SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 8 ডাইনী Question Answer As Per New Syllabus Provided by The Roy Library. SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 8 ডাইনী Notes is made for SEBA Bengali Medium Students. SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 8 ডাইনী Solutions We ensure that You can completely trust this content. SEBA Class 9 Bengali Important Solutions. If you learn PDF Then you can Download Now PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.
SEBA Class 9 Bengali Additional Chapter 8 ডাইনী
Today’s We have Shared in This Post SEBA Class 9 Bengali Extra Solutions. I Hope, you Liked The information About The SEBA Class 9 Bengali Additional Question Answer. If you liked SEBA Class 9 Bengali Important Question Answer Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.
ডাইনী
| IMPORTANT QUESTION ANSWER |
(A) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Very Short Answer)
১। ‘ছাতিফাটার মাঠ’ নামকরণের কারণ কী ছিল?
উত্তরঃ গ্রীষ্মকালে প্রচণ্ড রোদে তৃষ্ণায় বুক ফেটে মানুষের মৃত্যু হওয়া মোটেই অসম্ভব নয় বলেই এই প্রান্তরটির নাম ‘ছাতিফাটার মাঠ’ রাখা হয়েছে।
২। ছাতিফাটার মাঠের বীজপ্রসবিনী শক্তি কীভাবে নষ্ট হয়েছিল?
উত্তরঃ অতীতকালে এক মহানাগ এই মাঠে এসে বসতি স্থাপন করেছিল এবং তার বিষের জ্বালায় মাঠের রসময়ী রূপ ও বীজপ্রসবিনী শক্তি পুড়ে ক্ষার হয়ে গিয়েছিল।
৩। বৃদ্ধা ডাকিনী রামনগরের আমবাগানে কত বছর ধরে বাস করছিল?
উত্তরঃ রামনগরের সাহাদের আমবাগানের ছায়ার মধ্যে এক নিঃসঙ্গ মেটে ঘরে বৃদ্ধা ডাকিনী দীর্ঘ চল্লিশ বছর ধরে বাস করছিল।
৪। ডাইনী সন্দেহের কারণে গ্রামের লোকেরা বৃদ্ধার সাথে কেমন আচরণ করত?
উত্তরঃ গ্রামের লোকেরা বৃদ্ধা ডাকিনীকে প্রচণ্ড ভয় করত, তাই সবসময় তাকে এড়িয়ে চলত এবং ভয়ের চোটে বেশি পরিমাণে ভিক্ষা দিত।
৫। গল্পের শেষে বৃদ্ধা ডাকিনীর কী নির্মম পরিণতি হয়েছিল?
উত্তরঃ কালবৈশাখীর ঝড়ের পরদিন সকালে দেখা গিয়েছিল যে, ছাতিফাটার মাঠের প্রান্তের একটি বহুকালের কণ্টকাকীর্ণ খৈরি গুল্মের ভাঙা ডালের সুচালো ডগার তীক্ষ্ণাগ্ৰ প্রান্তে বৃদ্ধা ডাকিনীর মৃতদেহটি বিদ্ধ হয়ে ঝুলছে।
(B) সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Short Answer)
১। বৃদ্ধা ডাকিনীর শারীরিক রূপের বিবরণ দাও।
উত্তরঃ বৃদ্ধা ডাকিনীর চোখ দুটি ছিল অত্যন্ত ছোট এবং চোখের তারা দুটি ছিল খয়রা রঙের, যার মধ্যে পিঙ্গল দুটি তারা এবং অপলক স্থির দৃষ্টি ফুটে উঠত। এ ছাড়া তার জরা-কুঞ্চিত মুখমণ্ডল, শণের মতো সাদা চুল এবং সম্পূর্ণ দন্তহীন এক রূপ ছিল, যা নিজের বহুকালের পুরোনো আয়নায় দেখে বৃদ্ধা নিজেই শিউরে উঠেছিল।
২। হারু সরকারের বাড়িতে কী ঘটেছিল এবং তা দেখে বৃদ্ধার প্রতিক্রিয়া কেমন ছিল?
