধ্যয়নস্পৃহা ও অসামান্য প্রতিভাবলে কাব্য, অলংকার, বেদান্ত, স্মৃতি এবং ন্যায়শাস্ত্রে কৃতিত্ব প্রদর্শন করে তিনি ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি লাভ করেন।

৬। বিদ্যাসাগরের প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থের নাম কী এবং এটি কত খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়?

উত্তরঃ বিদ্যাসাগরের প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ ‘বেতাল পঞ্চবিংশতি’ এবং এটি ১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়।

৭। বিদ্যাসাগরের অনূদিত তিনটি বিখ্যাত গ্রন্থের নাম লেখো।

উত্তরঃ বিদ্যাসাগরের অনূদিত তিনটি বিখ্যাত গ্রন্থ হলো— ‘শকুন্তলা’, ‘সীতার বনবাস’ এবং ‘ভ্রান্তিবিলাস’।

৮। বিদ্যাসাগর রচিত কয়েকটি ছাত্রপাঠ্য গ্রন্থের নাম উল্লেখ করো।

উত্তরঃ বিদ্যাসাগর রচিত বিখ্যাত ছাত্রপাঠ্য গ্রন্থগুলি হলো— ‘বোধোদয়’, ‘আখ্যানমঞ্জরী’ এবং ‘বর্ণপরিচয়’।

৯। বিদ্যাসাগর কত খ্রিষ্টাব্দে পরলোকগমন করেন?

উত্তরঃ ১৮৯১ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ জুলাই বিদ্যাসাগরের দেহাবসান ঘটে।

১০। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিদ্যাসাগরকে কী আখ্যায় ভূষিত করেছিলেন?

উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিদ্যাসাগরকে “বাংলা গদ্যের প্রথম যথার্থ শিল্পী” আখ্যায় ভূষিত করেছিলেন।

১১। আলি ইবন্ আব্বাস কে ছিলেন?

উত্তরঃ আলি ইবন্ আব্বাস নামক এক ব্যক্তি বাগদাদের খলিফা মামুনের অত্যন্ত প্রিয়পাত্র ছিলেন।

১২। খলিফা মামুন আলি ইবন্ আব্বাসকে বন্দি ব্যক্তিটির বিষয়ে কী নির্দেশ দিয়েছিলেন?

উত্তরঃ খলিফা মামুন আলিকে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, তিনি যেন ওই বন্দি ব্যক্তিটিকে নিজের আলয়ে নিয়ে গিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন এবং পরদিন সকালে খলিফার নিকট উপস্থিত করেন।

১৩। বন্দি ব্যক্তির জন্মস্থান কোথায় ছিল?

উত্তরঃ বন্দি ব্যক্তির জন্মস্থান ছিল ডেমাস্কাস নগরের বৃহৎ মসজিদের অংশে।

১৪। আলি ইবন্ আব্বাস কার প্রাণভয়ে পালিয়ে কার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন?

উত্তরঃ আলি ইবন্ আব্বাস ডেমাস্কাসের পদচ্যুত শাসনকর্তার সৈন্যদের আক্রমণের ভয়ে পালিয়ে এক সম্ভ্রান্ত লোকের বাটীতে প্রবেশ করে আশ্রয় নিয়েছিলেন।

১৫। আলি ইবন্ আব্বাস ডেমাস্কাসের সম্ভ্রান্ত গৃহস্বামীর আবাসে কত দিন নির্ভয়ে ছিলেন?

উত্তরঃ আলি ইবন্ আব্বাস ডেমাস্কাসের সম্ভ্রান্ত গৃহস্বামীর আবাসে এক মাস কাল নির্ভয়ে ও নিরাপদে অবস্থান করেছিলেন।

(B) সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Short Answer)

১। বিদ্যাসাগরের মানসিকতা কীরূপ ছিল এবং দারিদ্র্য তাঁর মানসিকতাকে কীভাবে গড়ে তুলেছিল?

