Class 11 Swadesh Adhyayan Additional Chapter 4 অসমের অর্থনৈতিক ভিত্তি

Class 11 Swadesh Adhyayan Additional Chapter 4 অসমের অর্থনৈতিক ভিত্তি Question Answer Bengali Medium As Per AHSEC New Syllabus. Class 11 Swadesh Adhyayan Additional Chapter 4 অসমের অর্থনৈতিক ভিত্তি Notes. AHSEC Class 11 Swadesh Adhyayan Extra (Important) Solutions Bengali Medium We ensure that You can completely trust this content. Class 11 Swadesh Adhyayan Additional Chapter 4 অসমের অর্থনৈতিক ভিত্তি Question Answer in Bengali. If you learn PDF Then you can Download PDF. I hope You Can learn Better Knowledge.

WhatsApp Channel
Join Now
YouTube Channel
Subscribe

Class 11 Swadesh Adhyayan Additional Chapter 4 অসমের অর্থনৈতিক ভিত্তি

Today’s We have Shared in This Post HS 1st Year Swadesh Adhyayan Important Question Answer in Bengali. I Hope, you Liked The information About The AHSEC Class 11 Swadesh Adhyayan Additional Notes in Bengali. If you liked HS 1st Year Swadesh Adhyayan Important Solutions Bengali Medium Then Please Do Share this Post With your Friends as Well.

অসমের অর্থনৈতিক ভিত্তি

Most Important Question Answer

(A) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Very Short Answer) — ২০টি

১। অসমের অর্থনীতির মেরুদণ্ড কী? 

উত্তরঃ অসমের কৃষি, শিল্প এবং ব্যবসা-বাণিজ্যই হলো এখানকার অর্থনীতির প্রধান নিয়ন্ত্রক।

২। ২০১১-১২ সালের ভিত্তি বছর হিসেবে ২০১৫-১৬ বর্ষে অসমের অর্থনৈতিক উন্নয়নের হার কত? 

উত্তরঃ ৭.৭৩ শতাংশ।

৩। অসমের কত শতাংশ লোক কৃষির ওপর নির্ভরশীল? 

উত্তরঃ অসমের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল।

৪। অসমের মোট ভূমির কত শতাংশ কৃষি কার্যে ব্যবহৃত হয়? 

উত্তরঃ অসমের প্রায় ৪৪.১১ শতাংশ মাটি কৃষি কার্যে ব্যবহৃত হয়।

৫। অসমের প্রধান কৃষি শস্য কী? 

উত্তরঃ ধান।

৬। অসমের ধানের তিনটি প্রধান প্রকার কী কী? 

উত্তরঃ শালি ধান, আহু ধান এবং বড়ো ধান।

৭। জাইদ শস্য কোন সময়ে করা হয়? 

উত্তরঃ খরিফ এবং রবি শস্য উৎপাদনের মধ্যবর্তী সময় অর্থাৎ মার্চ মাস থেকে জুন মাসের মধ্যে।

৮। স্থানান্তর কৃষি বা শিফটিং এগ্রিকালচার (Shifting Agriculture)-এর অপর নাম কী? 

উত্তরঃ ঝুম চাষ।

৯। শস্যবর্তন (Crop Rotation) বলতে কী বোঝায়? 

উত্তরঃ একই জমিতে বছরের পর বছর একই শস্য চাষ না করে বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন শস্য চাষ করাকে শস্যবর্তন বলে।

১০। অসমের কোথায় প্রথম অপরিশোধিত তেল খনন করা হয়েছিল? 

উত্তরঃ ডিগবয়ে (১৯০১ সালে)।

(B) সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Short Answer) — ১৫টি

১। খরিফ শস্য বলতে কী বোঝায়? 

উত্তরঃ এপ্রিল-মে মাসে বর্ষা আরম্ভ হওয়ার সাথে সাথে অসমে যে শস্য বপন করা হয় এবং নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে সংগ্রহ করা হয়, তাকে খরিফ শস্য বলে। যেমন— শালি ধান, মরাপাট, আখ ইত্যাদি।

২। রবি শস্য কাকে বলে? 

উত্তরঃ শীতকালের শুরুতে অর্থাৎ অক্টোবর-মার্চ মাসে যে শস্য করা হয় এবং বসন্তের শেষে অর্থাৎ এপ্রিল-জুন মাসে সংগ্রহ করা হয়, তাকে রবি শস্য বলে। যেমন— রবি ধান, সরষে, ডাল জাতীয় শস্য ইত্যাদি।

৩। ঝুম চাষ কেন পরিবেশের পরিবর্তন ঘটাচ্ছে? 