উত্তরঃ বামুন-বাড়ির হারু সরকারের ছেলেকে নজর দেওয়ার অপবাদে হারু সরকার বৃদ্ধার চুলের মুঠি ধরে সান-বাঁধানো সিঁড়ির ওপর আছাড় মেরেছিল। এতে বৃদ্ধা ভয়ে বিহ্বল হয়ে কেঁদে ঠাকুরের কাছে ছেলেটির আরোগ্য প্রার্থনা করেছিল এবং তার অলুক্ষণে দৃষ্টি ফিরিয়ে নেওয়ার পর ছেলেটি সুস্থ হয়ে উঠেছিল।
৩। বাউড়ী ছেলেটির প্রতি দয়া পরবশ হয়ে বৃদ্ধার মনে কী ইচ্ছা জেগেছিল এবং শেষে কী ঘটেছিল?
উত্তরঃ বাউড়ী ছেলেটি টাকা ও রূপোর চুড়ির অভাবে তার প্রেমিকাকে বিয়ে করতে পারছিল না দেখে বৃদ্ধা তাকে নিজের রূপোর চুড়ি ও টাকা দিয়ে সাহায্য করতে চেয়েছিল। কিন্তু বৃদ্ধাকে হঠাৎ সামনে দেখে ছেলেটি চরম আতঙ্কে চিৎকার করে উঠে প্রাণপণে পালিয়ে যায়।
৪। চৈত্র মাসের প্রথম প্রহরের শেষে ছাতিফাটার মাঠে তৃষ্ণার্ত যুবতী মেয়েটি কেন এসেছিল?
উত্তরঃ যুবতী মেয়েটি তার মায়ের মারাত্মক অসুস্থতার কারণে অনেক রাতে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল কিন্তু ছাতিফাটার মাঠের মাথায় আসার পর তার পথ ভুল হয়ে যায়। প্রচণ্ড গরম ও ধুলার ঝড়ে জলহীন অবস্থায় তৃষ্ণার্ত হয়ে সে তার মুমূর্ষু শিশুটিকে নিয়ে বৃদ্ধার মেটে ঘরে আশ্রয় চেয়েছিল।
(C) দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর (Long Answer)
১। সাবিত্রীর ছেলের ঘটনার পর বৃদ্ধা কেন নিজের গ্রাম ছেড়েছিল এবং তার নিজের দৃষ্টি সম্পর্কে তার কী বিশ্বাস জন্মেছিল?
উত্তরঃ বৃদ্ধা যখন তার বয়সী সাবিত্রীর সুন্দর ও চকচকে ছেলেটিকে দেখতে গিয়েছিল, তখন সাবিত্রীর শাশুড়ি তাকে অত্যন্ত কঠোরভাবে তিরস্কার করে তাড়িয়ে দিয়েছিল। বৃদ্ধা সাবিত্রীর খোকার একশো বছর পরমায়ু চেয়েছিল কিন্তু অপরাহ্ণ বেলাতেই তার অত্যন্ত তীব্র বিষময়ী দৃষ্টির কারণে সাবিত্রীর ছেলেটি ধনুকের মতো বেঁকে গিয়ে ব্যথায় কাতর হয়ে পড়ে। এই তীব্র লজ্জায় এবং নিজের দৃষ্টি আসলেই অভিশপ্ত ও অলুক্ষণে— এই বিশ্বাসে সে গভীর রাত্রে সবার অলক্ষ্যে নিজের গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে বোলপুর চলে যায়।
২। সমাজ কীভাবে বৃদ্ধাকে ডাইনী অপবাদে একঘরে করে রেখেছিল এবং এই অপবাদ থেকে মুক্তি পেতে বৃদ্ধা দেবীর কাছে কী প্রার্থনা করেছিল?