উত্তরঃ দারিদ্র্যের মধ্য দিয়ে বিদ্যাসাগরের বাল্য ও কৈশোর কেটেছিল। কিন্তু এই দারিদ্র্য তাঁর মানসিকতাকে দুর্বল করার পরিবর্তে আরও কুশলদমনীয়, তেজস্বী এবং অনমনীয় জেদি করে তুলেছিল, যা তাঁকে জীবনে স্বাবলম্বী ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হতে সাহায্য করেছিল।

২। বিদ্যাসাগরের সমাজ সংস্কারক রূপের পরিচয় দাও।

উত্তরঃ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একজন সমাজ সংস্কারক হিসেবেও অনন্য ছিলেন। তাঁরই অক্লান্ত প্রচেষ্টায় এবং আন্দোলনের ফলস্বরূপ ১৮৫৬ খ্রিষ্টাব্দে বিধবা বিবাহ আইন বিধিবদ্ধ হয়েছিল, যা তৎকালীন হিন্দু সমাজে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছিল।

৩। ডেমাস্কাসের আশ্রয়দাতা আলিকে সরাই বা যাত্রীদের সাথে পাঠানোর সময় আলির আর্থিক অবস্থা কেমন ছিল এবং আশ্রয়দাতা তা কীভাবে বুঝতে পেরেছিলেন?

উত্তরঃ ডেমাস্কাস থেকে বিদায়ের সময় আলির সঙ্গে কোনো অর্থ ছিল না। লজ্জাবশত আলি নিজের এই অর্থহীনতার কথা প্রকাশ করতে পারেননি; কিন্তু তাঁর আকার-প্রকার ও আচরণ দেখে বুদ্ধিমান আশ্রয়দাতা আলির আর্থিক অনটনের বিষয়টি বুঝতে পেরেছিলেন।

৪। “আপনকার মনস্কাম পূর্ণ হইয়াছে”— কে, কাকে, কোন প্রসঙ্গে এই কথা বলেছিলেন?

উত্তরঃ খলিফার দরবার থেকে বন্দি করে আনা ডেমাস্কাসবাসী তাঁর পূর্বের উপকারকারী আলি ইবন্ আব্বাসকে এই কথা বলেছিলেন। আলি যখন তাঁর অতীত ডেমাস্কাসবাসের এক মহান আশ্রয়দাতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আক্ষেপ করছিলেন যে তাঁর সঙ্গে আর দেখা হলো না, তখন বন্দি ব্যক্তিটি নিজেকেই সেই আশ্রয়দাতা হিসেবে পরিচয় দেওয়ার প্রসঙ্গে এই কথা বলেন।

৫। লৌহশৃঙ্খল মুক্ত হওয়ার পর বন্দি ব্যক্তিটির পরিচয় পেয়ে আলির প্রতিক্রিয়া কীরূপ হয়েছিল?

উত্তরঃ আশ্রয়দাতার পরিচয় পেয়ে আলি অত্যন্ত আহ্লাদিত ও পুলকিত হয়ে ওঠেন এবং অশ্রুপূর্ণ নয়নে তাঁকে আলিঙ্গন করেন। তিনি তখনই তাঁর হাত ও পা থেকে লৌহশৃঙ্খল খুলে দেন এবং কীভাবে তিনি খলিফার কোপে পতিত হলেন, তা জানার জন্য পরম ব্যাকুল হয়ে ওঠেন।

(C) দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর (Long Answer)

