Class 11 Swadesh Adhyayan Additional Chapter 3 সম্পদ

Class 11 Swadesh Adhyayan Additional Chapter 3 সম্পদ Question Answer Bengali Medium As Per AHSEC New Syllabus. Class 11 Swadesh Adhyayan Additional Chapter 3 সম্পদ Notes. AHSEC Class 11 Swadesh Adhyayan Extra (Important) Solutions Bengali Medium We ensure that You can completely trust this content. Class 11 Swadesh Adhyayan Additional Chapter 3 সম্পদ Question Answer in Bengali. If you learn PDF Then you can Download PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

WhatsApp Channel
Join Now
YouTube Channel
Subscribe

Class 11 Swadesh Adhyayan Additional Chapter 3 সম্পদ

Today’s We have Shared in This Post HS 1st Year Swadesh Adhyayan Important Question Answer in Bengali. I Hope, you Liked The information About The AHSEC Class 11 Swadesh Adhyayan Additional Notes in Bengali. If you liked HS 1st Year Swadesh Adhyayan Important Solutions Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

সম্পদ

Most Important Question Answer

(A) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Very Short Answer) — ২০টি

১। সম্পদ বলতে কী বোঝায়? 

উত্তরঃ প্রাকৃতিকভাবে বা কৃত্রিম উপায়ে তৈরি করে আমরা ব্যবহার করা অথবা ব্যবহার করতে পারা সকল সামগ্রীকেই সম্পদ বলা হয়।

২। অধ্যাপক ই. ডব্লিউ. জিমারম্যানের মতে সম্পদের সংজ্ঞা কী? 

উত্তরঃ জিমারম্যানের মতে— “সম্পদে কোনো বস্তু বা পদার্থ বোঝায় না, কিন্তু যদি সেই পদার্থ বা বস্তুর উপযোগিতা থাকে তাকেই সম্পদ বলে।”

৩। কোনো সামগ্রীকে সম্পদ বলতে গেলে কী থাকা প্রয়োজন? 

উত্তরঃ কোনো সামগ্রীকে সম্পদ বলতে গেলে সেই সামগ্রীর ব্যবহার পদ্ধতি জানতে হবে এবং উপলব্ধ হতে হবে।

৪। উৎপত্তিনুযায়ী সম্পদকে কী কী ভাগে ভাগ করা যায়? 

উত্তরঃ স্থলজ, জলজ, সৌর, বায়বীয়, উদ্ভিদ, জীব-জন্তু, মানব আদি ভাগে বিভক্ত করা যায়।

৫। উপলব্ধতা অনুযায়ী সম্পদকে কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে? 

উত্তরঃ ক্ষয়শীল এবং পুনর্ভর বা নবীকরণযোগ্য এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

৬। ব্যবহারিক দিক থেকে সম্পদকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়? 

উত্তরঃ ব্যবহারিক দিক থেকে সম্পদকে জীবীয় (Biotic) এবং অজীবীয় (Abiotic) ভাগে ভাগ করা যায়।

৭। জীবীয় সম্পদ কাকে বলে? 

উত্তরঃ উদ্ভিদ, জীব-জন্তু আর অণুজীবসমূহকে জীবীয় সম্পদ বলা হয়।

৮। জীবীয় সম্পদের উৎপাদক বলতে কাদের বোঝায়? 

উত্তরঃ উৎপাদক বলতে সকল সবুজ উদ্ভিদকে বোঝায়।

৯। প্রাথমিক উপভোক্তার দুটি উদাহরণ দাও। 

উত্তরঃ গরু এবং ছাগল।

১০। অণুজীব বা ব্যাকটেরিয়া কীভাবে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে? 

উত্তরঃ মরা উদ্ভিদ ও জীব-জন্তু পচিয়ে মাটিতে বিলীন করার মাধ্যমে অণুজীব মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে।

(B) সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Short Answer)— ১৫টি

১। সম্পদের বৈশিষ্ট্যগুলি কী কী? 

উত্তরঃ সম্পদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এর উপযোগিতা এবং কার্যকারিতা। এগুলি মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম হতে হয় এবং সময়ের সাথে সাথে বিজ্ঞানের প্রয়োগে এর মূল্য বৃদ্ধি পায়। 

২। উপভোক্তা কয় প্রকার ও কী কী? 

উত্তরঃ উপভোক্তা তিন প্রকার— প্রাথমিক উপভোক্তা (তৃণভোজী), দ্বিতীয়ক উপভোক্তা (মাংসভোজী) এবং উচ্চ মাংসভোজী।

৩। অজীবীয় সম্পদকে কী কী দুই ভাগে বিভক্ত করা যায়? 

উত্তরঃ অজীবীয় সম্পদকে বস্তুগত এবং রাসায়নিক এই দুটি ভাগে বিভক্ত করা যায়।

৪। উদ্ভিদ উদ্যান (Botanical Garden) সংরক্ষণের কোন পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত? 