উত্তরঃ সমাজ বৃদ্ধাকে প্রচণ্ড নিষ্ঠুর অপবাদে জর্জরিত করে একঘরে করে রেখেছিল, যার কারণে ছোট ছেলেমেয়েরা তাকে দেখলেই ভয়ে পালিয়ে যেত বা কেঁদে উঠত এবং কোনো গৃহস্থের বাড়ির ভেতরে তার প্রবেশ করার অধিকার ছিল না। এই অসহ্য যন্ত্রণা ও অপবাদ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য সে গভীর রাত্রে জাগ্রত মা তারা দেবীর কাছে মানত করে প্রার্থনা করেছিল যেন তাকে ডাইনী থেকে একজন সাধারণ মানুষে পরিণত করে দেওয়া হয়, যার জন্য সে নিজের বুক চিরে রক্ত দিতেও প্রস্তুত ছিল।
৩। ছাতিফাটার মাঠে পথ হারানো যুবতী ও তার সন্তানের সাথে বৃদ্ধার সাক্ষাতের সময় কীভাবে তার মানবিক গুণ ও ডাইনী সত্তার দ্বন্দ্ব ফুটে উঠেছিল?
উত্তরঃ চৈত্র মাসের তপ্ত রোদে পথ হারানো যুবতী মেয়েটি যখন তার মুমূর্ষু শিশুকে নিয়ে বৃদ্ধার ঘরে এসে জল চায়, তখন বৃদ্ধার মনে প্রবল মমতার উদয় হয় এবং সে শিশুটির চোখে-মুখে জল দিয়ে তাকে সুস্থ করার চেষ্টা করে। কিন্তু হৃষ্টপুষ্ট শিশুটির দিকে তাকিয়ে থাকার সময় হঠাৎ তার অবদমিত ডাইনী সত্তা বা লোলুপদৃষ্টি জেগে ওঠে এবং বুঝতে পারে যে তার নিজের অমঙ্গলকারী দৃষ্টির কারণে শিশুটি মারাত্মকভাবে ঘামছে ও মৃত্যুর মুখে পতিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে নিজের মানবিকতা ও অন্তরের দ্বন্দ্বের কারণে সে নিজেকেই ধিক্কার দিয়ে চিৎকার করে মেয়েটিকে তার সন্তান নিয়ে পালিয়ে যেতে বলে।
(D) শূন্যস্থান পূরণ (Fill in the Blanks)
১। এপার হইতে ওপার পর্যন্ত অতিক্রম করিতে গেলে _______ ছাতি ফাটিয়া মানুষের মৃত্যু হওয়া মোটেই অসম্ভব নয়।
উত্তরঃ তৃষ্ণায়।
২। অভিশপ্ত ছাতিফাটার মাঠের পূর্বপ্রান্তে গলিত জলাব উপরে _______ সাহাদের আমবাগান আছে।
উত্তরঃ রামনগরের।
৩। বৃদ্ধা ডাকিনীর দৃষ্টি নাকি _______ স্থির।
উত্তরঃ অপলক।
৪। সেখানে আজ _______ বৎসর ধরিয়া বাস করিতেছে এক ডাকিনী।
উত্তরঃ চল্লিশ।
৫। কাজের মধ্যে তাহার ঘরদুয়ারটি ঠিকঠাক রাখা আর কয়েক ঘর _______।
উত্তরঃ ভিক্ষা।
| ব্যাকরণ ভাগ |
১। বিপরীত শব্দ:
- নীরব – সরব
- অসম্ভব – সম্ভব
- স্বপ্ন – সত্য
- সম্পন্ন – অসম্পন্ন
- পুলক – বিষাদ
- অমল – মলিন
- জাগ্রত – সুপ্ত (বা নিদ্রিত)
- প্রবীণ – নবীন
- পূর্ণিমা – অমাবস্যা
- প্রকাণ্ড – ক্ষুদ্র
- প্রমাণ – অপ্রমাণ
- নিষ্ফল – সফল
- বিশ্বাস – অবিশ্বাস
- বৃদ্ধ – যুবক (বা তরুণ)
- দৃঢ় – শিথিল
২। পদ পরিবর্তন:
- পাগল – পাগলাটে (বা পাগলামি)
- বৈশাখ – বৈশাখী
- পরিতৃপ্ত – পরিতৃপ্তি
- বিশাল – বিশালতা
- অভিনয় – অভিনীত
- আতঙ্ক – আতঙ্কিত
- নীরব – নীরবতা
- নিশ্চয় – নিশ্চিত
- পুলক – পুলকিত
- প্রতাপ – প্রতাপশালী (বা প্রতাপান্বিত)
- অনুমান – অনুমিত
- চক্ষু – চাক্ষুষ
- রক্ত – রক্তিম
- বিশ্বাস – বিশ্বাসী (বা বিশ্বাস্য)
- শঙ্কা – শঙ্কিত
৩। সংজ্ঞা ও শ্রেণীবিভাগ
(a) প্রত্যয় কাকে বলে?