১। ডেমাস্কাস শহরে আলির প্রাণরক্ষা এবং আশ্রয়লাভের বিবরণটি সংক্ষেপে লেখো।

উত্তরঃ বহু বছর পূর্বে ডেমাস্কাসের শাসনকর্তা পদচ্যুত হলে, নতুন শাসনকর্তার সঙ্গে আলি ইবন্ আব্বাস সেখানে গিয়েছিলেন। কিন্তু পদচ্যুত শাসনকর্তার বহুসংখ্যক সৈন্য আলিদের আক্রমণ করলে, আলি প্রাণভয়ে পালিয়ে এক সম্ভ্রান্ত লোকের বাড়িতে আশ্রয় চান। গৃহস্বামী আলিকে অভয় দিয়ে নিজের আবাসে আশ্রয় দেন এবং সেখানে এক মাস কাল আলি অত্যন্ত নিরাপদে ও নির্ভয়ে বাস করেন। বিদায়কালে আশ্রয়দাতা আলির অর্থহীনতা বুঝতে পেরে সযত্নে সুসজ্জিত অশ্ব, খাদ্যসামগ্রী, একজন ভৃত্য এবং স্বর্ণমুদ্রার থলি দিয়ে যাত্রীদের দলের সাথে আলিকে তাঁর নিজের দেশে পাঠানোর সুব্যবস্থা করে দেন।

২। “আমি এত নীচাশয় ও স্বার্থপর নহি”— ডেমাস্কাসবাসীর এই উক্তির মধ্য দিয়ে তাঁর চরিত্রের কোন কোন মহৎ দিক প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তরঃ এই উক্তির মধ্য দিয়ে ডেমাস্কাসবাসীর অসাধারণ পরোপকারিতা, আত্মত্যাগ, বীরত্ব এবং নৈতিকতা প্রকাশ পেয়েছে। তিনি যখন জানতে পারেন যে তিনি পালিয়ে গেলে আলির ওপর খলিফার মারাত্মক কোপ পড়বে এবং আলির প্রাণদণ্ড হতে পারে, তখন তিনি নিজের প্রাণ বাঁচানোর চেয়ে আলির নিরাপত্তা ও জীবনকে অগ্রাধিকার দেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, যে ব্যক্তির প্রাণ তিনি একদা রক্ষা করেছিলেন, নিজের স্বার্থে আজ সেই আলির মৃত্যুর কারণ তিনি হতে পারবেন না। এই অনমনীয় নীতিবোধ ও মহত্ত্বই প্রমাণ করে যে তিনি এক অসাধারণ ও অতি উন্নত চরিত্রের মানুষ ছিলেন।

৩। আলি ইবন্ আব্বাস খলিফা মামুনের দরবারে বন্দি ডেমাস্কাসবাসীর মুক্তির জন্য কী যুক্তি ও বিবরণ পেশ করেছিলেন?

উত্তরঃ আলি ইবন্ আব্বাস খলিফার চরণে পতিত হয়ে সবিস্তারে জানান যে, এই বন্দি ব্যক্তিটি সাধারণ কোনো অপরাধী নন, বরং তিনি অত্যন্ত দয়াশীল, পরোপকারী, ন্যায়পরায়ণ ও সুবিবেচক। অতীত দিনে ডেমাস্কাসে এই ব্যক্তিটিই আলির প্রাণরক্ষা করেছিলেন। এমনকি আজ খলিফার চরম কোপ এবং প্রাণদণ্ডের ভয় থাকা সত্ত্বেও তিনি আলিকে বিপদে ফেলে পালিয়ে যেতে সম্মত হননি। আলি খলিফাকে বোঝান যে, এমন মহৎ চরিত্রের মানুষ কখনোই কোনো দুরাচার বা অপরাধী হতে পারেন না; কেবল নীচ প্রকৃতির হিংসুটে লোকদের মিথ্যা অপবাদের কারণেই তিনি আজ খলিফার ক্রোধের শিকার হয়েছেন।

৪। খলিফা মামুন কীভাবে তাঁর মহানুভবতা ও উন্নত হৃদয়ের পরিচয় দিয়েছিলেন?