উত্তরঃ ঝুম চাষের জন্য পাহাড়ের ঢালে গাছ-বন কেটে পুড়িয়ে মাটি পরিষ্কার করা হয়। এর ফলে মাটির উর্বরতা কমে যায় এবং মাটির ক্ষয় বৃদ্ধি পায়, যা দ্রুত পরিবেশের পরিবর্তন ঘটাচ্ছে।

৪। শস্য নিবিড়তা (Cropping Intensity) নির্ধারণের পদ্ধতিটি লেখো। 

উত্তরঃ শস্য নিবিড়তা = (মোট কৃষি উৎপাদন ভূমি / প্রকৃত কৃষি উৎপাদন ভূমি) × ১০০

৫। নিবিড় কৃষি পদ্ধতি কেন প্রয়োজন? 

উত্তরঃ ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার প্রয়োজনীয় খাদ্যের অভাব পূরণ করার জন্য একই জমিতে বৈজ্ঞানিক তথ্য ও পদ্ধতি ব্যবহার করে উৎপাদন বাড়ানোই হলো নিবিড় কৃষি পদ্ধতি।

(C) বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর (Descriptive Answer) — ১০টি

১। অসমের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্যগুলি সংক্ষেপে আলোচনা করো। 

উত্তরঃ অসমের অর্থনীতি প্রধানত কৃষিনির্ভর এবং এখানকার ৮০ শতাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। রাজ্যের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনে কৃষি ও সংশ্লিষ্ট খাতের অবদান হ্রাস পেলেও সেবা খাতের অবদান বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিল্প ও খনিজ সম্পদের দিক থেকে অসম সমৃদ্ধ হলেও উদ্যোগিক বিকাশের গতি ভারতের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় ধীর। রাজ্যের মানব সম্পদ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর ভিত্তি করে সামগ্রিক অর্থনীতি নিয়ন্ত্রিত হয়।

২। অসমের কৃষি ব্যবস্থার প্রধান প্রকারভেদগুলো কী কী? 

উত্তরঃ অসমের কৃষি ব্যবস্থাকে প্রধানত ঋতু এবং চাষের পদ্ধতি অনুযায়ী ভাগ করা যায়। ঋতু অনুযায়ী— খরিফ শস্য, রবি শস্য এবং জাইদ শস্য। আবার পদ্ধতির দিক থেকে পাহাড়ি অঞ্চলে ঝুম চাষ এবং সমতল অঞ্চলে স্থায়ী বা নিবিড় কৃষি পদ্ধতি প্রচলিত। এছাড়া একই জমিতে শস্য উৎপাদনের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে এক শস্যী (Mono Culture), দ্বি-শস্যী (Duo Culture) এবং বহু শস্যী (Multi Cropping) ব্যবস্থা দেখা যায়।

৩। ঝুম চাষ এবং বেদিকা কৃষির মধ্যে পার্থক্য বুঝিয়ে লেখো। 

উত্তরঃ ঝুম চাষ হলো এক ধরণের স্থানান্তর কৃষি পদ্ধতি যেখানে জঙ্গল কেটে পুড়িয়ে চাষ করা হয় এবং উর্বরতা কমলে স্থান পরিবর্তন করা হয়। এটি মাটির ক্ষয় বৃদ্ধি করে। অন্যদিকে, বেদিকা কৃষি হলো পাহাড়ের ঢালে ধাপ কেটে স্থায়ীভাবে চাষ করার বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। বেদিকা পদ্ধতিতে মাটির উর্বরতা বজায় থাকে এবং মাটির ক্ষয় কম হয়, যা ঝুম চাষের তুলনায় পরিবেশবান্ধব।

(D) দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর (Long Answer) — ১০টি

১। অসমের অর্থনীতির সামগ্রিক অবস্থা এবং বিকাশের গতি সম্পর্কে একটি বিস্তারিত আলোচনা করো। 

উত্তরঃ উত্তর-পূর্ব ভারতের একমাত্র সমতলীয় রাজ্য অসম চারিদিকে পাহাড়ী রাজ্য দিয়ে ঘেরা। রাজ্যের সামগ্রিক অর্থনীতি প্রধানত মানব সম্পদ এবং প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নির্ভরশীল। ২০১১-১২ সালের ভিত্তি বছরে অসমের অর্থনৈতিক উন্নয়নের হার ছিল ৭.৭৩ শতাংশ, যা ভারতের গড় উন্নয়নের হারের তুলনায় ০.১৫ শতাংশ কম। রাজ্যের কৃষি খাতে আয়ের পরিমাণ হ্রাস পেলেও সেবা খাতে আয় বৃদ্ধি পেয়ে ৪৬.৭১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। শিল্পের ক্ষেত্রেও আয়ের সামান্য হ্রাস পরিলক্ষিত হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদকে রাজ্যের জীবনরেখা বলা হয়। বিগত কয়েক দশকে কৃষি পদ্ধতিতে পরিবর্তন এবং শিল্পের বিকাশের ফলে পেশাগত কাঠামোতে কিছু পরিবর্তন এলেও রাজ্যের অর্থনীতি আজও মূলত কৃষিপ্রধান। গ্রামীণ এলাকায় দারিদ্র্য এবং পরিকাঠামোর অভাব উন্নয়নের গতিতে বাধা প্রদান করছে।