উত্তরঃ উদ্ভিদ উদ্যান স্থানান্তরিত সংরক্ষণ বা ex situ conservation পদ্ধতির অন্তর্ভুক্ত।

৫। অসমে সংরক্ষিত বনাঞ্চল গড়ে তোলার প্রধান উদ্দেশ্য কী? 

উত্তরঃ জীব-জন্তু এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণের সাথে সাথে বিশেষ প্রজাতির বন্যপ্রাণী বা উদ্ভিদ সংরক্ষণ করা এর মূল উদ্দেশ্য।

(C) বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর (Descriptive Answer) — ১০টি

১। সম্পদের শ্রেণিবিভাগ সম্পর্কে আলোচনা করো। 

উত্তরঃ সম্পদকে বিভিন্নভাবে ভাগ করা যায়। উৎপত্তি অনুসারে স্থলজ, জলজ, উদ্ভিদ, জীব-জন্তু এবং মানব। উপলব্ধতা অনুযায়ী ক্ষয়শীল এবং নবীকরণযোগ্য। ব্যবহার অনুসারে জীবীয় (Biotic) এবং অজীবীয় (Abiotic)। এছাড়া প্রাকৃতিক সম্পদ এবং মানবসৃষ্ট সম্পদ হিসেবেও ভাগ করা হয়।

২। জীবীয় সম্পদের অন্তর্গত বিভিন্ন স্তরের উপভোক্তাদের বর্ণনা দাও। 

উত্তরঃ জীবীয় সম্পদের উপভোক্তাদের তিন ভাগে ভাগ করা যায়। গরু, ছাগলের মতো প্রাণী যারা ঘাস খেয়ে বাঁচে তারা প্রাথমিক উপভোক্তা। বাঘ, সিংহের মতো মাংসভোজী যারা প্রাথমিক উপভোক্তাদের খায় তারা দ্বিতীয়ক উপভোক্তা। আবার বাজপাখির মতো প্রাণী যারা মাংসভোজী হয়েও অন্য মাংসভোজী প্রাণী খায় তাদের উচ্চ মাংসভোজী বলা হয়। এছাড়া মৃতদেহ খাওয়া শকুন, কাউরিও উপভোক্তার অন্তর্ভুক্ত।

৩। অজীবীয় সম্পদের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো। 

উত্তরঃ অজীবীয় সম্পদ যেমন মাটি, জল, বায়ু এবং খনিজ পদার্থ প্রাণের অস্তিত্বের জন্য অপরিহার্য। নির্মল বায়ু আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য লাগে, জল ছাড়া জীবন অসম্ভব। খাদ্য শস্য উৎপাদনের জন্য জল এবং উর্বর মাটির প্রয়োজন। এছাড়া খনিজ দ্রব্য এবং জ্বালানি আমাদের আধুনিক জীবনযাত্রায় শক্তি ও কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

৪। সম্পদের সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা কী? 

উত্তরঃ মানুষের ক্রমবর্ধমান প্রয়োজন মেটানোর জন্য সম্পদের সঠিক ও মিতব্যয়ী ব্যবহার প্রয়োজন। অনেক প্রাকৃতিক সম্পদ যেমন খনিজ তেল, কয়লা প্রভৃতি ক্ষয়শীল এবং একবার শেষ হলে পুনরায় পাওয়া সম্ভব নয়। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সম্পদ রক্ষা করতে এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে সংরক্ষণের প্রয়োজন।

(D) দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর (Long Answer) — ১০টি

১। সম্পদ বলতে কী বোঝায়? সম্পদের বৈশিষ্ট্য এবং শ্রেণিবিন্যাস বিস্তারিতভাবে আলোচনা করো। 

উত্তরঃ প্রাকৃতিকভাবে বা কৃত্রিম উপায়ে তৈরি করে আমাদের উপকারে আসা সকল সামগ্রীই সম্পদ। জিমারম্যানের মতে, কোনো বস্তুর উপযোগিতা থাকলেই তাকে সম্পদ বলা হয়। সম্পদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল মানুষের প্রয়োজন মেটানোর ক্ষমতা এবং কার্যকরিতা। 

সম্পদকে বিভিন্নভাবে ভাগ করা যায়-

(ক) উৎপত্তি অনুযায়ী— জলজ, স্থলজ, উদ্ভিদ, প্রাণী, মানব ইত্যাদি। 

(খ) প্রাপ্তি বা স্থায়িত্ব অনুযায়ী— ক্ষয়শীল (কয়লা, খনিজ তেল) এবং পুনর্ভর বা নবীকরণযোগ্য (সৌরশক্তি, বায়ু)। 

(গ) জীবীয় (প্রাণ থাকা সম্পদ যেমন উদ্ভিদ, প্রাণী) এবং অজীবীয় (প্রাণহীন সম্পদ যেমন জল, মাটি)। 

সম্পদের গুরুত্ব নির্ভর করে মানুষের জ্ঞান এবং প্রযুক্তির ওপর। যেমন অতীতে চা গাছ বা সিনকোনা গাছের ব্যবহার মানুষ জানত না বলে তা সম্পদ হিসেবে গণ্য হত না, কিন্তু এখন এগুলি মহামূল্যবান সম্পদ।