উত্তরঃ খলিফা মামুন প্রথমে অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হলেও আলির মুখে বন্দির অতুলনীয় দয়াশীলতা, পরোপকারিতা এবং নৈতিকতার সত্য বিবরণ শুনে তাঁর ক্রোধ প্রশমিত হয়। খলিফা নিজেই অত্যন্ত উন্নতচিত্ত পুরুষ হওয়ায় এই মহত্ত্বের কদর করতে পেরেছিলেন। তিনি তখনই বন্দিকে প্রাণদণ্ড থেকে মুক্তি দেন। কেবল মুক্তিই নয়, খলিফা ওই ব্যক্তির প্রতি পরম প্রীত হয়ে তাঁকে মহামূল্য পরিচ্ছদ, দশটি সুসজ্জিত ঘোড়া, দশটি উট, দশটি খচ্চর উপহার দেন। ডেমাস্কাসের রাজপ্রতিনিধির নামে একটি অনুরোধপত্র এবং যাত্রাপথের খরচ হিসেবে প্রচুর অর্থ দিয়ে তাঁকে সসম্মানে বিদায় দেন।

৫। ‘প্রত্যুপকার’ গল্পটির নামকরণের সার্থকতা বিচার করো।

উত্তরঃ ‘প্রত্যুপকার’ শব্দটির অর্থ হলো উপকারের বদলে উপকার করা। গল্পে দেখা যায়, ডেমাস্কাসের এক সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি অতীতে আলি ইবন্ আব্বাসের প্রাণ রক্ষা করে অশেষ উপকার করেছিলেন। পরবর্তীকালে সেই ব্যক্তিই যখন বন্দি হয়ে আলির তত্ত্বাবধানে আসেন, তখন আলি তাঁর পূর্ব উপকারের ঋণ শোধ করতে পরম ব্যাকুল হয়ে ওঠেন। তিনি বন্দিকে মুক্ত করার এবং খলিফার দরবারে নিজের জীবন বাজি রেখে তাঁর প্রাণ ভিক্ষা করার সর্বাত্মক চেষ্টা করেন। ডেমাস্কাসবাসীর অতীত উপকারের প্রত্যুপকার করার জন্য আলির এই যে ব্যাকুলতা এবং শেষ পর্যন্ত খলিফার মারফত তাঁর মুক্তি লাভ করানো—এই পুরো ঘটনাচক্রকে কেন্দ্র করেই গল্পটি আবর্তিত হয়েছে। তাই গল্পটির ‘প্রত্যুপকার’ নামকরণ অত্যন্ত সার্থক ও যথাযথ হয়েছে।

(D) শূন্যস্থান পূরণ (Fill in the Blanks)

১। আলি ইবন্ আব্বাস নামক এক ব্যক্তি, _______ নামক খলিফার প্রিয়পাত্র ছিলেন।

উত্তরঃ মামুন।

২। বন্দি ব্যক্তিটি বলেন, _______ আমার জন্মস্থান।

উত্তরঃ ডেমাস্কাস।

৩। আমি আপনকার বসতিস্থানে এই সমস্ত উপকার প্রাপ্ত হইয়াছিলাম, এজন্য পৃথিবীতে যত স্থান আছে, ওই স্থান আমার _______ প্রিয়।

উত্তরঃ সর্বাপেক্ষা।

৪। আমি অতিশয় আহ্লাদিত হইয়া বলিলাম, আপনকার _______ পূর্ণ হইয়াছে।

উত্তরঃ মনস্কাম।

৫। আমি ডেমাস্কাসবাসীর হস্ত ও পদ হইতে _______ খুলিয়া দিলাম।

উত্তরঃ লৌহশৃঙ্খল।

টীকা লেখো:

১। ডেমাস্কাস।

উত্তরঃ ডেমাস্কাস বা দামাস্কাস হলো সিরিয়ার রাজধানী। এটি পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন নগরী। বিশ্বযুদ্ধের পর ফ্রেঞ্চ ম্যান্ডেটের ভিত্তিতে ১৯৪৬ খ্রিষ্টাব্দে আধুনিক সিরিয়ার প্রতিষ্ঠা হয়। এখানকার মোট জনসংখ্যার ৯৫ শতাংশ লোক মুসলমান।