২। অসমের কৃষি ব্যবস্থার সমস্যাগুলো বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করো। 

উত্তরঃ অসমের কৃষি ব্যবস্থা বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন, যার ফলে আশানুরূপ উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না। 

প্রধান সমস্যাগুলি হলো-

(a) কৃষি জমির ক্ষুদ্র আকার, যার ফলে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার সম্ভব হয় না। 

(b) ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপে মাথাপিছু কৃষি জমির পরিমাণ হ্রাস পাওয়া। 

(c) উন্নত ও বৈজ্ঞানিক কৃষি পদ্ধতির পরিবর্তে পুরনো লাঙল-জোয়াল পদ্ধতির ব্যবহার, যার ফলে উৎপাদন কম হয়। 

(d রাজ্যের একটি সীমিত অংশে (১৫%) জলসেচনের ব্যবস্থা থাকায় বৃষ্টির অভাবে চাষের ক্ষতি হয়। 

(e) প্রতি বছর বন্যার কারণে ব্যাপক ফসলহানি ঘটে। 

(f) সারের অভাব এবং কৃষকদের অজ্ঞতা ও দারিদ্র্য। 

(g) বাজার ব্যবস্থার অভাব এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য, যার ফলে কৃষকরা ফসলের ন্যায্য মূল্য পায় না। এই সমস্যাগুলো সমাধান না করলে অসমের কৃষি ভিত্তিক অর্থনীতির প্রকৃত বিকাশ সম্ভব নয়।

(E) শূন্যস্থান পূরণ (Fill in the Blanks) — ১৫টি

১। ২০১১-১২ বর্ষকে ভিত্তি বছর হিসেবে ধরে অসমের অর্থনৈতিক উন্নয়নের হার ________। 

উত্তরঃ ৭.৭৩ শতাংশ।

২। ব্রহ্মপুত্র নদকে অসমের অর্থনীতির ________ বলা হয়। 

উত্তরঃ জীবনরেখা।

৩। অসমের মোট কৃষিভূমির মধ্যে প্রায় ________ শতাংশ জমিতে ধান চাষ করা হয়। 

উত্তরঃ ৯১.৪৩ শতাংশ।

৪। পাহাড়ের ঢালে ধাপ কেটে করা কৃষি পদ্ধতিকে ________ বলা হয়। 

উত্তরঃ বেদিকা কৃষি।

৫। ১৯০১ সালে অসমের ________ প্রথম তেল শোধনাগার স্থাপিত হয়। 

উত্তরঃ ডিগবয়ে।

(F) সত্য/মিথ্যা (True or False) — ১৫টি

১। অসমের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮০ শতাংশ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। 

উত্তরঃ সত্য।

২। রবি শস্য বর্ষাকালের শুরুতে বপন করা হয়। 

উত্তরঃ মিথ্যা।

৩। ঝুম চাষের ফলে পাহাড়ের মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। 

উত্তরঃ মিথ্যা।

৪। মরাপাট অসমের একটি প্রধান অর্থকরী শস্য। 

উত্তরঃ সত্য।

৫। ভারতের মোট চা উৎপাদনের ৮০ শতাংশ অসমে হয়। 

উত্তরঃ মিথ্যা।

(G) MCQ (Multiple Choice Questions) — ৩০টি

১। ২০১১-১২ বর্ষে অসমের শিল্প খাতের আয়ের অবদান কত ছিল? 

(a) ১৫.৮৯ শতাংশ। 

(b) ৩০.৬৬ শতাংশ। 

(c) ৪৩.৯৭ শতাংশ। 

(d) ২০.০৫ শতাংশ। 

উত্তরঃ (b) ৩০.৬৬ শতাংশ।

২। অসমের প্রধান কৃষি শস্য কোনটি? 

(a) গম। 

(b) চা। 

(c) ধান। 

(d) মরাপাট। 

উত্তরঃ (c) ধান।

৩। নিচের কোনটি রবি শস্যের উদাহরণ? 

(a) শালি ধান। 

(b) সরষে। 

(c) মরাপাট। 

(d) আখ। 

উত্তরঃ (b) সরষে।

৪। ঝুম চাষকে অন্য কী নামে ডাকা হয়? 

(a) স্থায়ী কৃষি। 

(b) নিবিড় কৃষি। 

(c) স্থানান্তর কৃষি। 

(d) বেদিকা কৃষি। 

উত্তরঃ (c) স্থানান্তর কৃষি।

৫। ‘সোনালী সুতা’ নিচের কোনটিকে বলা হয়? 

(a) মুগা। 

(b) এড়ী। 

(c) মরাপাট। 

(d) কার্পাস। 

উত্তরঃ (c) মরাপাট।

Class 11 Swadesh Adhyan Demo

Leave a Reply

error: Content is protected !!
Scroll to Top