উত্তরঃ শব্দ বা ধাতুর উত্তর বিশেষ অর্থে যে বর্ণ বা বর্ণ সমষ্টি যুক্ত হয় তাকে প্রত্যয় বলে।
(b) প্রত্যয় কত প্রকার ও কী কী?
উত্তরঃ প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার। যথা:
(ক) কৃৎ প্রত্যয়। এবং
(খ) তদ্ধিত প্রত্যয়।
(c) কৃৎ প্রত্যয় কাকে বলে? (উদাহরণসহ)
উত্তরঃ ধাতুর উত্তর যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে।
উদাহরণ: পড়া = পড়্ + আ
চলন্ত = চল্ + অন্ত
রান্না = রাঁধ্ + না
(d) তদ্ধিত প্রত্যয় কাকে বলে? (উদাহরণসহ)
উত্তরঃ শব্দের উত্তর যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
উদাহরণ: পশ্চিমা = পশ্চিম + আ
চাষা = চাষ + আ
দোকানী = দোকান + ঈ
৪। প্রত্যয় নির্ণয়:
- চলন্ত = চল্ + অন্ত
- নাচন = নাচ + অন
- রান্না = রাঁধ্ + না
- ধরনা = ধর্ + না
- চালুনি = চাল্ + উনি
- করা = কর্ + আ
- বক্তব্য = বক্ + তব্য
- দর্শনীয় = দৃশ্ + অনীয়
- গন্তব্য = গম্ + তব্য
- দর্শন = দৃশ্ + অনট
৫। নির্দেশক প্রত্যয়:
(a) নির্দেশক প্রত্যয় কাকে বলে?
উত্তরঃ যে সকল প্রত্যয় বিশেষ্যের সঙ্গে বা বিশেষ্যের পূর্বে ব্যবহৃত সংখ্যাবাচক বিশেষণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিশেষ্য ও সংখ্যাবাচক শব্দকে বিশেষভাবে নির্দেশ করে তাকে নির্দেশক প্রত্যয় বলা হয়। (এটি প্রকৃতপক্ষে তদ্ধিত প্রত্যয়েরই একটি রূপ)।
নির্দেশক প্রত্যয়ের উদাহরণ: টি, টা, টুকুনি, টুকু, খানা, খানি, গাছা, গাছি ইত্যাদি।
বাক্যে প্রয়োগের উদাহরণ:
- টা – ছেলেটা ভীষণ দুষ্ট।
- টে – তিনটে শালিক।
- টো – দুটো আম।
- টুকু – বিড়াল এসে দুধটুকু খেয়ে ফেলেছে।
- খানা – পাঁচখানা লুচি।
- গাছা – লাঠিগাছা রাখলে কোথায়?
- গাছি – ফুলের মালাগাছি রেখে দাও।

Hi! I’m Ankit Roy, a full time blogger, digital marketer and Founder of Roy Library. I shall provide you all kinds of study materials, including Notes, Suggestions, Biographies and everything you need.
YouTube Channel