২। জীবীয় সম্পদ কী? এর বিভিন্ন উপাদানসমূহ এবং বাস্তুসংস্থানে এদের ভূমিকা বর্ণনা করো। 

উত্তরঃ উদ্ভিদ, প্রাণী এবং অণুজীবদের নিয়ে জীবীয় সম্পদ গঠিত। 

এর প্রধান উপাদান তিনটি:

(ক) উৎপাদক: সকল সবুজ উদ্ভিদ যারা সূর্যের আলো ব্যবহার করে খাদ্য তৈরি করে। 

(খ) উপভোক্তা: যারা উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল। এরা আবার তিন প্রকার— প্রাথমিক (তৃণভোজী), দ্বিতীয়ক (মাংসভোজী) এবং উচ্চ মাংসভোজী। 

(গ) বিয়োজক বা অণুজীব: ব্যাকটেরিয়া এবং ছত্রাকের মতো অণুজীব যারা মরা পচা প্রাণীকে মাটিতে মিশিয়ে মাটির উর্বরতা বাড়ায়। 

বাস্তুসংস্থানে এই উপাদানগুলোর মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান। উদ্ভিদের সংখ্যা কমে গেলে বা কোনো প্রাণী বিলুপ্ত হলে বাস্তুসংস্থানের ভারসাম্য নষ্ট হয়। অণুজীবগুলো পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে এবং চক্রাকারভাবে পুষ্টি উপাদান ফিরিয়ে দিতে সাহায্য করে।

(E) শূন্যস্থান পূরণ (Fill in the Blanks) — ১৫টি

১। ১৮৮৯ সালে ডিগবয়ে ভারতের প্রথম ________ তেলের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। 

উত্তরঃ খনিজ।

২। ১৯০১ সাল থেকে ডিগবয়ে খনিজ তেল শোধন কাজ ________ শোধনাগারে আরম্ভ করা হয়। 

উত্তরঃ ডিগবয়।

৩। অসমে বর্তমানে মোট ________ টি রাষ্ট্রীয় উদ্যান আছে। 

উত্তরঃ ৫

৪। কাজিরাঙা রাষ্ট্রীয় উদ্যান স্বীকৃতি লাভ করে ________ সালে। 

উত্তরঃ ১৯৭৪

৫। কামরূপ (মহানগর) জেলায় অবস্থিত বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যটির নাম হল ________। 

উত্তরঃ দীপোর বিল।

(F) সত্য/মিথ্যা (True or False) — ১৫টি

১। অধ্যাপক জিমারম্যানের মতে উপযোগিতা থাকলেই কোনো বস্তুকে সম্পদ বলা যায়। 

উত্তরঃ সত্য।

২। বাঘ এবং সিংহ হল প্রাথমিক উপভোক্তা। 

উত্তরঃ মিথ্যা।

৩। কয়লা এবং পেট্রোলিয়াম নবীকরণযোগ্য সম্পদের উদাহরণ। 

উত্তরঃ মিথ্যা।

৪। স্ব-স্থান সংরক্ষণ মানে প্রাণীকে তার নিজের বাসস্থানেই সংরক্ষণ করা। 

উত্তরঃ সত্য।

৫। কাজিরাঙা রাষ্ট্রীয় উদ্যান অসমে অবস্থিত। 

উত্তরঃ সত্য।

(G) MCQ (Multiple Choice Questions) — ৩০টি

১। সম্পদের মূল বৈশিষ্ট্য হল— 

(a) ওজন। 

(b) উপযোগিতা ও কার্যকারিতা। 

(c) আকার। 

(d) দৃশ্যমানতা। 

উত্তরঃ (b) উপযোগিতা ও কার্যকারিতা।

২। কুইনাইন ওষুধ কোন উদ্ভিদ থেকে পাওয়া যায়? 

(a) চা। 

(b) ওক। 

(c) সিনকোনা। 

(d) শাল। 

উত্তরঃ (c) সিনকোনা।

৩। নিচের কোনটি প্রাথমিক উপভোক্তা? 

(a) বাঘ। 

(b) গরু। 

(c) শকুন। 

(d) সিংহ। 

উত্তরঃ (b) গরু।

৪। নিচের কোনটি অজীবীয় সম্পদ? 

(a) উদ্ভিদ। 

(b) প্রাণী। 

(c) জল। 

(d) অণুজীব। 

উত্তরঃ (c) জল।

৫। ইন-সিটু (In-situ) সংরক্ষণ পদ্ধতির উদাহরণ হল— 

(a) চিড়িয়াখানা। 

(b) বীজ ব্যাংক। 

(c) রাষ্ট্রীয় উদ্যান। 

(d) উদ্ভিদ উদ্যান। 

উত্তরঃ (c) রাষ্ট্রীয় উদ্যান।

Class 11 Swadesh Adhyan Demo

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top