২। বাগদাদ।

উত্তরঃ মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্র ইরাকের রাজধানী হলো বাগদাদ। বাগদাদ একটি অতি প্রাচীন ঐতিহাসিক প্রদেশ। এটি বাগদাদ শহর ও তার চারপাশের পৌর এলাকাগুলি নিয়ে গঠিত। এর মধ্যে রয়েছে আলমামুজিয়াহ ও আবু গারিব। এটি ইরাকের ক্ষুদ্রতম কিন্তু জনসংখ্যায় বৃহত্তম প্রদেশ।

৩। খলিফা।

উত্তরঃ খলিফা শব্দের অর্থ হলো প্রতিনিধি বা ধর্মনেতা। তিনি হলেন ইসলামী রাষ্ট্রের নির্বাচিত প্রধান শাসনকর্তা। হজরত মহম্মদের মৃত্যুর পর যে চারজন (হজরত আবুবকর, হজরত ওমর, হজরত ওসমান, হজরত আলি) একের পর এক মুসলিম রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন, তাঁরা একাধারে শাসনকর্তা এবং ধর্মীয় নেতা ছিলেন।

ব্যাকরণ ভাগ

১। সন্ধি বিচ্ছেদ করো:

  • প্রত্যুপকার = প্রতি + উপকার
  • জগদীশ্বর = জগৎ + ঈশ্বর
  • উদ্ধত = উৎ + হত
  • নির্ভয় = নিঃ + ভয়
  • মৌনাবলম্বন = মৌন + অবলম্বন
  • মনস্কাম = মনঃ + কাম
  • উল্লেখ = উৎ + লেখ
  • তজ্জন্য = তৎ + জন্য
  • দোষারোপ = দোষ + আরোপ
  • সংবাদ = সম্ + বাদ
  • স্বাধীন = স্ব + অধীন

২। প্রত্যয় নির্ণয় করো:

  • শ্রবণ = শ্রু + অনট (বা অন)
  • ঘাতক = হন্ + অক (বা ণক)
  • তদীয় = তদ্ + ঈয়
  • গমন = গম্ + অনট (বা অন)
  • বক্তব্য = বচ্ + তব্য
  • আত্মীয় = আত্মন্ + ঈয়
  • ভৃত্য = ভৃ + ক্যপ্ (বা য)
  • ব্যক্তি = ব্যঞ্জ + ক্তি
  • ব্যক্ত = ব্যঞ্জ + ক্ত

৩। বাক্য সংকোচন (এককথায় প্রকাশ) করো:

  • উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে – কৃতজ্ঞ
  • যাহা মর্মকে বেদনা দেয় – মর্মান্তিক (বা মর্মন্তুদ)
  • ভরণের যোগ্য – ভর্তব্য
  • মহতের ভাব – মহত্ত্ব
  • যার দয়া আছে – দয়ালু
  • যে পরের উপকার করে – পরোপকারী

৪। বাক্য রচনা করো:

  • কৃতজ্ঞতা প্রদর্শন: বিপদে সাহায্যকারী ব্যক্তির প্রতি সর্বদা কৃতজ্ঞতা প্রদর্শন করা উচিত।
  • নিরীক্ষণ: শিক্ষক মহাশয় প্রতিটি ছাত্রের খাতা খুঁটিয়ে নিরীক্ষণ করছিলেন।
  • আলিঙ্গন: বহু বছর পর দুই বাল্যবন্ধু পরস্পরের সাথে দেখা হওয়ায় আনন্দে জড়িয়ে ধরে আলিঙ্গন করল।
  • স্বার্থপর: সমাজ সংসারে কেবল নিজের ভালো চাওয়া স্বার্থপর মানুষের লক্ষণ।
  • মৌনাবলম্বন: সভায় যখন বিবাদ শুরু হলো, তখন তিনি কোনো কথা না বলে মৌনাবলম্বন করে রইলেন।

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top